/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/13/cats-2025-11-13-18-03-52.jpg)
মালিকানা খোয়ানোর ভয়ে...
Chanchal Chowdhury: চঞ্চল চৌধুরী, দুই বাংলার দর্শককে বিনোদনের রসদ জোগান। তাঁর সাবলীল অভিনয় বারবার মুগ্ধ করে সিনেপ্রেমীদের। কিন্তু, এই মুহূর্তে নিজের পছন্দের জিনিসের মালিকানা হারানোর ভয়ে রয়েছেন দুই বাংলার অভিনেতা। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি পোস্ট করে মনের কথা উজার করে দিয়েছেন চঞ্চল চৌধুরী। কীসের মালিকানা খোয়ানোর ভয় অভিনেতার? একটি ব্লেজারকে কেন্দ্র করে ঘটেছে পুরো ঘটনাটা। গত শীতেও যে ব্লেজারের মালিকানা তাঁর হাতে ছিল সেটাই এখন অন্য কারও সম্পত্তি।
আবেগপ্রবণ হয়ে লিখেছেন, 'যতদূর মনে পড়ে গত শীতেও এই ব্লেজার খানার মালিকানা আমার হাতেই ছিল'। আবার হেঁয়ালি করে সকলের উদ্দেশে প্রশ্ন করেছেন, 'ভাবছেন আমি নিজের টাকায় এটা বানিয়েছিলাম?' এরপর সত্যিটা প্রকাশ করে বলেছেন, বেশ কয়েক বছর আগে তাঁর তুতো ভাই প্রবীর নিজের শরীর থেকে খুলে পরিয়ে দিয়ে বলেছিলেন, 'দাদা তোকে খুব সুন্দর মানিয়েছে। এটা তুই নিয়ে যা।' মুখে না বললেও মনে মনে খুশী হয়েই জিনিসটা গ্রহন করেছিলেন। এইরকম ব্লেজারের আরও বেশ কিছু কালেকশন রয়েছে চঞ্চলের। তবে কোনওটাই নিজের টাকায় কেনা নয়, প্রতিটি উপহার।
এরপরই উৎকণ্ঠার কথা বলেছেন চঞ্চল চৌধুরী। আতঙ্কের সঙ্গে লিখেছেন, 'এবার শীতে আমার এসব প্রিয় এবং পছন্দের দামী জিনিসগুলোর মালিকানা বোধহয় আর আমার থাকবে না। ছেলেটা বড় হতে হতে আমার সমস্ত পোশাকই এখন তার শরীরে খাপে খাপ সেট হয়ে যাচ্ছে। এটাই মনে হয় প্রকৃতির নিয়ম।' এর মধ্যেও রয়েছে প্রশান্তি। চঞ্চলের অনুভূতি, 'একটা সময় বাবা মায়ের সমস্ত কিছুই সন্তানের দখলে চলে যায়। এ আনন্দ যেন বাবা মায়ের জন্য অকল্পনীয় শান্তি।'
আরও পড়ুন 'ভালবাসা এখন গুরুত্বহীন হয়ে গিয়েছে...', বিয়ের 'রিনিউয়াল' অপশন মন্তব্য কাজলকে পালটা অজয়ের
সন্তানের সঙ্গে জড়িয়ে বাবা-মায়ের সুখের কথা বলতে গিয়ে অভিনেতা বলেন, 'শুধুই কি সন্তানের হাতে বাবা মায়ের বৈষয়িক অর্জন গুলো হাত বদল হলেই বাবা মা খুশী হন নাকি সন্তানের প্রতি আরেকটু বেশী কিছু প্রত্যাশা করে স্বপ্ন দেখে? সবাই চায় বাবা মায়ের আদর্শ, যোগ্যতা বা সকল ভাল অর্জন গুলোও যেন সন্তান ভিতরে ধারণ করে ও আগলে রাখে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য।'
বিলাসিতা নয়, বাপ-বেটার পোশাক ভাগ করে পরাতেই স্বর্গসুখ বলে মনে করেন চঞ্চল চৌধুরী। সেই বিষয়টিকে সামনে রেখে অভিনেতার সংযোজন, 'আমার ছেলে শুদ্ধ’র কাছে অনুরোধ অতি বিলাসিতা আমার কখনই পছন্দ নয়। তাই আমার সমস্ত পোশাক বাপ বেটা দুজনই ভাগাভাগি করেই পরি চল। আমার প্রতিটি পোশাকে আমার শরীরের যে পরিশ্রম আর সাধনার ঘাম গন্ধ লেগে আছে সেটাকে কখনো অবজ্ঞা করিস না বাপ। অনেক বড় মানুষ হও।'
আরও পড়ুন 'না ফেরার দেশে ভাল থেকো...', মাতৃবিয়োগের বছর ঘুরতেই কাছের মানুষকে হারিয়ে শোকস্তব্ধ কৌশাম্বী
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us