/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/18/kangana_d55e21-2026-01-18-11-41-08.jpg)
কী বলছেন রহমানকে নিয়ে তিনি?
সুরকার এ আর রহমান সম্প্রতি ‘ছাভা’ ছবিকে ‘বিভাজনমূলক’ বলে উল্লেখ করে আলোচনার কেন্দ্রে আসেন। ভিকি কৌশল অভিনীত এই ছবিতে তিনি সংগীত রচনা করেছেন, কিন্তু ছবির রাজনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে নিজের মতাদর্শ এক নয় বলেও স্পষ্ট করেন। বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রহমান প্রকাশ করেন যে, তিনি বিস্মিত- হিন্দি সিনেমায় কি সত্যিই তিনি ধর্মীয় কারণে কম কাজ পাচ্ছেন? একই কথোপকথনে তিনি বলেন, গত কয়েক বছরে যেন ক্ষমতার ভারসাম্য অন্যদের দিকে সরে গেছে, এবং যাঁরা সৃজনশীল নন, তাঁরাই এখন বড় সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।
অনেক সময় তাকে কোনও ছবিতে সাইন করানো হলেও, পরবর্তীতে অন্য পাঁচজন সুরকারকে নিযুক্ত করা হয় বলে তিনি মন্তব্য করেন। তবুও রহমান জানান, কাজ খুঁজে বেড়ানোর ইচ্ছা তাঁর নেই; বরং তিনি চান প্রোজেক্টগুলো, নিজে থেকেই তাঁর কাছে আসুক।
SIR- শুনানিতে ডাক পেলেন সৌমিতৃষা, কী দাবি মিঠাইয়ের?
এই মন্তব্যগুলি প্রকাশ্যে আসতেই কঙ্গনা রানাওয়াত তাকে কঠোরভাবে আক্রমণ করেন। ইনস্টাগ্রামে কঙ্গনা লেখেন যে, রহমানের মতো “পক্ষপাতদুষ্ট ও ঘৃণাপূর্ণ” মানুষ তিনি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে খুব কমই দেখেছেন। তিনি দাবি করেন, নিজের রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে, বহু কুসংস্কার ও পক্ষপাতের সম্মুখীন হন তিনি, তবুও রহমানের আচরণ তাকে সর্বাধিক বিস্মিত করেছে।
কঙ্গনার অভিযোগ, তিনি যখন তাঁর পরিচালিত সিনেমা ‘ইমার্জেন্সি’-র জন্য সুর দেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন, তখন রহমান তাঁর সঙ্গে দেখা করতেও রাজি হননি। তাঁকে নাকি জানানো হয়েছিল যে রহমান কোনও প্রচারমূলক ছবির অংশ হতে চান না। কঙ্গনার কথায়, “আমি মরিয়া হয়ে ছবির ভাবনা ব্যাখ্যা করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু তিনি সুযোগই দেননি।” তিনি আরও দাবি করেন যে, পরে ‘ইমার্জেন্সি’-কে সমালোচকরা মাস্টারপিস বলে অভিহিত করেন, এমনকি বিরোধী দল থেকেও প্রশংসাসূচক চিঠি পান তিনি। তবুও রহমান “ঘৃণায় অন্ধ” হয়ে থেকেছেন বলে তার মন্তব্য।
Hema Malini: '৬০ বছরে এমন অব্যবস্থা', হেমার সামনেই ক্ষোভ বৃদ্ধর, রেগে কাঁই ড্রিমগার্ল নিজেও
অন্যদিকে রহমান তাঁর বক্তব্যে পরিষ্কার বলেন, ‘ছাভা’ ছবিটি যদিও বিভাজন তৈরি করে, তবুও এর মূল বার্তা সাহসিকতা। তিনি পরিচালককে জিজ্ঞাসা করেছিলেন কেন তাঁরই প্রয়োজন, এবং উত্তরে পেয়েছিলেন- এই গল্পের স্পন্দন ও আত্মাকে তুলে ধরতে তাঁর সংগীতই সবচেয়ে জরুরি। তিনি জানান, ছবির শেষাংশে একটি কবিতার আবৃত্তি তাকে অত্যন্ত ছুঁয়ে গিয়েছিল, যা মারাঠা ঐতিহ্যের মর্ম বুঝিয়েছিল তাঁকে, এই গল্প বেশ স্পর্শ করে তাঁকে।
Ankush-Oindrila: দিনে চারবার ঝগড়া, তবু অটুট প্রেম! অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলার রসায়ন
ধর্মীয় পক্ষপাতের প্রসঙ্গে রহমান জানান, তিনি নিজে কখনও সরাসরি এমন কোনও অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হননি। তবে ‘ফিসফিসে খবর’ হিসেবে শুনেছেন যে কখনও কখনও তাঁর ধর্মীয় পরিচয়, বা রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা নিয়ে মনোভাব বদলায়। তারপরও তাঁর বক্তব্য- “আমি চাকরি চাই না, আমার যা প্রাপ্য, তা আমাকে ঠিকই খুঁজে নেবে।”


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us