/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/25/2698022-lata-with-nehru-chchah-2026-01-25-15-46-01.png)
Republic Day: কী হয়েছিল সেদিন?
সকলেই ছোটবেলা থেকে একটি গান শুনে বড় হয়েছে- ‘এ মেরে ওয়াতন কে লোগোঁ’। আজও এই গানের প্রথম কয়েকটি লাইন কানে এলে, চোখের কোণে জল এসে যায়। দেশপ্রেম, ত্যাগ ও বীরত্বের আবেগে ভরা এই গানটি, ভারতীয়দের হৃদয়ে এক চিরস্থায়ী স্থান করে নিয়েছে। অনেকেই জানেন না, এই কালজয়ী গানটির বয়স আজ ৬৪ বছর। ১৯৬৩ সালে প্রথমবার, মঞ্চে এই গানটি পরিবেশন করেন সঙ্গীতসম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকর। সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তে, দেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু নিজেও আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েছিলেন।
দিল্লির জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে, আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে, প্রথমবার এই গানটি পরিবেশিত হয়। গান শেষ হওয়ার পর গোটা স্টেডিয়াম জুড়ে নেমে আসে নিস্তব্ধতা। উপস্থিত হাজার হাজার দর্শকের চোখে তখন অশ্রু, আর আবেগে ভারী হয়ে উঠেছিল, চারপাশের পরিবেশ।
ফুচকা, খিচুড়ি আর আড্ডা: অনুরাগ বসুর সরস্বতী পুজোয় বাঙালি ছোঁয়ায় মুম্বই মাতাল
তখন মাত্র দু- মাস আগে শেষ হয়েছে ভারত-চীন যুদ্ধ। সেই যুদ্ধে শহিদ হওয়া, অসংখ্য ভারতীয় সেনার স্মৃতি তখনও মানুষের মনে গভীর ক্ষত ষৃষ্টি করেছে। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন এবং প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু। এমনকি, মঞ্চে উঠে গান গাইতে শুরু করার সময় লতার গলাও আবেগে ধরে এসেছিল। তাঁর কণ্ঠের সেই আবেগ যখন গানের সুরে মিশে যায়, তখন গোটা স্টেডিয়াম যেন থমথমে।
অনেকেই জানেন না, এই অমর গানের কথা লিখেছিলেন বিখ্যাত কবি প্রদীপ। ১৯৬২ সালে যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে, দেশের জন্য প্রাণ উৎসর্গকারী সেনাদের খবর তাঁকে গভীরভাবে বিচলিত করেছিল। একদিন মুম্বইয়ের মাহিম সমুদ্রতটে হাঁটতে হাঁটতে, শহিদ সেনাদের কথা ভাবছিলেন তিনি। সেই মুহূর্তেই তাঁর মনে ভেসে ওঠে গানের প্রথম কয়েকটি পংক্তি। সঙ্গে কাগজ না থাকায়, তিনি একটি সিগারেটের বাক্সে কলম ধার করে সেই লাইনগুলো লিখে ফেলেন। এইভাবেই জন্ম নিয়েছিল এক কালজয়ী সৃষ্টি- যা আজও ভারতবাসীর হৃদয়ে দেশপ্রেমের অগ্নিশিখা জ্বালিয়ে রাখে।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us