/indian-express-bangla/media/media_files/2025/09/04/ankush-2025-09-04-15-08-46.jpg)
Exclusive Ankush: যা শোনালেন অভিনেতা...
অঙ্কুশ হাজরার নতুন ছবি রিলিজ করছে আজ। নারী চরিত্র বেজায় জটিল- এই ছবি নিয়ে অঙ্কুশ বেজায় লড়াই করেছেন। এবং জেলাস্তরে নানা জায়গায় পৌঁছে গিয়েছেন তিনি। কিন্তু, তারপরেও আজ তাঁর মন ভার। যে নির্দিষ্ট দিনে, তিনি ছবিটা রিলিজ করতে চেয়েছিলেন, ২৩শে জানুয়ারী- সেটি তিনি করতে পারলেন না। তাঁর সঙ্গে একরাশ ক্ষোভ উগড়ে দিলেন। অঙ্কুশ তাঁর মধ্যে গতকাল এক বিরাট ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। নবীনা হলের সামনে তাঁর ৩০ ফুটের বড় কাটাউট ছিঁড়ে-নষ্ট করা হয়।
অঙ্কুশ জানিয়েছিলেন, তিনি দেখবেন যে কারা এই কাজ করছে। কী আনন্দ তাঁরা পেল এই ক্ষতি করে, সেটাই বুঝতে পারছিলেন না অঙ্কুশ। এবং, তিনি চারু মার্কেট থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিনেতা এবং সিনেমার প্রযোজকের সঙ্গে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা যোগাযোগ করলে তিনি অভিযোগের সঙ্গে সঙ্গে নানা ক্ষোভ উগড়ে দিলেন।
Mamata Banerjee: যাদবপুর থেকে হাজরা, মমতার ৭ কিমি মিছিলে দেব, সায়নী, জুন, রচনাদের ভিড়...
প্রসঙ্গে নবীনা সিনেমার বাইরে পোস্টার
অঙ্কুশের কথায়, আমি চারু মার্কেট থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। সেভাবে তো সন্দেহ করে লাভ নেই। তবে, সিসিটিভিতে কিছুজনকে দেখা গিয়েছে। তাঁরা বুঝে কালো রংয়ের মাস্ক পরে, সেই কাজ করেছে। এবার দেখা যাক, পুলিশের সহযোগিতা কামনা করছি।
এই যে ক্ষতি, এতে কি বাংলা সিনেমা আরও পিছিয়ে পড়ছে?
অঙ্কুশের কথায়, "আমার এটা সবসময় মনে হয়, যেকোনো ছবির ক্রিয়েটিভ দিক মানুষ নিজে বেছে নেয়। একটা জিনিস যেটা অসুবিধা হয় যে ২০২৬ এর বাকিটা আমি কী করব, আমি জানি না। অনেক প্ল্যানিং থাকে, ইনভেস্টমেন্ট থাকে। আমায় যখন ৯ তারিখ রিলিজের কথা বলা হয়, খুব অসুবিধা হয়েছিল। কারণ, ২৩ তারিখ আর ৯ তারিখ এক না। ছবিটার অনেককিছু অসমাপ্ত রয়ে গেল। একটা গান আমি রিলিজ করতে পারিনি। সেটা লোকে সিনেমাহলে দেখবে। ঠিক ২ সপ্তাহ আগে আমায় বড় সিদ্ধান্ত নিতে হল, আমি এখন কী করে বলব যে কবে রিলিজ করব। এই ছবির ক্ষেত্রে আমি চেয়েছিলাম আর এক সপ্তাহ পিছিয়ে দিতে। আমি জানি এটা ডাল মোমেন্ট। কিন্তু, বাকি ছবিগুলো পিছিয়ে ২৩ তারিখ হয়ে গেল, আমায় বাধ্য করা হল ৯ তারিখ। মানুষ কী করে ডিসাইড করবে।"
আবেগে ভরপুর সৈনিকদের লভ স্টোরি, বর্ডার ২-র দ্বিতীয় গানে চোখে জল আসবে
ছবি রিলিজ নিয়ে সমস্যা- ক্ষুব্ধ অঙ্কুশ
অভিনেতা বললেন, এই যে দুই সপ্তাহের গ্যাপ নিয়ে একটা সমস্যা। আমি ভেবেছিলাম এই ছবিটা ১৬ তারিখ রিলিজ করব। কিন্তু ২৩ তারিখ যেহেতু রিলিজ, তাই প্রোটোকল মানতে হবে। সবথেকে আগে ২৩ তারিখ আমি ঘোষণা করেছিলাম।
নির্মাতাদের উদ্দেশ্যে কী দাবি অঙ্কুশের?
সিনেমা হল পাওয়া নিয়ে নানা জলঘোলা। পরিচালক- প্রযোজকদের লড়াই। সেই নিয়ে অঙ্কুশ বলছেন, "একটা কথা, কেউ যদি এটা ভাবে না, যে আমার ছবি খারাপ হয়েছে বলে, লোকে ছবিটা দেখেনি, তাহলে কিন্তু সমস্যা সমাধান। সবাই ভাবছে আমি বেস্ট ছবি বানিয়েছি, প্রোমোশনের অভাবে চলল না, বা হল পেল না বলে চলল না। একটু যদি মানুষ ভাবে আমার ছবিটা খারাপ, তাই চলেনি, সেটাই মুশকিল আসান। সবাই ভাবছে আমি সেরা, আমায় দাবানো হল। মানুষের ভাল না লাগলে তো চলবে না। এরকম অনেক উদাহরণ আছে যে, ক্ল্যাশের মাঝেও দারুন চলেছে, পরে সেই সিনেমার শো বাড়াতে হয়েছে। আমি এত ব্যবসা করতে পারতাম, নানা ইক্সকিউজ। এতগুলোর বেশি রিলিজ করা যাবে না। সবকিছুর শেষে আমার ওপর কোপ পড়ল। আমি ভেবেছিলাম, নিজের মত করে সুন্দর রিলিজ করব, সেটা পারলাম না। সত্যি বলতে, আমি হাইপ ক্রিয়েট করতে এর থেকে বেশি পারব না। কিন্তু, এখন ডাল পিরিয়ড, আর আমি জানি এই দেখেই আমার ছবিকে বিচার করা হবে।"
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us