
এতদিন যদি ১০০ কোটি আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত কোনও তারার সন্ধান পাওয়া যেত, করোনা পরিস্থিতিতে লকডাউনের আকাশে এখন ২০০ কোটি আলোকবর্ষ দূরে থাকা তারার খোঁজ মিলছে।

পড়ুয়াদের কোনো প্রশ্ন থাকলে, সেটি তারা ই-মেল আইডি ও হোয়াটসঅ্যাপ মারফত জিজ্ঞাসা করতে পারে।

ছকবাাজি থেকে সেই শব্দকে খুজে বের করতে হবে আপনাকে। যেখানে লুকিয়ে রয়েছে করোনা সম্পর্কিত শব্দ। এই শব্দ ছক রইল আপনার জন্য।

যখন এই প্রতিবেদন লেখা হচ্ছে, ততক্ষণে করোনায় আক্রান্ত হয়ে রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে দু'জনের। এবার জেনে নেওয়া যাক, আক্রান্তরা কেমন আছেন-

গত সপ্তাহের শনিবার থেকে চালু হওয়ার কথা শোনা গেলেও সরকারি ভাবে এখনও কোনো সবুজ সংকেত পায়নি কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ।

ঘরে বসে নিশ্চিন্ত থাকার বদলে তাদের মাথায় এখন বিরাট চিন্তা। সিলেবাস কিভাবে শেষ হবে? লকডাউন উঠলেই সপ্তাহখানেক বাদেই যে পরীক্ষা।

প্রতি মুহূর্তেই করোনা আক্রান্ত রোগীদের সংস্পর্শে যাচ্ছেন তাঁরা। অথচ তাঁরাই নিজেদের অসুরক্ষিত মনে করতে বাধ্য হচ্ছেন বলে অভিযোগ।

আধার ও প্যানের লিংক জুনের শেষ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

যেহেতু আজ রাতের পর অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাড়ি থেকে বেরোনোর ওপর কার্যত নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে, সে কারণে দোকানে দোকানে থলে নিয়ে পৌঁছে গিয়েছেন সাধারণ...

চোখে জল নিয়ে বয়স্ক মহিলা বললেন, জোরাল শব্দের তরঙ্গ নেতিবাচক শক্তিকে অচল করে দেয়। অতীতেও নাকি এমনটাই হত।

যাঁরা গরিব মানুষ, যাঁদের নুন আনতে পান্তা ফুরোয় তাঁরা কি করবেন? তাঁদের কাছে মাস্ক ও স্যানিটাইজার কেনা বিলাসিতা!

মারণ ভাইরাসের আতঙ্কেই ত্রস্ত শহরবাসী। আর এ জন্য বিগত চার দিন যাবৎ ব্যবসায়ীর ক্যাশবাক্সে ভাটার টান।

শুক্রবার ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে ইয়েস ব্যাঙ্কে ১ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে প্রস্তুত তারা।

"কে কার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর মেট্রোয় উঠেছেন তা তো জানা সম্ভব নয়। তাহলে মেট্রোয় ওঠার আগে যাত্রীদের পরীক্ষা করে নেওয়া উচিত"।

কল্পনাকে দেখলে প্রতিবেশীরা হাঁক দেয়, "কীরে ড্রাইভার, কই চললি"। প্রশ্ন শুনে কল্পনা খিলখিলিয়ে হেসে ওঠে।

"পোশাক ময়লা, পেটে খিদে, পুঁজি বলতে তেমন কিছু নেই। ভগ্নপ্রায় মাটির ঘর বাড়ি। অথচ হাতে স্মার্টফোন"।

কলা বিভাগে তেমন জায়গা করতে না পারলেও, ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ডিএসএফ-এর পরেই, দ্বিতীয় স্থানে নাম উঠে এসেছে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের।