/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/26/alka-yagnik-2026-01-26-11-16-46.jpg)
পদ্মভূষণে সম্মানিত অলকা ইয়াগনিক
রবিবার, প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে ঘোষণা হয়েছে ২০২৬ সালের বহু প্রতীক্ষিত পদ্ম পুরস্কার। শিল্পকলা থেকে বিজ্ঞান, সমাজসেবা থেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেওয়া হয় এই সম্মান। আর এ বছর পদ্মভূষণে (Padma Bhushan 2026) ভূষিত হচ্ছেন সংগীত জগতের এক চিরসবুজ নক্ষত্র অলকা ইয়াগনিক (Alka Yagnik)।
অলকা ইয়াগনিক মানেই নস্ট্যালজিয়া। আবেগ, মাধুর্য আর স্মৃতির মিষ্টি ছোঁয়া। তাঁর কণ্ঠে এমন এক জাদু আছে, যা মুহূর্তে মন ছুঁয়ে যায়। মাত্র চার বছর বয়স থেকেই গান গাওয়া শুরু। ছোটবেলাতেই বোঝা গিয়েছিল, এই কণ্ঠ সাধারণ নয়। ১৯৮০ সালে ‘পায়েল কি ঝংকার’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে প্লেব্যাক গায়িকা হিসেবে যাত্রা শুরু, তারপর আর থামতে হয়নি। ধীরে ধীরে তিনি হয়ে ওঠেন বলিউডের সবচেয়ে জনপ্রিয় কণ্ঠস্বরগুলোর অন্যতম।
আরও পড়ুন: প্রজাতন্ত্র দিবসের আগেই সলমনের ‘মাতৃভূমি’ ছুঁয়ে গেল হৃদয়!
গত ৪৬ বছরে তিনি উপহার দিয়েছেন অগণিত কালজয়ী গান। ‘এক দো তিন’, ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’, ‘দিল তো পাগল হ্যায়’, ‘তেরে নাম’, ‘আগার তুম সাথ হো’ । প্রেম, বিচ্ছেদ, আনন্দ, যন্ত্রণা এসব অনুভূতিকে অলকা এমনভাবে কণ্ঠে ফুটিয়ে তুলেছেন, যা সরাসরি হৃদয়ে গিয়ে পৌঁছায়।
তাঁর গানের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো সরলতা আর অনুভূতির গভীরতা। অলকার কণ্ঠে গান শুনলে মনে হয়, যেন নিজের জীবনের গল্পই শোনা যাচ্ছে। এই কারণেই প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তাঁর গান সমানভাবে জনপ্রিয়।
আরও পড়ুন: ‘অনেক ঠকেছি, তবু মানুষের উপর বিশ্বাস হারাতে পারি না’, ব্যক্তিত্বেও উজ্জ্বল বুম্বাদা!
পদ্মভূষণ পাওয়ার পর অলকা ইয়াগনিক কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, “এই মর্যাদাপূর্ণ সম্মান দেওয়ার জন্য আমি সরকারকে ধন্যবাদ জানাই। আর আমার সমস্ত শ্রোতাদের, তাঁদের নিঃশর্ত ভালোবাসার জন্য হৃদয় থেকে কৃতজ্ঞতা।”
অলকা ইয়াগনিকের জন্ম কলকাতায়, গুজরাতি পরিবারে। মা শুভা ইয়াগনিকের কাছেই তাঁর প্রথম শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের হাতেখড়ি। এরপর মাত্র ১০ বছর বয়সে পাড়ি জমান মুম্বইতে। আজ তাঁর ঝুলিতে রয়েছে অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মান। ২৫টিরও বেশি ভাষায় তিনি গান করেছেন—হিন্দি, গুজরাতি, মারাঠি, বাংলা, ভোজপুরী, পঞ্জাবি, তেলুগু, নেপালি, ওড়িয়া সহ আরও বহু ভাষায়। পদ্মভূষণ তাঁর জন্য শুধু সম্মান নয়, ভারতীয় সঙ্গীতের ইতিহাসে তাঁর অমর হয়ে থাকার আরেকটি স্বীকৃতি।
আরও পড়ুন: প্রদীপ্ত ভট্টাচার্যের ‘নধরের ভেলা’ কলকাতায় কবে, কোথায়?


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us