scorecardresearch

বড় খবর

শিয়রে সংক্রমণ ঢেউ, বড় জমায়েত বাতিল অধীরের, ভোট পিছোতে EC-কে আর্জি

ইতিমধ্যে সংক্রমণ বিচার করে রাজ্যের সব জনসভা বাতিল করেছেন রাহুল গান্ধী। বড় জমায়েত করা হবে না। ঘোষণা করেছে বামফ্রন্ট।

শিয়রে সংক্রমণ ঢেউ, বড় জমায়েত বাতিল অধীরের, ভোট পিছোতে EC-কে আর্জি
প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী।

গোটা দেশের সঙ্গে বাংলায় করোনার সংক্রমণ উদ্বেগজনক। এই আবহে বড়সড় পদক্ষেপ করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। সোমবার তিনি ফেসবুক পোস্টে ঘোষণা করেছেন ‘আর কোনও বড় সভা করবেন না।‘ নির্বাচন কমিশনকে অবিলম্বে নির্বাচন বাতিলের আর্জি জানিয়ে চিঠি পাঠান তিনি।

সেই চিঠিতে লেখেন, ‘ইতিমধ্যে করোনায় রাজ্যের দুই জন প্রার্থীর মৃত্যু হয়েছে। পরিস্থিতি খুব সঙ্কটজনক। দেশব্যাপী করোনার থাবা থেকে রেহাই পায়নি বাংলায়। তাই মানুষের প্রাণ বাঁচাতে উপযুক্ত পদক্ষেপ নিন।‘ সেই চিঠির খসড়া নিজের ফেসবুকে পোস্ট করে অধীর চৌধুরী লেখেন, ‘নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ এই করোনা মহামারীর কালে নির্বাচন বন্ধ হোক এখন, নির্বাচন পরেও হতে পারে, আগে মানুষের জীবন, তারপর বাকি সব।‘ দেখুন সেই পোস্ট

এদিকে, ইতিমধ্যে সংক্রমণ বিচার করে রাজ্যের সব জনসভা বাতিল করেছেন রাহুল গান্ধী। বড় জমায়েত করা হবে না। ঘোষণা করেছে বামফ্রন্ট। এবার সেই পথে হাঁটলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি।

অপরদিকে, রোজই হু হু করে বাড়ছে সংক্রমণ। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে কাবু বাংলা। দিল্লিতে ইতিমধ্যেই জারি হয়েছে ৬ দিনের লকডাউন। তাহলে কী বাংলাও এবার একই পথে হাঁটবে? এই জল্পনা যখন তুঙ্গে তখন লকডাউন বা নাইট কার্ফুর লাগুর সম্ভাবনার কথা উড়িয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। অর্থাৎ, এখনই পশ্চিমবঙ্গে লকডাউন বা নাইঠ কার্ফু জারি হচ্ছে না।

সোমবার মালদহে সাংবাদিক বৈঠকে করোনা নিয়ে রাজ্য সরকারের পদক্ষেপের কথা বলতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘এখনই লকডাউন জারির কোনও পরিকল্পনা নেই। লকডাউন করলেই কি সব বদলে যাবে? লোকের অসুবিধা হবে না! নাইট কার্ফু করে কিছু হবে না। নাইট কার্ফু কোনও সমাধান নয়।”

করোনা সংক্রমণ বাড়ছে, কিন্তু রাজ্যবাসীকে অযথা আতঙ্কিত না হওয়ার বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বলেন, ‘আতঙ্কের কোনও কারণ নেই। রাজ্য সরকার মুখ্য সচিবের নেতৃত্বে টাস্ক ফোর্স তৈরি করা হয়েছে। সরকার করোনা মোকাবিলায় সব ব্যবস্থা নিচ্ছে।’

মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, ‘কোভিড রুখতে টাস্ক ফোর্স গঠন করা হয়েছে। করোনার জন্য আরও সাড়ে চার হাজার শয্যা বাড়ানো হবে। ২০০ সেফ হোমে ১১ হাজার বেড রয়েছে। ৪০০ অ্যাম্বুল্যান্স রয়েছে। রাজ্য সরকার সবরকম পদক্ষেপ করছে।’ মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, বাংলায় এখনও পর্যন্ত প্রায় ২০০০ সঙ্কটজনক রোগী রয়েছেন। ৫৮টা বেসরকারি হাসপাতালকে করোনা চিকিৎসায় অধিগ্রহণ করেছে রাজ্য সরকার।’ এছাড়াও মমতা জানিয়েছেন যে, রাজ্যে টেলিমেডিসিন পরিষেবা খোলা থাকছে। যার নম্বর হল- 18313444222। ফোনে এখান থেকেই চিকিৎসকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ নিতে পারবেন মানুষ।

   

Stay updated with the latest news headlines and all the latest Election news download Indian Express Bengali App.

Web Title: Amid surges of corona cases in bengal congress mp adhir chowdhury writes to ec state