Nari Choritro Bejay Jotil: দর্শকের হাসিই অঙ্কুশের সবচেয়ে বড় পুরস্কার! ‘নারী চরিত্র বেজায় জটিল’ মন জয় করল?

সিনেমা হল থেকে বেরিয়ে দর্শকের মুখে যদি হাসি লেগে থাকে, সেটাই যে একটা ছবির সবচেয়ে বড় সাফল্য এ কথা আরও একবার প্রমাণ করে দিল অঙ্কুশ হাজরার ‘নারী চরিত্র বেজায় জটিল’।

সিনেমা হল থেকে বেরিয়ে দর্শকের মুখে যদি হাসি লেগে থাকে, সেটাই যে একটা ছবির সবচেয়ে বড় সাফল্য এ কথা আরও একবার প্রমাণ করে দিল অঙ্কুশ হাজরার ‘নারী চরিত্র বেজায় জটিল’।

author-image
IE Bangla Entertainment Desk
New Update
অঙ্কুশ হাজরা, অঙ্কুশের ভৌতিক অভিজ্ঞতা, ভারতের ভৌতিক জায়গা, হন্টেড প্লেস, ভারতের হন্টেড প্লেস, অঙ্কুশ হাজরা সিনেমা, অঙ্কুশের সিনেমা, ankush Hazra, ankush Hazra movies, ankush Hazra next release, ankush Hazra entertainment

ছবির সাফল্যে কি বললেন অঙ্কুশ?

সিনেমা হল থেকে বেরিয়ে দর্শকের মুখে যদি হাসি লেগে থাকে, সেটাই যে একটা ছবির সবচেয়ে বড় সাফল্য এ কথা আরও একবার প্রমাণ করে দিল অঙ্কুশ হাজরার ‘নারী চরিত্র বেজায় জটিল’ (Nari Choritro Bejay Jotil)। ৯ জানুয়ারি মুক্তির পর থেকেই ছবিটি দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছে তাঁর প্রাণবন্ত কমেডি আর পারিবারিক বিনোদনের মেজাজে। বক্স অফিসের সংখ্যার থেকেও অঙ্কুশের কাছে বড় হয়ে উঠেছে মানুষের সেই নিখাদ হাসি আর আনন্দ, যা দু’ঘণ্টার জন্য সব ক্লান্তি ভুলিয়ে দিতে পারে। 

Advertisment

 এই ছবির সাফল্য নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অঙ্কুশ (Ankush Hazra) বলেন, “এই ছবিটার মাধ্যমে শুনতে পাচ্ছি অনেকে কমেডি বিষয়টাকে হাত দেওয়ার কথা ভাবছেন। এটা সত্যিই ভালো লাগার মতো বিষয়। কমেডি বানানো সহজ নয়, এতে রিস্ক নিতেই হয়। কারণ মানুষ হাসবে কি না, সেটার কোনও গ্যারান্টি থাকে না। তবুও আমরা বিনোদনের সিনেমা বানাতে ভালোবাসি।” তাঁর মতে, সিনেমা মানেই বিনোদন। সিনেমা সবসময় এমন হওয়া উচিত, যা মানুষকে দু’ঘণ্টার জন্য বাস্তব জীবনের চাপ, দুশ্চিন্তা আর ক্লান্তি থেকে মুক্তি দেবে।

আরও পড়ুন: “হ্যাঁ, তিনি তো আছেন এখনও, আমাদের অপু অপরাজিত”, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিনে পরমব্রতর আবেগঘন প্রণাম

তিনি আরও বলেন, “আমার মনে হয় মানুষ দু’ঘণ্টা সময় নিয়ে সিনেমা দেখতে গেলে একটু হাসতে চায়, একটু আনন্দ পেতে চায়। সব সময় ভারী, গম্ভীর বা কাঁদিয়ে দেওয়া ছবি দেখার মানসিকতা সবার থাকে না।” অঙ্কুশ এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক মনস্তত্ত্বের কথাও তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, আমাদের সমাজে কমেডি ছবিকে অনেক সময় যথেষ্ট সম্মান দেওয়া হয় না। কেউ যদি কোনও সিনেমা দেখে কাঁদতে কাঁদতে হল থেকে বেরোয়, তাহলে সে অন্তত দশজনকে গিয়ে বলে, “তোরাও গিয়ে ছবিটা দেখে আয়।” কিন্তু মানুষ যদি হো হো করে হাসতে হাসতে বেরোয়, তখন কেউ জিজ্ঞেস করলে বলে, “ভালোই, খারাপ না, মজা পেলাম।” অর্থাৎ হাসির আনন্দকে আমরা অনেক সময় গভীর আবেগের মতো গুরুত্ব দিই না।

আরও পড়ুন: "আমরা কি কাঁকড়ার জাত?" দেবের প্রশ্নে নড়ে উঠল টলিউড

‘নারী চরিত্র বেজায় জটিল’ নিয়ে তাঁর ব্যক্তিগত অনুভূতিও বেশ আবেগঘন। তিনি বলেন, “আমি চেয়েছিলাম একটা ভালো, সপরিবারে দেখার মতো ফিল্ম বানাতে। এমন একটা ছবি, যেখানে বাবা-মা, বাচ্চা, বন্ধু, সবাই একসঙ্গে বসে দেখতে পারবে। সেই লক্ষ্যটা পূরণ করতে পেরে আমি সত্যিই খুশি।” এই ছবির সাফল্য তাঁর কাছে শুধু বক্স অফিসের সংখ্যা নয়, বরং দর্শকদের মুখে হাসি ফোটাতে পারাই সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

Ankush Hazra Ankush-Oindrila entertainment Entertainment News Entertainment News Today tollywood Tollywood Actress tollywood news Tollygunge Nari choritro bejay jotil