/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/10/abhishek-2025-11-10-13-29-44.jpg)
যা বললেন অভিষেক...
Abhishek Bachchan Lost his Brother: সকাল হতেই যেন একরাশ খারাপ খবর। যে মানুষগুলোর হাত ধরে ইন্ডাস্ট্রির বুকে শুরু হয়েছিল, তারাই হঠাৎ করে হাত ছেড়ে চলে গেলে, মনের মধ্যে এতটা ঝড় ওঠে, যে বলে বোঝানো যায় না। অভিনেতা অভিষেক বচ্চনের জীবনে ঠিক যেন সেটাই ঘটল। এমন একজন মানুষ আজ চলে গেলেন অভিষেকের জীবন থেকে, যার সঙ্গে তাঁর আত্মার সম্পর্ক ছিল। দীর্ঘ ২৭টা বছর, নেহাতই সহজ কথা না, তাকে হারিয়ে মন থেকে ভেঙ্গে পরেছেন অভিনেতা।
অভিষেক নিজের সমাজ মাধ্যমে শেয়ার করেছেন সেই ছবি। কাছের মানুষটি তাঁর সঙ্গে জড়িয়ে ছিলেন অনেক বছর ধরে। শুধু তাই নয়, অভিষেককে নিজে হাতে নানা রুপ-দান করেছেন। ইন্ডাস্ট্রির অনেক মানুষ তাকে চেনেন। অভিষেকের মেকাপ ম্যান হলেও ঠিক যেন তাঁর দাদার মত ছিলেন তিনি। অভিষেক লিখছেন...
'আমার প্রথম সন্তান', ঝড়, কেলেঙ্কারি সামলে ভালবাসা উজাড় করলেন বাঙালি অভিনেতা, চেনেন?
"অশোক দাদা আর আমি প্রায় ২৭ বছর ধরে একসঙ্গে কাজ করেছি। আমার প্রথম ছবির দিন থেকেই তিনিই আমার মেকআপ করতেন। তিনি শুধু আমার টিমের সদস্য ছিলেন না, আমাদের পরিবারেরই একজন হয়ে উঠেছিলেন। তাঁর দাদা দীপক, প্রায় ৫০ বছর ধরে আমার বাবার মেকআপম্যান ছিলেন। তাই আমাদের সম্পর্কটা শুধুই পেশাগত ছিল না, প্রজন্মের পর প্রজন্ম জুড়ে এক অমূল্য বন্ধন তৈরি হয়েছিল।"
The Academy of Fine Arts: 'নির্দ্বিধায় গালাগালি করুন', ফেডারেশনের সঙ্গে দ্বন্দ্বে ইতি! মুক্তি পাচ্ছে দ্যা অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস?
যদিও, সেই মানুষটা অনেকদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। অভিষেকের শুটিং উপলক্ষে তিনি সেভাবে আসতে পারতেন না। তবে খোঁজ নিতেন। অভিষেকের কথায়, "গত কয়েক বছর ধরে অশোক দাদা অসুস্থ ছিলেন, তাই সবসময় শুটিং সেটে থাকতে পারতেন না। কিন্তু যখনই আমি শুটিং করতাম, একদিনও এমন যেত না যে তিনি আমার খবর নিতেন না। তিনি সবসময় নিশ্চিত করতেন, তাঁর সহকারী যেন আমার মেকআপ ঠিক তাঁর মতোই যত্ন করে করে দেন।"
Miss Jojo: 'বিশ্বাস করা বড়ই কঠিন', কাছের মানুষ হাত ছাড়লেন, স্টেজ বিতর্কের মাঝেই শোকে কাতর জোজো
অশোকের বেশ কিছু স্বভাবের প্রশংসা করলেন তিনি। বলছেন, "অশোক দাদা ছিলেন অত্যন্ত স্নেহশীল, নম্র আর হাসিখুশি মানুষ। সবসময় মুখে হাসি, উষ্ণ আলিঙ্গন, আর ব্যাগে লুকিয়ে থাকত কিছু মজাদার নমকিন চিভড়া বা ভাকরওয়াদি - যা তিনি ভালোবেসে সবার সঙ্গে ভাগ করে নিতেন। তাঁর উপস্থিতি মানেই ছিল এক টুকরো আলো, একরাশ ইতিবাচকতা। গতরাতে আমরা তাঁকে হারিয়েছি। বিশ্বাস করাই কঠিন যে, আগামী দিনে শুটিং সেটে তিনি আর থাকবেন না। প্রতিটি নতুন ছবির প্রথম শট দেওয়ার আগে আমি তাঁর পায়ে হাত দিয়ে আশীর্বাদ নিতাম। এখন থেকে আকাশের দিকে তাকিয়ে তাঁর আশীর্বাদ নিতে হবে, কারণ জানি, তিনি ওপার থেকে আমাকে আশীর্বাদ করবেন। ভাবতেই কষ্ট হয় যে, তুমি আর আমাদের সঙ্গে নেই। শান্তিতে থেকো অশোক দাদা…আবার দেখা হবে একদিন, তখন সেই উষ্ণ আলিঙ্গনটা চাই।"
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us