বলিউড ও ভারতীয় চলচ্চিত্র জগৎ ক্রমশ সাম্প্রদায়িক হয়ে উঠছে- এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করে, সাম্প্রতিক সময়ে বিতর্কে জড়িয়েছেন সঙ্গীত পরিচালক এ আর রহমান। তাঁর দাবি, গত আট বছরে এই কারণেই, তিনি তুলনামূলকভাবে কম কাজ পেয়েছেন। রহমানের এই মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। ইন্ডাস্ট্রির একাংশ তাঁর বক্তব্যকে সমর্থন করলেও, অনেকে আবার সরাসরি এর বিরোধিতা করেছেন। এবার এই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন অভিনেতা জাভেদ জাফরি।
সংবাদসংস্থা আইএএনএস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জাভেদ বলেন, চলচ্চিত্র শিল্পে পরিবর্তন এসেছে ঠিকই, তবে সেটি শুধুমাত্র ধর্ম বা রাজনীতির কারণে নয়, বরং সময়ের স্বাভাবিক গতির কারণেই। তাঁর কথায়, “যেভাবে গোটা পৃথিবী বদলে যাচ্ছে, প্রযুক্তি এগোচ্ছে, ডিজিটাল মাধ্যম ও এআই আমাদের জীবনে ঢুকে পড়ছে, ঠিক সেভাবেই বদলাচ্ছে বিনোদন জগতও। ফ্যাশন, খাদ্যাভ্যাস, মূল্যবোধ থেকে শুরু করে গল্প বলার ধরন- সবেতেই পরিবর্তন এসেছে।”
তিনি আরও জানান, নতুন প্রজন্মের দর্শকদের মনোযোগ ধরে রাখাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। জাভেদের মতে, জেন জেড বা আলফা প্রজন্মের, মনোযোগের পরিধি মাত্র কয়েক সেকেন্ড। ফলে নির্মাতাদেরও সেই অনুযায়ী কনটেন্ট তৈরি করতে হচ্ছে। এখন আর শুধু শিল্প নয়, ব্যবসার দিকটাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
Snigdhajit Bhowmik: মেদিনীপুরের মেলায় তুলকালাম! উদ্যোক্তার সঙ্গে তুমুল বচসা, মঞ্চ ছেড়ে নেমে গেলেন স্নিগ্ধজিত, দিলেন জবাব
অন্যদিকে, এই বিতর্কে আরও একধাপ এগিয়ে স্পষ্ট অবস্থান নেন লেখক মনোজ মুনতাশির। তিনি রহমানের বক্তব্যকে সরাসরি খারিজ করে জানান, বলিউডে ধর্মভিত্তিক বৈষম্যের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তাঁর যুক্তি, দেশের সবচেয়ে বড় তিন সুপারস্টার- সালমান খান, শাহরুখ খান ও আমির খান- তিনজনই মুসলিম। এছাড়াও জাভেদ আখতার, সাহির লুধিয়ানভি, মাজরুহ সুলতানপুরীর মতো বিশিষ্ট কবি ও লেখকরাও এই ইন্ডাস্ট্রির অঙ্গ।
মনোজ আরও বলেন, যে কোনও হিন্দি ছবির ওপেনিং ও এন্ড ক্রেডিট দেখলেই বোঝা যায়, সেখানে বহু ধর্মের মানুষের অবদান রয়েছে। কোথাও কোনও নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হয় না। তাঁর মতে, ‘পাঠান’ ও ‘জওয়ান’-এর মতো ছবির বিপুল সাফল্যই প্রমাণ করে, দর্শক শিল্পী ও কাজকেই গুরুত্ব দেন, ধর্ম নয়। এই বিতর্কের মাধ্যমে আবারও স্পষ্ট, বলিউডে পরিবর্তন আসছে ঠিকই, তবে তার ব্যাখ্যা নিয়ে মতভেদ তীব্র।
AR Rahman controversy: এ আর রহমানের মন্তব্যে তোলপাড় বলিউড, সাম্প্রদায়িকতার অভিযোগে স্পষ্ট কথা জাভেদ জাফরির
AR Rahman controversy: তাঁর দাবি, গত আট বছরে এই কারণেই, তিনি তুলনামূলকভাবে কম কাজ পেয়েছেন। রহমানের এই মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।
AR Rahman controversy: তাঁর দাবি, গত আট বছরে এই কারণেই, তিনি তুলনামূলকভাবে কম কাজ পেয়েছেন। রহমানের এই মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।
যা বললেন জাভেদ...
বলিউড ও ভারতীয় চলচ্চিত্র জগৎ ক্রমশ সাম্প্রদায়িক হয়ে উঠছে- এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করে, সাম্প্রতিক সময়ে বিতর্কে জড়িয়েছেন সঙ্গীত পরিচালক এ আর রহমান। তাঁর দাবি, গত আট বছরে এই কারণেই, তিনি তুলনামূলকভাবে কম কাজ পেয়েছেন। রহমানের এই মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। ইন্ডাস্ট্রির একাংশ তাঁর বক্তব্যকে সমর্থন করলেও, অনেকে আবার সরাসরি এর বিরোধিতা করেছেন। এবার এই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন অভিনেতা জাভেদ জাফরি।
সংবাদসংস্থা আইএএনএস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জাভেদ বলেন, চলচ্চিত্র শিল্পে পরিবর্তন এসেছে ঠিকই, তবে সেটি শুধুমাত্র ধর্ম বা রাজনীতির কারণে নয়, বরং সময়ের স্বাভাবিক গতির কারণেই। তাঁর কথায়, “যেভাবে গোটা পৃথিবী বদলে যাচ্ছে, প্রযুক্তি এগোচ্ছে, ডিজিটাল মাধ্যম ও এআই আমাদের জীবনে ঢুকে পড়ছে, ঠিক সেভাবেই বদলাচ্ছে বিনোদন জগতও। ফ্যাশন, খাদ্যাভ্যাস, মূল্যবোধ থেকে শুরু করে গল্প বলার ধরন- সবেতেই পরিবর্তন এসেছে।”
তিনি আরও জানান, নতুন প্রজন্মের দর্শকদের মনোযোগ ধরে রাখাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। জাভেদের মতে, জেন জেড বা আলফা প্রজন্মের, মনোযোগের পরিধি মাত্র কয়েক সেকেন্ড। ফলে নির্মাতাদেরও সেই অনুযায়ী কনটেন্ট তৈরি করতে হচ্ছে। এখন আর শুধু শিল্প নয়, ব্যবসার দিকটাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
Snigdhajit Bhowmik: মেদিনীপুরের মেলায় তুলকালাম! উদ্যোক্তার সঙ্গে তুমুল বচসা, মঞ্চ ছেড়ে নেমে গেলেন স্নিগ্ধজিত, দিলেন জবাব
অন্যদিকে, এই বিতর্কে আরও একধাপ এগিয়ে স্পষ্ট অবস্থান নেন লেখক মনোজ মুনতাশির। তিনি রহমানের বক্তব্যকে সরাসরি খারিজ করে জানান, বলিউডে ধর্মভিত্তিক বৈষম্যের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তাঁর যুক্তি, দেশের সবচেয়ে বড় তিন সুপারস্টার- সালমান খান, শাহরুখ খান ও আমির খান- তিনজনই মুসলিম। এছাড়াও জাভেদ আখতার, সাহির লুধিয়ানভি, মাজরুহ সুলতানপুরীর মতো বিশিষ্ট কবি ও লেখকরাও এই ইন্ডাস্ট্রির অঙ্গ।
মনোজ আরও বলেন, যে কোনও হিন্দি ছবির ওপেনিং ও এন্ড ক্রেডিট দেখলেই বোঝা যায়, সেখানে বহু ধর্মের মানুষের অবদান রয়েছে। কোথাও কোনও নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হয় না। তাঁর মতে, ‘পাঠান’ ও ‘জওয়ান’-এর মতো ছবির বিপুল সাফল্যই প্রমাণ করে, দর্শক শিল্পী ও কাজকেই গুরুত্ব দেন, ধর্ম নয়। এই বিতর্কের মাধ্যমে আবারও স্পষ্ট, বলিউডে পরিবর্তন আসছে ঠিকই, তবে তার ব্যাখ্যা নিয়ে মতভেদ তীব্র।