সুরকার ও অস্কারজয়ী সংগীতশিল্পী এ আর রহমান, সম্প্রতি তাঁর মন্তব্য ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের প্রেক্ষিতে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। তিনি আগেই উল্লেখ করেছিলেন, যে গত আট বছরে, হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে এক ধরনের “পাওয়ার শিফট” ও “সাম্প্রদায়িকতা” বেড়েছে, যার ফলে তিনি আগের তুলনায় কম কাজ পাচ্ছেন। এই মন্তব্য নিয়ে যখন বিতর্ক তুঙ্গে ওঠে, তখন রবিবার, রহমান ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও বিবৃতির মাধ্যমে, তাঁর প্রকৃত উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করেন।
ভিডিওতে তিনি বলেন, “ভারত আমার অনুপ্রেরণা, আমার শিক্ষক এবং আমার বাড়ি। মাঝে মাঝে উদ্দেশ্যগুলোর ভুল ব্যাখ্যা হতে পারে, কিন্তু আমার উদ্দেশ্য সবসময় সংগীতের মাধ্যমে মানুষকে সমৃদ্ধ করা, সম্মান দেখানো এবং সেবা করা। আমি কখনো কাউকে আঘাত করতে চাইনি। আশা করি আমার আন্তরিকতা সঠিকভাবে অনুভূত হবে।” তিনি আরও জানান যে ভারতীয় হিসেবে তিনি গর্বিত, কারণ এই দেশ মত প্রকাশের স্বাধীনতা দেয় এবং বিভিন্ন সংস্কৃতির কণ্ঠস্বরকে সম্মান করে।
Kangana Ranaut-A R Rahman: 'হিংসুটে-ঘৃণার চোটে', কঙ্গনার সঙ্গে দেখাও করতে চাননি, রহমানের বিতর্কিত মন্তব্যে ক্ষেপে আগুন পর্দার কুইন
নিজের কাজের উদাহরণ তুলে ধরে রহমান বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও রুহ-ই-নূরের সামনে ওয়েভস সামিটে ‘ঝালা’ উপস্থাপন করা থেকে শুরু করে তরুণ নাগা সংগীতশিল্পীদের নিয়ে স্ট্রিং অর্কেস্ট্রা তৈরি করা, সানশাইন অর্কেস্ট্রার পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করা, ভারতের প্রথম মাল্টিকালচারাল ভার্চুয়াল ব্যান্ড ‘সিক্রেট মাউন্টেন’ তৈরি করা- এসবই আমার উদ্দেশ্যকে আরও দৃঢ় করেছে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে হান্স জিমারের সঙ্গে রামায়ণ গাওয়ার সুযোগ পাওয়াও তাঁর জন্য এক বিশেষ সম্মানের।
ভিডিওর শেষে তিনি বলেন, “আমি এই জাতিকে ধন্যবাদ জানাই। আমি এমন সংগীত তৈরি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা অতীতকে সম্মান করে, বর্তমানকে উদযাপন করে এবং ভবিষ্যতকে অনুপ্রাণিত করে। জয় হিন্দ, জয় হো।” ভিডিওটি ১৯৯৭ সালের তাঁর দেশাত্মবোধক সংগীত “বন্দে মাতরম” সমবেত কণ্ঠে গাওয়ার দৃশ্য দিয়ে শেষ হয়।
প্রত্যাখ্যানের যন্ত্রণায় স্পষ্ট হলো সুহানার লক্ষ্য!
উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহে বিবিসি এশিয়ান নেটওয়ার্কের সাক্ষাৎকারে রহমান বলেছিলেন যে গত কয়েক বছরে হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁর কাজের সংখ্যা কমে গেছে। তিনি এর জন্য “ক্ষমতার পরিবর্তন” এবং সম্ভবত “সাম্প্রদায়িক পক্ষপাত”কে দায়ী করেছিলেন, যদিও তিনি এটিকে গোপন কোথাও লুকিয়ে থাকা এক ধরনের বিষয় বলে উল্লেখ করেন।
A R Rahman: 'ভারত আমার শিক্ষক', বৈষম্যে বিতর্কে রহমান, বিপাকে পড়তেই সুর নরম এ.আর এর?
উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহে বিবিসি এশিয়ান নেটওয়ার্কের সাক্ষাৎকারে রহমান বলেছিলেন যে গত কয়েক বছরে হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁর কাজের সংখ্যা কমে গেছে।
উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহে বিবিসি এশিয়ান নেটওয়ার্কের সাক্ষাৎকারে রহমান বলেছিলেন যে গত কয়েক বছরে হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁর কাজের সংখ্যা কমে গেছে।
কী বললেন রহমান?
সুরকার ও অস্কারজয়ী সংগীতশিল্পী এ আর রহমান, সম্প্রতি তাঁর মন্তব্য ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের প্রেক্ষিতে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। তিনি আগেই উল্লেখ করেছিলেন, যে গত আট বছরে, হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে এক ধরনের “পাওয়ার শিফট” ও “সাম্প্রদায়িকতা” বেড়েছে, যার ফলে তিনি আগের তুলনায় কম কাজ পাচ্ছেন। এই মন্তব্য নিয়ে যখন বিতর্ক তুঙ্গে ওঠে, তখন রবিবার, রহমান ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও বিবৃতির মাধ্যমে, তাঁর প্রকৃত উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করেন।
ভিডিওতে তিনি বলেন, “ভারত আমার অনুপ্রেরণা, আমার শিক্ষক এবং আমার বাড়ি। মাঝে মাঝে উদ্দেশ্যগুলোর ভুল ব্যাখ্যা হতে পারে, কিন্তু আমার উদ্দেশ্য সবসময় সংগীতের মাধ্যমে মানুষকে সমৃদ্ধ করা, সম্মান দেখানো এবং সেবা করা। আমি কখনো কাউকে আঘাত করতে চাইনি। আশা করি আমার আন্তরিকতা সঠিকভাবে অনুভূত হবে।” তিনি আরও জানান যে ভারতীয় হিসেবে তিনি গর্বিত, কারণ এই দেশ মত প্রকাশের স্বাধীনতা দেয় এবং বিভিন্ন সংস্কৃতির কণ্ঠস্বরকে সম্মান করে।
Kangana Ranaut-A R Rahman: 'হিংসুটে-ঘৃণার চোটে', কঙ্গনার সঙ্গে দেখাও করতে চাননি, রহমানের বিতর্কিত মন্তব্যে ক্ষেপে আগুন পর্দার কুইন
নিজের কাজের উদাহরণ তুলে ধরে রহমান বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও রুহ-ই-নূরের সামনে ওয়েভস সামিটে ‘ঝালা’ উপস্থাপন করা থেকে শুরু করে তরুণ নাগা সংগীতশিল্পীদের নিয়ে স্ট্রিং অর্কেস্ট্রা তৈরি করা, সানশাইন অর্কেস্ট্রার পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করা, ভারতের প্রথম মাল্টিকালচারাল ভার্চুয়াল ব্যান্ড ‘সিক্রেট মাউন্টেন’ তৈরি করা- এসবই আমার উদ্দেশ্যকে আরও দৃঢ় করেছে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে হান্স জিমারের সঙ্গে রামায়ণ গাওয়ার সুযোগ পাওয়াও তাঁর জন্য এক বিশেষ সম্মানের।
ভিডিওর শেষে তিনি বলেন, “আমি এই জাতিকে ধন্যবাদ জানাই। আমি এমন সংগীত তৈরি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা অতীতকে সম্মান করে, বর্তমানকে উদযাপন করে এবং ভবিষ্যতকে অনুপ্রাণিত করে। জয় হিন্দ, জয় হো।” ভিডিওটি ১৯৯৭ সালের তাঁর দেশাত্মবোধক সংগীত “বন্দে মাতরম” সমবেত কণ্ঠে গাওয়ার দৃশ্য দিয়ে শেষ হয়।
প্রত্যাখ্যানের যন্ত্রণায় স্পষ্ট হলো সুহানার লক্ষ্য!
উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহে বিবিসি এশিয়ান নেটওয়ার্কের সাক্ষাৎকারে রহমান বলেছিলেন যে গত কয়েক বছরে হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁর কাজের সংখ্যা কমে গেছে। তিনি এর জন্য “ক্ষমতার পরিবর্তন” এবং সম্ভবত “সাম্প্রদায়িক পক্ষপাত”কে দায়ী করেছিলেন, যদিও তিনি এটিকে গোপন কোথাও লুকিয়ে থাকা এক ধরনের বিষয় বলে উল্লেখ করেন।