/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/26/tmc-bjp-clash-behala-sakherbazar-biplab-deb-stage-fire-kolkata-2026-01-26-14-38-37.jpg)
খাস কলকাতায় বিজেপির সভামঞ্চে আগুন লাগানোর অভিযোগে ধুন্ধুমার
Election বিধানসভা নির্বাচন 2026:বিধানসভা নির্বাচনের আগে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতি। রবিবার সন্ধ্যায় কলকাতার উপকণ্ঠের বেহালা সখের বাজার এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) ও বিজেপি (BJP) সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সময় বিজেপির তৈরি একটি অস্থায়ী মঞ্চে ভাঙচুর চালিয়ে তাতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে।
কীভাবে নির্বাচিত হন প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রধান অতিথি? কবে থেকে চলে আসছে এই বিশেষ প্রথা, জানুন গুরুত্ব
রবিবার সন্ধ্যায় বেহালা এলাকার সখেরবাজারে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) ও বিজেপি (BJP) সমর্থকদের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা বিপ্লব দেব ওই এলাকায় একটি জনসভায় ভাষণ দেওয়ার পরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সংঘর্ষের জেরে বিজেপির অনুষ্ঠানের জন্য তৈরি অস্থায়ী মঞ্চে আগুন লাগানো হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, বিজেপির ‘পরিবর্তন সংকল্প যাত্রা’-র অংশ হিসেবে বিপ্লব দেব ওই সভায় যোগ দেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, কাছাকাছি একটি ক্লাবে ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা চলাকালীন উচ্চ শব্দে মাইক ব্যবহারকে কেন্দ্র করেই বিবাদ শুরু হয়। বিজেপি সমর্থকদের অভিযোগ, ক্লাবে তারস্বরে মাইক বাজানোর কারণে তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি ঠিক মত করা সম্ভব হচ্ছিল না । সেই কারণে বিজেপির তরফে মাইকের সাউন্ড আসতে করার দাবি জানালে দু’পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও হাতাহাতি শুরু হয়।
অন্যদিকে, তৃণমূল সমর্থকদের অভিযোগ, বিজেপি কর্মীরা ক্লাবে ঢুকে ভাঙচুর চালায় এবং সেখানে স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলারের উদ্দোগ্যে ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা বন্ধ করে দেয়। পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করে যখন তৃণমূল সমর্থকরা বিজেপির সভাস্থলে পৌঁছে অস্থায়ী মঞ্চে আগুন ধরিয়ে দেয়, এমনই অভিযোগ বিজেপির। তবে আগুন লাগানোর সময় বিপ্লব দেব সেখানে উপস্থিত ছিলেন না বলে জানা গেছে।
ঘটনার খবর পেয়ে বিপুল সংখ্যক পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে বলে জানিয়েছে পুলিশ। বেহালা পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল বিধায়ক রত্না চট্টোপাধ্যায় ঘটনাস্থলে পৌঁছে বলেন, “প্রায় ১০ বছর ধরে এই দিনেই এখানে ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট হয়। আমাকে জানানো হয়েছে, কিছু বিজেপি সমর্থক ক্লাবে ঢুকে ভাঙচুর চালিয়ে খেলা বন্ধ করে দেয়। আমি মনে করি, এটি ইচ্ছাকৃতভাবেই করা হয়েছে। তবে এই ধরনের হামলায় আমরা আরও শক্তিশালী হব।”
এদিকে বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার সামাজিক মাধ্যমে এক দীর্ঘ পোস্টে অভিযোগ করেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনে পশ্চিমবঙ্গ কার্যত অন্ধকারের অতল গহ্বরে তলিয়ে গেছে। তাঁর দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস সমাজবিরোধী শক্তিকে ব্যবহার করে বিরোধী দলের কর্মী ও সমর্থকদের উপর পরিকল্পিত হামলা চালাচ্ছে। বেহালা পশ্চিম বিধানসভা এলাকায় বিপ্লব দেবের সভায় হামলা, ভাঙচুর এবং মঞ্চে আগুন লাগানোর ঘটনাকে তিনি ‘বর্বরোচিত আক্রমণ’ বলে উল্লেখ করেছেন। এই ঘটনার পর এলাকায় পুলিশি নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে। সংঘর্ষ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
এই ঘটনার প্রেক্ষিপ্তে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, "আমি তখন নদীয়া থেকে ফিরছিলাম। আমার সঙ্গে বিপ্লববাবুর কথা হয়েছে। আমি যেতে চেয়েছিলাম। আমাকে বলা হয়েছিল এই মুহূর্তে ওই এলাকা উত্তেজনা প্রবণ রয়েছে। বিপ্লববাবু একজন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক। উনি জেড প্লাস সিকিউরিটি পান। উনি কলকাতার মত মহনগরীতে সভা করতে এসেছেন। কার্যত ওনার সভার উপরেই হামলা চালানো হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস হারার আতঙ্কে ভুগছে। এ যেন ২০১১ সালের পুনরাবৃত্তি। সিপিএম জমানা শেষের আগে আমরা একই ছবি দেখেছিলাম।"
প্রজাতন্ত্র দিবসে বিধ্বংসী আগুন খাস কলকাতায়, ঝলসে মৃত্যু ৩, এখনও নিখোঁজ একাধিক, তুমুল চাঞ্চল্য


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us