টলিউডে সম্প্রতি অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্য (Anirban Bhattacharya)-এর কাজ না পাওয়া নিয়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। এই প্রসঙ্গে স্বরূপ বিশ্বাস (Swarup Biswas) বিস্ফোরক মন্তব্য করে বিষয়টিকে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, কোনও শিল্পী কাজ পাবেন কি পাবেন না তা সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট প্রযোজক, পরিচালক এবং কলাকুশলীদের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করে।
স্বরূপ বিশ্বাস বলেন, চলচ্চিত্র জগতে কাজের ক্ষেত্রটি সম্পূর্ণ স্বাধীনতার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। এখানে কাউকে জোর করে কাজ করানো যায় না। কোনও প্রযোজক যদি দীর্ঘদিন ধরে অর্থ প্রদান না করেন, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই অনেক টেকনিশিয়ান বা কলাকুশলী তাঁর সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী নাও হতে পারেন। একইভাবে কোনও পরিচালক বা প্রযোজকের কাজের ধরণ বা আচরণ যদি কারও পছন্দ না হয়, তবে সেই কলাকুশলীরা তাঁর সঙ্গে কাজ না করার সিদ্ধান্ত নিতেই পারেন।
তিনি আরও বলেন, একজন পরিচালক যেমন নিজের ছবির জন্য কোন অভিনেতা বা অভিনেত্রীকে বেছে নেবেন তা তাঁর ব্যক্তিগত ও পেশাগত সিদ্ধান্ত, তেমনভাবেই টেকনিশিয়ান বা অন্যান্য কলাকুশলীদেরও নিজেদের পছন্দমতো কাজ করার অধিকার রয়েছে। কারও সঙ্গে কাজ করলে যদি তারা স্বচ্ছন্দ বোধ করেন, তাহলে তারা সেই কাজ গ্রহণ করবেন। আর যদি ভালো না লাগে, তবে সেই কাজ থেকে দূরে থাকাটাও তাঁদের অধিকার।
আরও পড়ুন: ‘ভোল বদলানো মানুষ পছন্দ নয়’, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খুললেন অঙ্কিতা
স্বরূপ বিশ্বাসের মতে, চলচ্চিত্র জগতের এই স্বাধীন পরিবেশই শিল্পচর্চার অন্যতম ভিত্তি। এখানে পারস্পরিক সম্মান, আস্থা এবং কাজের পরিবেশের উপর অনেক কিছু নির্ভর করে। তাই কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে নিয়ে জোর করে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়। প্রত্যেকেই নিজের পেশাগত আরাম, সম্পর্ক এবং কাজের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেন।
আরও পড়ুন: ‘বসন্ত এসে গেছে’, হলুদ শাড়িতে বসন্তের আমেজ ছড়ালেন কোয়েল মল্লিক
তাঁর এই মন্তব্যের পর থেকেই টলিউডে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, তাঁর এই বক্তব্যে শিল্পীদের কাজের স্বাধীনতা এবং পেশাগত সম্পর্কের বাস্তব চিত্রই উঠে এসেছে।
Anirban Bhattacharya: টলিউডে অনির্বাণ বিতর্কে নতুন মোড়, কী বললেন স্বরূপ বিশ্বাস?
কোনও প্রযোজক যদি দীর্ঘদিন ধরে অর্থ প্রদান না করেন, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই অনেক টেকনিশিয়ান বা কলাকুশলী তাঁর সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী নাও হতে পারেন। একইভাবে কোনও পরিচালক বা প্রযোজকের কাজের ধরণ বা আচরণ যদি কারও পছন্দ না হয়, তবে সেই কলাকুশলীরা তাঁর সঙ্গে কাজ না..
কোনও প্রযোজক যদি দীর্ঘদিন ধরে অর্থ প্রদান না করেন, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই অনেক টেকনিশিয়ান বা কলাকুশলী তাঁর সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী নাও হতে পারেন। একইভাবে কোনও পরিচালক বা প্রযোজকের কাজের ধরণ বা আচরণ যদি কারও পছন্দ না হয়, তবে সেই কলাকুশলীরা তাঁর সঙ্গে কাজ না..
অনির্বাণকে নিয়ে কী বললেন স্বরূপ বিশ্বাস?
টলিউডে সম্প্রতি অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্য (Anirban Bhattacharya)-এর কাজ না পাওয়া নিয়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। এই প্রসঙ্গে স্বরূপ বিশ্বাস (Swarup Biswas) বিস্ফোরক মন্তব্য করে বিষয়টিকে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, কোনও শিল্পী কাজ পাবেন কি পাবেন না তা সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট প্রযোজক, পরিচালক এবং কলাকুশলীদের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করে।
স্বরূপ বিশ্বাস বলেন, চলচ্চিত্র জগতে কাজের ক্ষেত্রটি সম্পূর্ণ স্বাধীনতার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। এখানে কাউকে জোর করে কাজ করানো যায় না। কোনও প্রযোজক যদি দীর্ঘদিন ধরে অর্থ প্রদান না করেন, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই অনেক টেকনিশিয়ান বা কলাকুশলী তাঁর সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী নাও হতে পারেন। একইভাবে কোনও পরিচালক বা প্রযোজকের কাজের ধরণ বা আচরণ যদি কারও পছন্দ না হয়, তবে সেই কলাকুশলীরা তাঁর সঙ্গে কাজ না করার সিদ্ধান্ত নিতেই পারেন।
তিনি আরও বলেন, একজন পরিচালক যেমন নিজের ছবির জন্য কোন অভিনেতা বা অভিনেত্রীকে বেছে নেবেন তা তাঁর ব্যক্তিগত ও পেশাগত সিদ্ধান্ত, তেমনভাবেই টেকনিশিয়ান বা অন্যান্য কলাকুশলীদেরও নিজেদের পছন্দমতো কাজ করার অধিকার রয়েছে। কারও সঙ্গে কাজ করলে যদি তারা স্বচ্ছন্দ বোধ করেন, তাহলে তারা সেই কাজ গ্রহণ করবেন। আর যদি ভালো না লাগে, তবে সেই কাজ থেকে দূরে থাকাটাও তাঁদের অধিকার।
আরও পড়ুন: ‘ভোল বদলানো মানুষ পছন্দ নয়’, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খুললেন অঙ্কিতা
স্বরূপ বিশ্বাসের মতে, চলচ্চিত্র জগতের এই স্বাধীন পরিবেশই শিল্পচর্চার অন্যতম ভিত্তি। এখানে পারস্পরিক সম্মান, আস্থা এবং কাজের পরিবেশের উপর অনেক কিছু নির্ভর করে। তাই কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে নিয়ে জোর করে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়। প্রত্যেকেই নিজের পেশাগত আরাম, সম্পর্ক এবং কাজের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেন।
আরও পড়ুন: ‘বসন্ত এসে গেছে’, হলুদ শাড়িতে বসন্তের আমেজ ছড়ালেন কোয়েল মল্লিক
তাঁর এই মন্তব্যের পর থেকেই টলিউডে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, তাঁর এই বক্তব্যে শিল্পীদের কাজের স্বাধীনতা এবং পেশাগত সম্পর্কের বাস্তব চিত্রই উঠে এসেছে।