/indian-express-bangla/media/post_attachments/wp-content/uploads/2019/02/congress-flag1.jpg)
তড়িৎ গতিতে রাজনীতির ধারা বদলেছে যুদ্ধ পরিস্থিতির আবহে।
Lok Sabha Election:
সিপিএম-এর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় আসন্ন লোকসভায় একাই লড়ার কথা ভাবছে রাজ্য কংগ্রেস। এই নিয়ে বুধবারের নির্বাচন কমিটির বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে।
দলীয় সুত্রে খবর, ৪২ টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে কংগ্রেস। ইতিমধ্যে প্রার্থীদের কাছ থেকে সেই লক্ষ্যে বায়োডাটা চাওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার এই প্রসঙ্গে কংগ্রেসের রাজ্যস্তরের এক প্রবীণ নেতা জানিয়েছেন, "আমরা পশ্চিমবঙ্গ থেকে লোকসভায় একা লড়ার কথা ভাবছি। সিপিএম সহ লেফট ফ্রন্ট আসন রফা নিয়ে খুবই ঔদ্ধত্ত দেখিয়েছে। আলচনা এগোনোর সম্ভাবনা নেই। তাই একা লড়াই ভালো"।
এক দিন আগেই আরএসপি এবং সিপিআই, দুই পুরনো শরিককে পাশে পেয়েছে সিপিএম। যদিও, তাদের অন্য এক শরিক ফরওয়ার্ড ব্লক সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে, তারা পুরুলিয়া, কোচবিহার ও বারাসত লোকসভা কেন্দ্রে প্র্রার্থী দিতে চায়। অন্যদিকে, কংগ্রেসও সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলিতে তাদের প্রার্থী দাঁড় করাতে চায় বলে আগেই জানিয়ে দিয়েছিল।
আরও পড়ুন, ফের হামলার শিকার দিলীপের গাড়ি, সাত মাসে চার বার
"তিনটি আসন ছাড়াও রায়গঞ্জ এবং মুর্শিদাবাদ নিয়েও যথেষ্ট ঐক্যমত্যে পৌঁছনো যায়নি। আমরা অন্তত, ১৮'টি আসনে লড়তে চাই। কিন্তু, সিপিএম আমাদের ১২টির বেশি আসন দিতে রাজি নয়। তাই, একা লড়াই করাই ভালো”, বললেন ওই প্রদেশ কংগ্রেস নেতা।
একমাত্র রায়গঞ্জ এবং মুর্শিদাবাদে এখনও নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে পেরেছে একদা টানা ৩৪ বছর বাংলায় রাজত্ব কায়েম রাখা লেফট ফ্রন্ট। ২০১৪ সালেও লোকসভা নির্বাচনে রায়গঞ্জ এবং মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিল সিপিএম । কংগ্রেস জিতেছিল পাঁচটি আসনে। উত্তর মালদার সাংসদ মৌসম বেনজির নূর কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ায় এই মুহূর্তে রাজ্যে কংগ্রেসের সাংসদের সংখ্যা নেমে এসেছে চারজনে।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us