Dhurandhar movie: 'ও কাশ্মীরি পণ্ডিত', ধুরন্ধর নিয়ে বিতর্ক! কোন রাজনীতিতে আপত্তি অনুরাগ কাশ্যপের?

Dhurandhar movie: এত কিছুর পরেও কাশ্যপ পরিচালক আদিত্য ধরের একগুঁয়েমি ও সততার প্রশংসা করেছেন। তিনি ধুরন্ধর–কে ক্যাথরিন বিগেলোর দ্য হার্ট লকার (২০০৯), এর মতো “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে কেন্দ্র করে তৈরি অস্কারজয়ী প্রচারণামূলক চলচ্চিত্র”-এর সঙ্গে তুলনা করেন।

Dhurandhar movie: এত কিছুর পরেও কাশ্যপ পরিচালক আদিত্য ধরের একগুঁয়েমি ও সততার প্রশংসা করেছেন। তিনি ধুরন্ধর–কে ক্যাথরিন বিগেলোর দ্য হার্ট লকার (২০০৯), এর মতো “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে কেন্দ্র করে তৈরি অস্কারজয়ী প্রচারণামূলক চলচ্চিত্র”-এর সঙ্গে তুলনা করেন।

author-image
IE Bangla Entertainment Desk
New Update
anurag

যা বলছেন তিনি...

চলচ্চিত্র নির্মাতা অনুরাগ কাশ্যপ, সম্প্রতি লেটারবক্সডে ব্লকবাস্টার পিরিয়ড স্পাই থ্রিলার ‘ধুরন্ধর’- এর কিছু ছবি শেয়ার করার পাশাপাশি একটি বিশদ পর্যালোচনা প্রকাশ করেছেন। প্রশংসা ও সমালোচনার মিশেলে দেওয়া এই রিভিউতে, তিনি ছবির নির্মাণশৈলীর ভূয়সী প্রশংসা করলেও, এর রাজনীতির কিছু অংশ নিয়ে দ্বিমত পোষণ করেছেন। 

Advertisment

কাশ্যপ তাঁর পর্যালোচনায় ছবির নির্মাণকে “উচ্চমানের” বলে বর্ণনা করেন। তাঁর মতে, একজন গুপ্তচর বা সৈনিকের চরিত্রে, শত্রু রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বা ঘৃণা থাকা অস্বাভাবিক নয়। তিনি লেখেন, “একজন গুপ্তচর যদি শত্রু রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ঘৃণা না রাখে, তাহলে সে গুপ্তচর হতে পারে না। একইভাবে, একজন সৈনিকও যদি ক্ষোভ না রাখে, তাহলে সে সৈনিক হতে পারে না। এই জায়গায় আমার কোনও আপত্তি নেই।" 

Ashish Vidyarthi: গুয়াহাটির রাস্তায় দুর্ঘটনা, চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণে আশিস বিদ্যার্থী ও তাঁর স্ত্রী

তবে তিনি ছবির দুটি নির্দিষ্ট সংলাপ নিয়ে আপত্তি জানান। একটি দৃশ্যে আর মাধবনের বলা সংলাপ— “এক দিন অ্যায়সা আয়েগা জব জো বিএফএফ দেশ কে বারে মে কোই সোচেগা”- এবং আরেকটি ক্লাইম্যাক্সের দৃশ্যে রণবীর সিংয়ের সংলাপ— “ইয়ে নয়া ইন্ডিয়া হ্যায়”— এই দু’টি লাইন ছবির রাজনৈতিক অবস্থানকে স্পষ্ট করে তোলে বলে কাশ্যপ মনে করেন। তাঁর কথায়, “এই দুটি দৃশ্য বাদ দিলে এটি একটি ভালো ছবি। আসলে, একটি দুর্দান্ত ছবি, যা সম্পূর্ণভাবে পাকিস্তানকে কেন্দ্র করে তৈরি।”

এত কিছুর পরেও কাশ্যপ পরিচালক আদিত্য ধরের একগুঁয়েমি ও সততার প্রশংসা করেছেন। তিনি ধুরন্ধর–কে ক্যাথরিন বিগেলোর দ্য হার্ট লকার (২০০৯), জিরো ডার্ক থার্টি (২০১২) এবং আ হাউস অফ ডায়নামাইট (২০২৪)-এর মতো “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে কেন্দ্র করে তৈরি অস্কারজয়ী প্রচারণামূলক চলচ্চিত্র”-এর সঙ্গে তুলনা করেন। কাশ্যপ জানান, তিনি ২০০৯ সালের জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত শর্ট ফিল্ম বুন্দ–এর সময় থেকেই আদিত্য ধরকে চেনেন।

Jay Bhanushali and Mahhi Vij: ১৪ বছরের দাম্পত্যে ইতি, আলাদা পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত জয়–মাহির

“একমত হোন বা দ্বিমত হোন, মানুষটি সৎ। তিনি সুবিধাবাদী নন,” কাশ্যপ এমনটাই লেখেন। তিনি উল্লেখ করেন, আদিত্য ধর একজন কাশ্মীরি পণ্ডিত, যার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাই তাঁর ছবির বিষয়বস্তুকে প্রভাবিত করেছে। কাশ্যপ বলেন, ছবির রাজনীতি নিয়ে বিতর্ক করতে হলে তিনি ধরকে ব্যক্তিগতভাবে ফোন করবেন, তবে ছবিটির গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না।

তিনি শেষে যোগ করেন, “আর রণবীর সিং আমার প্রিয় অভিনেতা, তাই সব ঠিক আছে।” এর আগে অভিনেতা হৃতিক রোশনও ছবিটির প্রশংসা করেছিলেন। আদিত্য ধর ও লোকেশ ধরের B62 স্টুডিও এবং জ্যোতি দেশপান্ডের নেতৃত্বাধীন জিও স্টুডিওর সহ-প্রযোজনায় নির্মিত ধুরন্ধর বর্তমানে ভারতের সর্বোচ্চ আয় করা বলিউড চলচ্চিত্রে পরিণত হয়েছে।

Ranveer Singh Anurag Kashyap Entertainment News Today