Delhi Theke Bolchi

Result: 1- 17 out of 22 Bangla Articles Found
মমতার বিরুদ্ধে মুখ কে? বিজেপিতে ছায়া মুখ্যমন্ত্রীর মিছিল

মমতার বিরুদ্ধে মুখ কে? বিজেপিতে ছায়া মুখ্যমন্ত্রীর মিছিল

সমস্যা হল মমতার বিরুদ্ধে রাজ্য বিজেপির মুখটি কে? একজন নয়, বিজেপিতে ছায়া মুখ্যমন্ত্রীর মিছিল।

ইতিহাসের রেলপথে ভারত-বাংলাদেশের বর্তমান যাত্রা

ইতিহাসের রেলপথে ভারত-বাংলাদেশের বর্তমান যাত্রা

কোন সন্দেহ নেই পাকিস্তান ও চিন বাংলাদেশের সঙ্গে দ্রুত সুসম্পর্ক স্থাপন করতে চাইছে। কিন্তু বিদেশ সচিবের ঢাকা সফরের পিছনেও আছে এক নেপথ্য কাহিনী।

ধনকড় কি রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হবেন?

ধনকড় কি রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হবেন?

পশ্চিমবঙ্গে ভোটের আগে কার্যত লড়াইটা সংবাদমাধ্যম পড়লে মনে হচ্ছে, এটি মমতা বনাম রাজ্যপাল। মোদী বনাম মমতা নয়। মমতা বনাম বিজেপি নয়। বিজেপির একাংশ রাজ্যপালের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ।

প্রণববাবুর অ্যাটাচিতে সবসময় থাকত এই ছোট্ট বইটি

প্রণববাবুর অ্যাটাচিতে সবসময় থাকত এই ছোট্ট বইটি

আজ বিদায়৷ চির বিদায়। এক অজাতশত্রু রাজনৈতিক নেতা যিনি চিরকাল ভারতীয় বহুত্ববাদে বিশ্বাস রেখেছেন। সংঘাত নয়, ঐক্যের রাস্তায় হাঁটতে চেয়েছেন।

রাজীবের দেওয়া নাম বদলে নেহেরু যুগে ফিরে কি লাভ, শিক্ষানীতি বৈষম্যের প্রাচীর ভাঙবে?

রাজীবের দেওয়া নাম বদলে নেহেরু যুগে ফিরে কি লাভ, শিক্ষানীতি বৈষম্যের প্রাচীর ভাঙবে?

কোঠারি কমিশনের সুপারিশে স্পষ্ট ভাষায় বলা হয় যে জিডিপির শতকরা ৬ ভাগ সরকারকে শিক্ষাক্ষেত্রে খরচ করতে হবে। সেটা কিন্তু সেদিনও হয়নি। পরবর্তী কালে অনেক বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবেই তা হয়নি।

অযোধ্যায় ঐতিহাসিক মুহূর্ত: গতকাল-আজ-আগামিকালের গল্প

অযোধ্যায় ঐতিহাসিক মুহূর্ত: গতকাল-আজ-আগামিকালের গল্প

আজও লালকৃষ্ণ আডবানীর বিরুদ্ধে আদালতে ফৌজদারি মামলা চলছে। আজও তিনি চার্জশিট মুক্ত নন, এই ৯২ বছর বয়সে। কিন্তু মোদী যাচ্ছেন আদালতের নিয়ম মেনে।

অমিতাভ বচ্চনের মুখোশ খুলতে চেয়েছিল অমর সিং, কেন?

অমিতাভ বচ্চনের মুখোশ খুলতে চেয়েছিল অমর সিং, কেন?

অমর সিং বলেছিল, "এ বি সি এল-এ যখন অমিতাভ ঋণগ্রস্ত, তখন কে ওকে বাঁচিয়েছিল সেটা ও ভুলে গেছে...!"

মমতার জন্য সরষে পাবদা আনাতেন সোমেন দা

মমতার জন্য সরষে পাবদা আনাতেন সোমেন দা

নিজে চিত্তরঞ্জন পার্কে যেতেন মাছ কিনতে। নিজে বাজার করতে কী ভালোবাসতেন! বলতেন, কলকাতায় কোলে মার্কেটে তো যেতে পারি না, গেলেই লোকে ধরবে। মন দিয়ে বাজারটা করতেই পারি না। তাই দিল্লি এসে একটা ভয়ঙ্কর বাজার হতো।

প্রণাম তোমায় বাজার-অর্থনীতি

প্রণাম তোমায় বাজার-অর্থনীতি

আমার পাড়ার মুসলমান মাংসওয়ালাটি কিন্তু আমার চেয়ে বড়লোক। এ ব‍্যাপারে আমি নিশ্চিত। কিন্তু সমাজ ওকে সে সম্মান দেয় না ও Intellectual নয় বলে। বড়লোক মাংসওয়ালার চেয়ে আজও গরিব পুরোহিতের সম্মান বেশি।

বাজার হোক বা সীমান্ত, চিনা রণকৌশল থাকবে অব্যাহত

বাজার হোক বা সীমান্ত, চিনা রণকৌশল থাকবে অব্যাহত

বুদ্ধবাবু কিন্তু সেদিন রাষ্ট্রদূতের মুখের উপরই বলে দেন, "কমরেড, জাতীয় নিরাপত্তাটা রাজ‍্য সরকারের বিষয় নয়। এটা কেন্দ্রের ব‍্যাপার। আর নিরাপত্তা খুবই সংবেদনশীল বিষয়।"

চিনের নবতম রূপ, ঘরের বাইরে নজর

চিনের নবতম রূপ, ঘরের বাইরে নজর

চিনের আর্থিক সম্প্রসারণবাদের নেপথ্যে চিনের আক্রমনাত্মক বিশ্বনীতি দেখে ভারত প্রমাদ গুনছে। কারণ একটাই, ভারত-চিন সম্পর্কের মধ‍্যে জমে থাকা অবিশ্বাস।

ভারত-চিনে পরস্পরে দ্বন্দ্বে অমঙ্গল!

ভারত-চিনে পরস্পরে দ্বন্দ্বে অমঙ্গল!

কোনও কান্ডজ্ঞান সম্পন্ন মানুষ আজ এই করোনা আক্রান্ত দুঃসময়ে বলতে পারেন না, হাল্লার রাজার মত নরেন্দ্র মোদী ইটের বদলে পাটকেল দিতে চিন সীমান্ত পেরিয়ে 'সার্জিকাল আক্রমণ' করুন।

জনতার শত্রু করোনা, তবে সামলানোর দায় কার?

জনতার শত্রু করোনা, তবে সামলানোর দায় কার?

একদিকে মৃত্যুর শতকরা হার হু হু করে বাড়ছে, অন্যদিকে লকডাউন তুলে নেওয়া হচ্ছে। বাসে-ট্রেনে মানুষ যেভাবে গা ঘেঁষাঘেঁষি করে অফিস যাচ্ছেন, দেখে আঁতকে উঠছি। শুধু তো কলকাতা নয়, মুম্বই, দিল্লি, সর্বত্রই একই চিত্র।

প্রিয়াঙ্কার রাজনৈতিক পরিপক্বতা বনাম কংগ্রেসের দৈন্যদশা

প্রিয়াঙ্কার রাজনৈতিক পরিপক্বতা বনাম কংগ্রেসের দৈন্যদশা

করোনা কাণ্ডে প্রিয়াঙ্কার রাজনৈতিক পরিপক্কতা এবং ভিন্ন মানসিকতার পরিচয় মিলল। এই মানসিকতা ইতিবাচক, কিন্তু কংগ্রেস নামক শতাব্দীরও অধিক প্রাচীন সর্বভারতীয় দলটির অবস্থাও আজ স্পষ্ট।

কেন্দ্রীয় বাজেট ও নরেন্দ্র মোদীর চ্যালেঞ্জ

কেন্দ্রীয় বাজেট ও নরেন্দ্র মোদীর চ্যালেঞ্জ

কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা অবলুপ্তি, রাম মন্দির নির্মাণ, নাগরিকত্ব বিল, অভিন্ন দেওয়ানি বিধির দিকে এগোনো এসব নিয়েই যতই বিতর্ক হোক, মানুষ কিন্তু বলছে শুধু রাম নয়, রুটি চাই।

মোদী-শাহ যাই করুন, বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব নষ্ট করতে চাইবে না ভারত

মোদী-শাহ যাই করুন, বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব নষ্ট করতে চাইবে না ভারত

দেশের ভিতর অভ্যন্তরীণ রাজনীতি যাইহোক, অনুপ্রবেশ নামক শব্দটি বিজেপির জন্য যতই প্রয়োজনীয় শব্দ হোক, একজন মুসলিম অনুপ্রবেশকারীও আপাতত বাংলাদেশে ফেরত যাবে না।

দেশের মুসলিমরা মোদী-অমিতের বিরুদ্ধে, হিন্দুবিদ্বেষী নন

দেশের মুসলিমরা মোদী-অমিতের বিরুদ্ধে, হিন্দুবিদ্বেষী নন

অমিত শাহ উত্তরপ্রদেশে একজনও মুসলমান প্রার্থী দেননি কেন? রাজনাথ সিং পর্যন্ত প্রশ্ন করলে অমিত শাহ তাঁকে বলেন, যারা আমাদের ভোট দেবে না তাদের বিজেপি প্রার্থী করবে কেন?

Advertisement

ট্রেন্ডিং
BIG NEWS
X