/indian-express-bangla/media/media_files/2026/02/18/tmc-set-to-win-4-rajya-sabha-seats-bengal-bjp-1-left-no-representation-2026-02-18-18-59-30.jpg)
বাংলা থেকে রাজ্যসভার পাঁচ আসনে ভোটগ্রহণ
পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্যসভার পাঁচটি আসনের নির্বাচনে চারটি আসন জয়ের পথে তৃণমূল কংগ্রেস এবং একটি আসন পেতে চলেছে বিজেপি। বিধানসভায় বর্তমান সংখ্যার সমীকরণে ফল প্রায় নিশ্চিত বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলে। আগামী ১৬ মার্চ এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দেশজুড়ে ১০টি রাজ্যের ৩৭টি রাজ্যসভা আসনের মধ্যে বাংলার পাঁচটি আসনেও একই দিনে ভোটগ্রহণ।
আরও পড়ুন- JEE Main 2026: রুটিন মেনে লড়াই আর অদম্য জেদ, জয়েন্টের শিখরে পৌঁছে সাফল্যের নয়া সংজ্ঞা লিখলেন কুন্তল
২৯৪ সদস্যের বিধানসভায় কার্যত ২১৮ জন বিধায়কের সমর্থন রয়েছে তৃণমূলের পক্ষে। বিরোধী শিবির থেকে দলবদল করে আসা কয়েকজন বিধায়কের সমর্থনও রয়েছে। ফলে প্রতি প্রার্থীর জন্য প্রয়োজনীয় কোটার তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে শাসক দল। অন্যদিকে ২০২১ সালের নির্বাচনে ৭৭টি আসন জিতলেও ইস্তফা, দলবদল, মৃত্যু ও উপনির্বাচনের ফলে বিজেপির আসন সংখ্যা কমে প্রায় ৬৫-এ দাঁড়িয়েছে। তবুও তাদের পক্ষে একটি আসন জয় প্রায় নিশ্চিত।
এবারের পাঁচটি শূন্য আসনের মধ্যে রয়েছে তৃণমূলের সুব্রত বক্সী, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সাকেত গোখলের মেয়াদপূর্তি। এছাড়া মৌসুম বেনজির নুরের পদত্যাগের ফলে একটি আসন শূন্য হয়েছে। একই সঙ্গে সিপিআই(এম) নেতা তথা আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের মেয়াদও শেষ হচ্ছে। বর্তমান সমীকরণে বামফ্রন্টের পক্ষে সেই আসন ধরে রাখা সম্ভব নয় বলেই মনে করা হচ্ছে। ফলে ১৯৫৮ সালের পর প্রথমবারের মতো পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্যসভায় বামেদের কোনও প্রতিনিধি নাও থাকতে পারে, এমনই সম্ভাবনা জোরালো হয়েছে।
আরও পড়ুন- প্রকাশ্যে মাংস বিক্রিতে জারি নিষেধাজ্ঞা, বিজেপির বড় সিদ্ধান্ত, গর্জে উঠলেন মমতা
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সংখ্যার হিসাবে ফলাফল স্পষ্ট হলেও এই নির্বাচন রাজনৈতিক দিক থেকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটি দলগুলির সাংগঠনিক শক্তি, বার্তা ও কৌশল প্রদর্শনের একটি বড় মঞ্চ হয়ে উঠতে পারে। তৃণমূলের পক্ষে চারটি আসন ধরে রাখা তাদের সংগঠনিক আধিপত্যের প্রমাণ, আর বিজেপির কাছে একটি আসন জয়ও বিরোধী শক্তি হিসেবে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়ার সুযোগ।
প্রার্থী তালিকা নিয়েও জল্পনা চলছে। তৃণমূল এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নাম ঘোষণা করেনি। সুব্রত বক্সীর মতো অভিজ্ঞ নেতাকে পুনরায় মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে বলে দলীয় সূত্রে ইঙ্গিত। বিজেপি শিবিরে প্রাক্তন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় এবং অভিনেতা-রাজনীতিক মিঠুন চক্রবর্তীর নাম জল্পনায় রয়েছে, যদিও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও ঘোষণা করা হয়নি।
বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগের মুহূর্তে রাজ্যসভা নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে। নির্ধারিত দিনে ভোটের জন্য বিধায়কদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে দলীয় হুইপ জারি হবে বলেই জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে, সংখ্যার নিরিখে ফল নির্ধারিত হলেও রাজ্যসভার এই ভোট আসন্ন বৃহত্তর রাজনৈতিক লড়াইয়ের আগে শক্তি প্রদর্শনের গুরুত্বপূর্ণ সূচক হয়ে উঠতে চলেছে।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us