/indian-express-bangla/media/media_files/2026/02/25/tmc-2026-02-25-12-29-20.jpg)
Baishnabnagar Assembly Election 2026: প্রতীকী ছবি।
wb assembly election 2026: মালদা জেলার রাজনৈতিক মানচিত্রে বৈষ্ণবনগর বিধানসভা কেন্দ্রটি সবসময়ই এক রহস্যময় এবং অনিশ্চয়তায় ঘেরা রণক্ষেত্র। বিগত তিনটি বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এখানকার মানুষ প্রতিবারই নতুন কোনো শক্তির ওপর আস্থা রেখেছেন। এবার ২০২৬-এর দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে সবথেকে বড় প্রশ্ন, বৈষ্ণবনগর কি শাসক দলের দখলেই থাকবে, নাকি আবারও কোনো রাজনৈতিক পালাবদল ঘটবে?
২০১১ থেকে ২০২১: পালাবদলের তিন অধ্যায়
বৈষ্ণবনগরের রাজনীতির ইতিহাস বড়ই বিচিত্র। ২০১১ থেকে ২০২১, এই দশ বছরে তিনবার তিনটি আলাদা দলের ঝাণ্ডা উড়েছে এই কেন্দ্রে।
২০১১: গনিখানের উত্তরাধিকার: ২০১১ সালে এই কেন্দ্রে দাপট ছিল কংগ্রেসের। প্রয়াত বরকত গনি খান চৌধুরীর ভাগ্নে ইশা খান চৌধুরী ৬২,৫৮৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছিলেন। সেবার বিজেপি ছিল তৃতীয় স্থানে।
আরও পড়ুন- Mothabari Assembly: ভোটের অঙ্কে হার না মানা এক নেত্রী! '২৬-এর নির্বাচনেও মোথাবাড়িতে সাবিনার জয়জয়কার?
২০১৬: পদ্ম শিবিরের ম্যাজিক: মাত্র পাঁচ বছরে আমূল পরিবর্তন ঘটে। তৃতীয় স্থান থেকে একলাফে শীর্ষে উঠে আসে বিজেপি। ৭০,১৮৫ ভোট পেয়ে বিধায়ক হন স্বাধীন কুমার সরকার। কংগ্রেসকে পেছনে ফেলে বৈষ্ণবনগর হয়ে ওঠে বিজেপির শক্তিশালী ঘাঁটি।
২০২১: তৃণমূলের পুনরুদ্ধার: একুশের নির্বাচনে ফের সমীকরণ বদলায়। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর বিজেপিকে পরাজিত করে কেন্দ্রটি ছিনিয়ে নেয় তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল প্রার্থী চন্দনা সরকার ৮৩,০৬১ ভোট পেয়ে জয়ী হন। জয়ের ব্যবধান ছিল মাত্র ২,৪৭১ ভোট, যা প্রমাণ করে লড়াই কতটা কঠিন ছিল।
২০২৬-এর লড়াই: কাঁটায় কাঁটায় টক্কর?
২০২১ সালের ভোটে বিজেপি দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও তৃণমূলের সঙ্গে তাদের লড়াই ছিল চোখে পড়ার মতো। মাত্র আড়াই হাজার ভোটের ব্যবধান ২০২৬-এর লড়াইকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।
এদিকে, রাজনৈতিক মহলের একাংশের মনে প্রশ্ন গত পাঁচ বছরের উন্নয়নের নিরিখে কি তৃণমূল জয়ের ব্যবধান বাড়াতে পারবে? বিজেপি কিন্তু হারানো জমি ফিরে পেতে মরিয়া। লোকসভা ভোটের নিরিখে এই কেন্দ্রে বিজেপির শক্ত অবস্থান তৃণমূলের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলছে।
আরও পড়ুন-উত্তরবঙ্গের ‘কাঁটা’ কি উপড়াতে পারবে জোড়াফুল? মাদারিহাটের মসনদ নিয়ে দড়ি টানাটানি!
অন্যদিকে, গতবার তৃতীয় স্থানে থাকলেও, মালদার মাটিতে কংগ্রেসকে উপেক্ষা করা যে কোনো দলের পক্ষেই কঠিন বলেও মনে করছেন কেউ কেউ। কারও কারও মতে বৈষ্ণবনগর এমন একটি কেন্দ্র যেখানে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কিছুই বলা সম্ভব নয়। এখানকার ভোটাররা নিঃশব্দে বিপ্লব ঘটাতে অভ্যস্ত।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us