/indian-express-bangla/media/media_files/2026/02/08/parth-chattopadhyay-madan-mitra-tmc-election-bengal-2026-02-08-12-46-32.jpg)
মদনের মন্তব্যে তোলপাড়
'দল বিষাক্ত হলে সেই দায়িত্ব আমার না',ভোটের আগে বিস্ফোরক মন্তব্য, শোরগোল ফেললেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। "২৫ বছর এক আসন থেকে লড়েই বিধায়ক হয়েছি। আসন বদল করিনি", ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষা মন্ত্রীর।
আরও পড়ুন- দেশের ইতিহাসে বিরল নজির গড়ার পথে মমতা, চতুর্থবার ভোটে জিতলেই শীর্ষে 'বাংলার অগ্নিকন্যা'
সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে নজর রাজ্যের একাধিক হেভিওয়েট আসনে। জেলমুক্তির পর ফের কি সক্রিয় রাজনীতিতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়? এটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন। রাজনীতির ময়দানে তিনি যে সাবলীল ও আত্মবিশ্বাসী আরও এক বার বুজিয়ে দিলেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। পার্থ বলেন, 'আমি প্রথমবার যখন দাঁড়িয়েছিলাম, তখন আমি ৪৬% ভোট পেয়েছিলাম প্রদত্ত ভোটের'। ২০২১ সালে আমি যখন গ্রেফতার হলাম, আমি ৫২% ভোট পেয়েছিলাম'। 'আমার দল কিন্তু ৫২% ভোট পায়নি, আমি তো দলের অবস্থান জানি না'। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের এই মন্তব্যকে ঘিরেই শুরু হয়েছে বিস্তর জল্পনা।
এদিকে যখন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের এহেন মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে বিস্তর চর্চা। তখনই ফের 'বোমা' ফাটালেন কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র। "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মত এত বড় মাপের নেত্রী করুনা করে, দয়া করে আমাদের মত লোককে দলে রেখেছেন মন্ত্রী করেছেন, এটাই যথেষ্ট"। পাশাপাশি মদনের সংযোজন, "বিধানসভায় দেখা না হলে রাস্তায় দেখা হবে, প্রত্যেকটা মানুষই চলমান প্রবাহে থাকতে চান। আমি খুব সাধারণ মানুষ। বিধানসভার বাইরেও তো একটা রাস্তা আছে"। মদন মিত্রের এহেন মন্তব্য কে কেন্দ্র করে ভোটের আগে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি। তবে কি নিজের বিধানসভায় টিকিট পাওয়া নিয়ে সংশয়ে দাপুটে তৃণমূল নেতা?
আরও পড়ুন-Cyber Crime: কলকাতার ফ্ল্যাটে ‘মিনি আমেরিকা’! ঘুমন্ত মার্কিনীদের পকেট কেটে চলত টাকার হোলি!
হাতে গোণা আর মাত্র কয়েকটা দিন। তারপরই বাংলায় বিধানসভা ভোট। তার আগে কি ফের তৃণমূলে টিকিট নিয়ে নবীন প্রবীণ সংঘাত দৃঢ় হয়েছে? এহেন জল্পনার মাঝেই কামারহাটির বর্তমান বিধায়ক মদন মিত্রের ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোড়ণ ফেলে দিয়েছে। মদন বলেন, “প্রার্থী বাছাইয়ের সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণই দলের শীর্ষ নেতৃত্বের হাতে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রয়েছেন, তাঁরা সিদ্ধান্ত নেবেন। দল যে সিদ্ধান্ত নেবে, আমি তা মেনে নিতে বাধ্য।” এই মন্তব্য ঘিরেই জল্পনা শুরু হয়েছে। তবে কি আসন্ন নির্বাচনে টিকিট পাওয়া নিয়ে বেশ চাপে রয়েছেন মদন মিত্র? যদিও দলের জয়ের ব্যাপারে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী কামারহাটির বিধায়ক। তিনি দাবি করেছেন, “আমি দাঁড়াই বা অন্য কেউ, এখানে তৃণমূল ৫০ হাজার ভোটে জিতবে। প্রার্থী কে হবে সেটা দল ঠিক করবে, কিন্তু জয় নিশ্চিত।”
পাশাপাশি প্রাক্তন শিক্ষা মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মন্তব্য নিয়েও শুরু হয়েছে বিস্তর জল্পনা। “দল বিষাক্ত হলে, সেই দায়িত্ব আমার নয়। আমি প্রথমবার দাঁড়িয়েছিলাম, তখন ৪৬% ভোট পেয়েছিলাম। ২০২১-এ গ্রেফতার হওয়ার সময় আমি ৫২% ভোট পেয়েছিলাম। আমার দল কিন্তু ৫২% ভোট পায়নি, আমি তো দলের অবস্থান জানি না। আমি কোনও স্থান পরিবর্তন করে ২৫ বছর বিধায়ক থাকিনি। ২৫ বছর একই জায়গায় থেকে বিধায়ক হয়েছি। অনেকে অনেক পদ নিয়ে থাকতে পারে। আমার কাছে মনে হয়েছে, যদি হারি, বেহালার মানুষই আমায় হারাবে।”
আরও পড়ুন- কোচিং নিতে কোটায় গিয়েই সব শেষ, রেস্তোরাঁ বিপর্যয়ে বাংলার ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যু, শোকের ছায়া
একই সঙ্গে আসন্ন বিধান সভা নির্বাচনে লড়াইয়ের মঞ্চ থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানিয়েছেন চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজের ইচ্ছার কথা ইতিমধ্যে জানিয়েছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা। কিন্তু কেন এমন সিদ্ধান্ত? অভিনেতা জানিয়েছেন, '১৫ বছর হয়ে গেল, সব দেওয়া সম্ভব নয়, যতটা পেরেছি দিয়েছি। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অবশ্যই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেবেন'। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, আগামীতে ছবি আঁকা, সিনেমা, লেখালেখি নিয়েই তিনি থাকতে চান।
আরও পড়ুন- 'কালারফুল' মদনের ডেরায় কি এবার ভাগ বসাবে পদ্ম-শিবির? কী ভাবছে কামারহাটি?
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us