/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/22/amitabh-bachchan-2026-01-22-15-45-20.jpg)
‘রাত ৮টার পর শুধু পরিবার’
পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে অমিতাভ বচ্চন (Amitabh Bachchan) যেভাবে নিজের অভিনয়জীবনকে পরিচালনা করেছেন, তা আজও নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের কাছে এক আদর্শ। তাঁর সঙ্গে কাজ করা বহু সহ-অভিনেতা ও সহকর্মী বারবারই প্রকাশ্যে এনেছেন বিগ বি-র কঠোর নিয়মানুবর্তিতা ও কাজের প্রতি দায়িত্ববোধের কথা। সম্প্রতি সেই তালিকায় নতুন করে জুড়লেন অভিনেতা রাজা বুন্দেলা।
এক সাক্ষাৎকারে রাজা বুন্দেলা জানান, অমিতাভ বচ্চনের জীবনযাপন অত্যন্ত সুশৃঙ্খল। তাঁর কথায়, “রাত ৮টার পর অমিতাভজি-র বাড়িতে কোনো বলিউড তারকার প্রবেশের অনুমতি থাকত না। কারণ ওই সময়টা পুরোপুরি তাঁর পরিবারের জন্য। তিনি চাইতেন, কাজের জগৎ আর ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে যেন স্পষ্ট সীমারেখা থাকে।”
তিনি আরও একটি চমকপ্রদ ঘটনার কথা বলেন, একটি ছবির শুটিং চলাকালীন দেখা যায়, একটি দৃশ্যে অমিতাভ বচ্চনের পরা জুতোর সঙ্গে আগের দৃশ্যের ধারাবাহিকতা মিলছে না। বিষয়টি নজরে আসতেই তিনি কোনো রকম আপস না করে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেন। রাজা বলেন, “অমিতাভজি সঙ্গে সঙ্গে তাঁর স্পটবয়কে গোয়া থেকে মুম্বই পাঠান, শুধুমাত্র সেই নির্দিষ্ট জুতোটি আনানোর জন্য। যাতে ছবির কনটিনিউটি বা ধারাবাহিকতা নষ্ট না হয়।” অনেকের কাছে এই বিষয়টি তুচ্ছ মনে হলেও, বিগ বি-র কাছে এটি ছিল কাজের মান বজায় রাখার প্রশ্ন।
রাজার দাবি, অমিতাভ বচ্চন যখন একসঙ্গে তিনটি ছবিতে কাজ করতেন, তখনও তাঁর দৈনন্দিন রুটিন ছিল একেবারে নির্দিষ্ট। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সময় ভাগ করে নেওয়া থাকত, কখন শুটিং, কখন বিশ্রাম, কখন পরিবারকে সময় দেবেন, সবকিছুই আগে থেকে ঠিক করা থাকত। তিনি কখনও কাজকে পরিবার থেকে আলাদা করেননি, আবার পরিবারের কারণে কাজেও অবহেলা করতেন না।
আরও পড়ুন: নস্টালজিয়ার ছোঁয়ায় ফিরল ধর্মেন্দ্র-হেমার স্মৃতির মুহূর্ত
এই শৃঙ্খলার কারণেই দীর্ঘদিন ধরে ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের অবস্থান অটুট রাখতে পেরেছেন অমিতাভ বচ্চন, এমনটাই মত রাজার। তাঁর কথায়, “অন্য তারকারা যেখানে কাজের চাপে ক্লান্ত হয়ে পড়তেন, অমিতাভজি সেখানে নিজের রুটিন মেনে চলার মাধ্যমে সবকিছু সামলে নিতেন। এতে তাঁর শারীরিক ও মানসিক দুই দিকই সুস্থ থাকত।”
আরও পড়ুন: ‘প্রত্যেকের জীবনে প্রাইভেট স্পেস থাকা দরকার’, দ্বিতীয় বিয়ের পরেই ফের চর্চায় হিরণের মন্তব্য
বিগ বি-র এই কর্মজীবনের ভারসাম্য আজও অনুপ্রেরণা জোগায়। একজন মেগাস্টার হওয়া সত্ত্বেও তিনি কখনও শুটিংয়ে দেরি করতেন না, স্ক্রিপ্টের প্রতিটি খুঁটিনাটি গুরুত্ব দিতেন এবং সহকর্মীদের প্রতিও দেখাতেন সমান সম্মান।
আরও পড়ুন: ‘জয় হো’-র আসল স্রষ্টা কে? রহমানকে ঘিরে বিতর্কের মাঝেই আগুনে ঘি ঢালল রামগোপালের মন্তব্য


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us