/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/19/arrahman-2026-01-19-21-11-47.jpg)
কী বলছেন তসলিমা...
বলিউডে সাম্প্রদায়িক পক্ষপাতিত্বের কারণে কাজ হারানোর অভিযোগ করে, সঙ্গীত মহলে আলোড়ন তুলেছেন অস্কারজয়ী সুরকার এ আর রহমান। যদিও পরে তিনি স্পষ্ট করেছিলেন, যে কারও অনুভূতিতে আঘাত করা তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না। তবুও সোশ্যাল মিডিয়ায় এ নিয়ে তীব্র আলোচনা শুরু হয়। লেখক তসলিমা নাসরিন তাঁর বক্তব্যের বিরোধিতা করে, নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে দাবি করেন- “বিখ্যাতদের কোনও সমস্যায় পড়তে হয় না, সমস্যায় পড়েন সাধারণ মানুষ।”
তসলিমার পাল্টা বক্তব্য: ‘ধনীরা কখনো সমস্যায় পড়ে না’
নিজের এক্স পোস্টে তসলিমা লেখেন- “এ আর রহমান একজন মুসলিম এবং ভারতে অত্যন্ত বিখ্যাত। তাঁর পারিশ্রমিকও সর্বোচ্চ। তাহলে তিনি কেন অভিযোগ করছেন যে মুসলিম হওয়ার কারণে কাজ পাচ্ছেন না?” তিনি শাহরুখ খান, সালমান খান, আমির খান, জাভেদ আখতার, শাবানা আজমির উদাহরণ দিয়ে বলেন- “বিখ্যাত ও ধনীরা কখনো বিপদে পড়ে না। সমস্যায় পড়ে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে আমার মতো মানুষ যাদের নাম শুনেই ধর্ম ধরে নেওয়া হয়।”
Rupanjana Mitra: কেন বিজেপি ছাড়লেন রুপাঞ্জনা? অভিনেত্রী বললেন, 'ভেতরে ঢুকেই বুঝতে পারলাম...'
নিজের অভিজ্ঞতার বেদনাও শোনালেন তসলিমা
তসলিমা নিজের সংগ্রামের কথা বলতে গিয়ে লেখেন- “আমি নাস্তিক হলেও আমার নামের কারণে আমাকে মুসলিম ধরে নেওয়া হয়। কেউ ফ্ল্যাট দেয় না, হাসপাতালে প্রতারণা করা হয়, হায়দরাবাদে হামলা, পশ্চিমবঙ্গ থেকে নির্বাসন- এসব আমার জীবনের অংশ।” তিনি আরও লিখেছেন- “এই সমস্যাগুলো রহমানের জীবনে নেই, কারণ তিনি সুপারস্টার। খ্যাতি মানুষকে রক্ষা করে, সাধারণ মানুষকে নয়।”
রহমানের বিতর্কিত মন্তব্য: ‘সম্ভবত সাম্প্রদায়িক কিছু…’
বিতর্কের সূচনা হয় যখন বিবিসি এশিয়ান নেটওয়ার্কে রহমান বলেন-
"গত আট বছরে কম কাজ পেয়েছি। হয়তো বিষয়টি আমার কাছে লুকোনো হয়। হতে পারে এটা কোনও ক্ষমতার বদলের ফল… বা হয়তো সাম্প্রদায়িক কিছু।” তিনি আরও যুক্ত করেন- “অনেকে আমাকে বলে, তোমাকে সাইন করা হয়েছিল, কিন্তু পরে অন্য সুরকারদের নেওয়া হয়েছে। আমি এসব নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করতে চাই না। কাজ আমার কাছে নিজে থেকে আসুক।”
Riddhi Sen: 'ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না', স্বরূপ বিশ্বাসকে সোজাসুজি আক্রমণ ঋদ্ধির?
রহমানের ব্যাখ্যা: ‘আমি কাউকে কষ্ট দিতে চাইনি’
পরদিনই ইনস্টাগ্রামে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন তিনি- “ভারত আমার অনুপ্রেরণা ও আমার ঘর। আমার উদ্দেশ্য, সবসময় সংগীতের মাধ্যমে সেবা করা। আমি কাউকে আঘাত করতে চাই না।”
তিনি নিজের বিভিন্ন উদ্যোগ - তরুণ শিল্পীদের গাইড করা, ভার্চুয়াল ব্যান্ড তৈরি, ‘রামায়ণ’-এর সংগীতে কাজ - এসব উদাহরণ দিয়ে জানান যে তিনি ভারতের বহুসংস্কৃতির পরিবেশকে সম্মান করেন।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us