/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/22/amitabh-bachchan-2026-01-22-15-45-20.jpg)
মায়ানগরীতে কেমন কাটত বিগ বি-র সন্ধ্যা ?
কলকাতার সঙ্গে অমিতাভ বচ্চনের (Amitabh Bachchan) সম্পর্ক শুধু জামাই হওয়ার সূত্রে নয়, তাঁর জীবনের একেবারে শুরুর অধ্যায়েই জড়িয়ে রয়েছে এই শহর। বলিউডের ‘শাহেনশা’ হওয়ার বহু আগে, ক্যারিয়ারের একেবারে প্রাথমিক সময়টা কলকাতাতেই কাটিয়েছিলেন অমিতাভ। সেই সময়ের স্মৃতি আজও তাঁর কথায় বারবার ফিরে আসে, কখনও আবেগে, কখনও মজার ছলে।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কলকাতায় কাটানো সন্ধ্যাবেলার কথা তুলতেই খানিকটা আমতা আমতা করে উত্তর দেন বিগ বি। প্রশ্ন ছিল, তরুণ অমিতাভ সন্ধ্যায় কী করতেন? ক্লাবে যেতেন কি না আড্ডা, মজা এই সব নিয়েই কৌতূহল। জবাবে অমিতাভ বলেন, বোর্ডিং স্কুলের গণ্ডি পেরিয়ে প্রথমবারের মতো যে স্বাধীনতা তিনি পেয়েছিলেন, তার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জ।
অমিতাভ জানান, কলেজে পা দিয়েই তিনি এক নতুন ও ‘জটিল’ জগতের মুখোমুখি হন। পড়াশোনা, ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা, নিজের জায়গা খুঁজে পাওয়ার চাপ, সব মিলিয়ে তখনকার জীবন ছিল ভীষণ টালমাটাল। কলকাতার সন্ধ্যাগুলো তাই শুধু আড্ডা বা বিনোদনের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং নিজের ভেতরের লড়াইয়ের সাক্ষী হয়ে উঠেছিল এই শহর।
আরও পড়ুন: ‘ডাউন টু আর্থ মানুষটাই আমাদের গর্ব’, অরিজিতের সিদ্ধান্তে কী বললেন মুর্শিদাবাদবাসী?
এই মানসিক চাপ থেকেই একদিন হতাশ অমিতাভ এমন এক প্রশ্ন করে বসেন, যা আজও তিনি স্মরণ করেন বিশেষ আবেগে। তিনি বলেন, “ক্রুদ্ধ, হতাশ, দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং অযৌক্তিক চিন্তাভাবনায় সজ্জিত হয়ে আমি একদিন সন্ধ্যায় বাবার পড়ার ঘরে গেলাম।” সেই দিন জীবনে প্রথম ও শেষবারের মতো তিনি তাঁর বাবা, কবি হরিবংশ রাই বচ্চনের ওপর চিৎকার করে বলেন, “আপনি আমাকে জন্ম দিলেন কেন?”
আরও পড়ুন: ‘আমি ১২ বছরের সাংসদ হয়ে পারলাম না!’, দেবের প্রথম নায়িকা এখন রাজনৈতিক মঞ্চের সহযাত্রী
আজ এই ঘটনাকে স্মরণ করে অমিতাভ নিজেই মজার ছলে বলেন, সময়টা ছিল বিভ্রান্তির, প্রশ্নের। সেই সন্ধ্যাই হয়তো তাঁকে ধীরে ধীরে পরিণত করেছে। কলকাতার সেই দিনগুলো, বাবার সঙ্গে সেই তর্ক, সব মিলিয়েই তৈরি হয়েছে এক অমিতাভ বচ্চন, যিনি পরবর্তীতে ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে নিজেকে অমর করে তুলেছেন।
আরও পড়ুন: রানি মুখার্জির প্রশংসায় ভাসছেন মল্লিকা! ‘মর্দানি ৩’ কবে মুক্তি পাচ্ছে?


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us