Agastya Nanda-Ikkis: অগস্ত্য নন্দার অভিনয়ে মুগ্ধ অরুণ খেতারপালের ভাই, কাঁদাল ‘ইক্কিস’...

‘ইক্কিস’ ছবিতে মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন অগস্ত্য নন্দা। তাঁর সঙ্গে অভিনয় করেছেন জয়দীপ আহলাওয়াত এবং প্রয়াত ধর্মেন্দ্র, যাঁর এটি শেষ অন-স্ক্রিন উপস্থিতি।

‘ইক্কিস’ ছবিতে মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন অগস্ত্য নন্দা। তাঁর সঙ্গে অভিনয় করেছেন জয়দীপ আহলাওয়াত এবং প্রয়াত ধর্মেন্দ্র, যাঁর এটি শেষ অন-স্ক্রিন উপস্থিতি।

author-image
IE Bangla Entertainment Desk
New Update
ikkis

যা বললেন অরুণ সাহেবের ভাই?

 অগস্ত্য নন্দার দ্বিতীয় ছবি ‘ইক্কিস’ মুক্তি পেয়েছে আজ। তবে, তার আগেই ছবির নির্মাতারা আয়োজন করেছিলেন এক অত্যন্ত আবেগঘন ও তাৎপর্যপূর্ণ বিশেষ স্ক্রিনিং-র। এই স্ক্রিনিংটি ছিল ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্র, বীর শহিদ সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট, অরুণ খেতারপালের পরিবারের জন্য। উপস্থিত ছিলেন তাঁর ছোট ভাই মুকেশ খেতারপাল, সঙ্গে একাধিক ইন্ডাস্ট্রির বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। মাল্টিপ্লেক্স চেইন পিভিআর থেকে প্রকাশিত একটি ভিডিওতেই এই মুহূর্ত প্রকাশ্যে আসে, যা ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় মন ছুঁয়ে গেছে।

Advertisment

ভিডিওতে দেখা যায়, আবেগাপ্লুত মুকেশ খেতারপাল, পরিচালক শ্রীরাম রাঘবনের সঙ্গে কথা বলছেন এবং ছবিটির প্রভাবের জন্য অকপট প্রশংসা করছেন। তিনি বলেন, "আমার একটাই দুঃখ- আপনারা আমাকে কাঁদতে বাধ্য করেছেন। এই ছবি আমাকে ভেতর থেকে নাড়িয়ে দিয়েছে। অনেক স্মৃতি আমার মনে গেঁথে ছিল। কিন্তু সেগুলোকে পর্দায় জীবন্ত হতে দেখে, নিজেকে আর ধরে রাখতে পারিনি। ট্রেলারে যা দেখেছিলাম, সিনেমাটি তার থেকেও বহু গুণ বেশি শক্তিশালী- দশ গুণ, বিশ গুণ, এমনকি একশো গুণও হতে পারে। সত্যিই অসাধারণ।" 

স্ক্রিনিংয়ের পর মুকেশ খেতারপাল দেখা করেন অগস্ত্য নন্দার সঙ্গে। তাঁকে আলিঙ্গন করে আবেগভরে বলেন, "তুমি আজীবন অরুণই থেকে যাবে। এই চরিত্র তোমার থেকে কেউ কেড়ে নিতে পারবে না। সাবাশ।" এই কথাগুলো যেন অভিনেতা ও দর্শক- উভয়ের জন্যই এক বিরল সম্মানের মুহূর্ত হয়ে ওঠে।

‘ইক্কিস’ ছবিতে মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন অগস্ত্য নন্দা। তাঁর সঙ্গে অভিনয় করেছেন জয়দীপ আহলাওয়াত এবং প্রয়াত ধর্মেন্দ্র, যাঁর এটি শেষ অন-স্ক্রিন উপস্থিতি। ছবিটি ভারতীয় সেনা অফিসার ও ট্যাঙ্ক কমান্ডার সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট অরুণ খেতারপালের বায়োপিক। ‘ট্যাঙ্ক টেক্কা অফ এসেস’ নামে পরিচিত এই বীর যোদ্ধা ১০টি শত্রু ট্যাঙ্ক ধ্বংসের কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন। ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে, বাসন্তারের যুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য, তাঁকে মরণোত্তর পরমবীর চক্রে সম্মানিত করা হয়।

মাত্র ২১ বছর বয়সে দেশের জন্য প্রাণ উৎসর্গ করে অরুণ খেতারপাল হয়ে ওঠেন পরমবীর চক্রের সর্বকনিষ্ঠ প্রাপক। উল্লেখযোগ্যভাবে, তিনি মাত্র ১৭ বছর বয়সেই ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন। তাঁর পরিবারে রয়েছে সামরিক সেবার গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। বাবা ভারতীয় সেনায় কর্মরত ছিলেন, দাদু প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন এবং প্রপিতামহ শিখ খালসা সেনাবাহিনীতে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ‘ইক্কিস’ শুধু একটি ছবি নয়, এটি এক শহিদের উত্তরাধিকার ও জাতির প্রতি শ্রদ্ধার প্রতিচ্ছবি।

bollywood Entertainment News Today