/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/10/amitabh-and-jaya-bachchan-2025-12-10-22-06-44.jpg)
কী এমন করেছিলেন জয়া?
বলিউডের ইতিহাসে, অমিতাভ বচ্চনের কেরিয়ার যেমন সাফল্যে ভরপুর, তেমনই কিছু দুঃসহ অধ্যায়ও রয়েছে, যা আজও তাঁর পরিবারকে বেদনাতুর করে। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা ১৯৮২ সালের কুলি দুর্ঘটনা, যেখানে সহ-অভিনেতা পুনিত ইসারের সঙ্গে, একটি স্টান্ট দৃশ্য শুট করতে গিয়ে গুরুতরভাবে আহত হন বিগ বি। এই ঘটনা শুধু চলচ্চিত্র জগতকেই নাড়া দেয়নি, উদ্বেগে ফেলে দিয়েছিল পুরো দেশকে। সম্প্রতি অভিনেতা অভিষেক বচ্চন সেই অন্ধকার সময়ের স্মৃতিচারণ করলেন। এবং জানালেন কীভাবে তাদের পরিবার, সে সময়ের মানসিকভাবে মোকাবিলা করেছিল।
ইউটিউব চ্যানেল পিপিং মুন-এর এক আলাপচারিতায় অভিষেক বলেন, দুর্ঘটনার সময় তাঁর বয়স ছিল মাত্র ছয়। তবুও সেই রাতের দৃশ্য তিনি আজও স্পষ্ট মনে করতে পারেন। তিনি জানান, তিনি ও তাঁর বোন শ্বেতা, তখন এক হোটেলে ছিলেন এবং অপেক্ষা করছিলেন শুটিং শেষে বাবার ফেরার। রাতের অন্ধকারে যখন অমিতাভকে ফিরতে দেখেন, তখন তাঁর সঙ্গে ছিলেন বেশ কয়েকজন মানুষ, যারা তাঁকে ধরে ধরে হাঁটতে সাহায্য করছিলেন। শিশুমনে কিছুই বুঝতে না পেরে, অভিষেক বাবাকে জড়িয়ে ধরতে এগিয়ে যান, কিন্তু ব্যথার কারণে অমিতাভ তাঁকে দূরে সরিয়ে দেন। অভিষেক বলেন, “আমি জানতাম না তিনি আঘাত পেয়েছেন, তাই আমি রাগ করে সারা রাত কাটিয়েছিলাম।”
গৌরবের সঙ্গে ব্রেকফাস্ট ডেট! গুঞ্জনের ইতি টানলেন করণের প্রাক্তন
আসলে পরিস্থিতি কতটা গুরুতর ছিল তা দুই শিশুই জানত না। অভিষেক জানান, মা জয়া বচ্চন অক্লান্ত চেষ্টা করেছিলেন, যাতে সন্তানদের ওপর, কোনও ধরনের মানসিক আঘাত না আসে। হাসপাতালে যাওয়াটাকেই তিনি পরিণত করেছিলেন এক ধরনের খেলায়। শিশুদের কাছে ডাক্তারের পোশাক পরা, মাস্ক লাগানো- এসব ছিল আনন্দের বিষয়। জয়ার গল্প আর অভিনব খেলাগুলি হাসপাতালে থাকা ড্রিপ, টিউবগুলোকেও ‘ঘুড়ি’-র মতো মনে করাতো শিশুদের কাছে। ফলে পরিস্থিতির বাস্তবতা তারা বুঝতেই পারেনি।
শাহরুখ-পুত্রকে দেখে মুগ্ধ তৃণা, অভিনেত্রীকে কলকাতা প্রসঙ্গে কী বললেন আরিয়ান?
অভিষেকের মতে, পরিবার যে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েনি, তার সম্পূর্ণ কৃতিত্ব তাঁর মা জয়ার। তিনি বলেন, “আমি কখনও দেখি না মা কাঁদছেন বা ভেঙে পড়ছেন। তিনি সবকিছু স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করেছেন।” তখন জয়ার বয়স ছিল ত্রিশের কোঠায়, সঙ্গে দুই ছোট সন্তান। তবুও তিনি দৃঢ়ভাবে পুরো পরিবারকে আগলে রেখেছিলেন। অভিষেক বলেন, “আমরা বুঝতেই পারিনি সেটা কতটা বেদনাদায়ক সময় ছিল-কারণ বাবা-মা কখনও তা বুঝতে দেননি।”
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us