/indian-express-bangla/media/post_attachments/wp-content/uploads/2021/03/Untitled-design-81.jpg)
চলতি অর্থবর্ষে ৮.৫% থাকছে কর্মচারী ভবিষ্যনিধি প্রকল্প বা ইপিএফও (EPFO)-র সুদের হার। গত অর্থবর্ষে অর্থাৎ ২০১৯-২০ বর্ষে ৮.৫% ছিল সুদের হার। সেতাই এই বছরে কার্যকর রাখা হল। এদিন শ্রীনগরে এমনটাই জানিয়েছে ইপিএফও নিয়ন্ত্রক সংস্থা। নিয়ন্ত্রক সংস্থার এক সদস্য বলেছে, পিএফ-র টাকা বাজারে বিনিয়োগ করা হবে কিনা সে নিয়ে আলোচনা চলছে। বিনিয়োগ থেকে প্রাপ্ত লভ্যাংশ কীভাবে কর্মচারীদের মধ্যে ভাগ করা হবে, সেটাও আলছনার পর্যায়ে।
জানা গিয়েছে, অতিমারির বছরে অধিকাংশ বিনিয়োগকারী পিএফ থেকে টাকা তুলে নিয়েছেন। খুব কম শতাংশ মানুষ নতুন করে বিনিয়োগ করেছেন। শ্রম মন্ত্রক সূত্রে খবর, ডিসেম্বর ৩১ পর্যন্ত ৫৬.৭৯ লক্ষ টাকার দাবি মেটানো হয়েছে আর ১৪,৩১০.২১ কোটি টাকা অগ্রিম হিসেবে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, জ্বালানি ও রান্না গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে হাসফাঁস করছে মধ্যবিত্ত। এই আবহে তাঁদের সুরাহা দিতে গৃহঋণে সুদের হার কমাল স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (SBI)। জানা গিয়েছে, চলতি অর্থবর্ষ অর্থাৎ আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে ঋণ নিলে ০.৭ শতাংশ সুদের হার কম দিতে হবে গ্রাহকদের। এই সময়ের মধ্যে ঋণ নিলে লাগবে না প্রসেসিং ফি-ও। তবে এই নতুন সুদের হার নির্ভর করবে ঋণগ্রহীতার ক্রেডিট স্কোর এবং ঋণের অঙ্কের উপর।
এসবিআই জানিয়েছে, ৩১ মার্চের মধ্যে সর্বাধিক ৭৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত গৃহঋণ নিলে সুদের হার শুরু ৬.৭ শতাংশ থেকে। ঋণের অঙ্ক ৭৫ লক্ষের বেশি হলে সেই হার শুরু হবে ৬.৭৫ শতাংশ হারে। এ ছাড়া এসবিআই-এর ইয়োনো (YONO) অ্যাপের মাধ্যমে আবেদন করলে সুদের হার ৫ বেসিস পয়েন্ট বা ০.৫ শতাংশ কম লাগে। তার উপর নারী দিবস উপলক্ষে মহিলাদের জন্য সুদের হারে আরও ৫ বেসিস পয়েন্ট (.৫% শতাংশ) ছাড় দেওয়ার ঘোষণা আগেই করেছিল এসবিআই। নতুন সুদের হারের সঙ্গে সেই সুবিধাগুলিও যুক্ত হবে। এদিন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে এসবিআই।
সুদের হারে এই ছাড়ের ঘোষণা করে একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘যে সব গ্রাহকের নির্ঝঞ্ঝাটে ঋণ শোধের ইতিহাস রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে সুদের হারে ছাড় দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ বলে বিশ্বাস করে এসবিআই। গ্রাহকদের ভাবাবেগকে সব সময়ই গুরুত্ব দেয় সংস্থা। নতুন এই ঘোষণায় ইএমআই কমবে এবং গ্রাহকরা অনেকটাই স্বস্তি পাবেন।‘
ব্যাঙ্কের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (রিটেল বিজনেস) সালোনি নায়ারাণ বলেন, ‘সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার জন্যই আমাদের উপর আস্থা রয়েছে গ্রাহকদের। গৃহঋণের ক্ষেত্রে এই নতুন হার সবচেয়ে কম সুদের হারের মধ্যে অন্যতম। ফলে গ্রাহকরা সহজেই এই সুযোগ নিতে পারেন।‘ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাজারে নগদ ছাড়তে এবং বাড়ি কিনতে মধ্যবিত্তকে উৎসাহ দিতে এই পদক্ষেপ।
ইন্ডিয়ানএক্সপ্রেসবাংলাএখনটেলিগ্রামে,পড়তেথাকুন