Oscars 2025: অস্কারের দৌড়ে অরণ্য সহায়ের ‘হিউম্যানস ইন দ্য লুপ’, পেল বিরাট সম্মান

ফিল্মটি ভারতের এক গ্রামীণ ডেটা-অ্যানোটেশন সেন্টারে কাজ করা এক আদিবাসী নারীর জীবনের গল্প তুলে ধরে। ছবির মূল আলোচ্য বিষয়- মেশিন লার্নিংয়ের নৈতিকতা, অ্যালগরিদমিক বৈষম্য এবং মানবিক অভিজ্ঞতার গুরুত্ব।

ফিল্মটি ভারতের এক গ্রামীণ ডেটা-অ্যানোটেশন সেন্টারে কাজ করা এক আদিবাসী নারীর জীবনের গল্প তুলে ধরে। ছবির মূল আলোচ্য বিষয়- মেশিন লার্নিংয়ের নৈতিকতা, অ্যালগরিদমিক বৈষম্য এবং মানবিক অভিজ্ঞতার গুরুত্ব।

author-image
IE Bangla Entertainment Desk
New Update
oscar

অস্কার দৌড়ে এই ছবি...

Oscars 2025: অরণ্য সহায়ের অভিনীত "হিউম্যানস ইন দ্য লুপ" ছবিটি এক নতুন সাফল্যের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে। যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তির পর ছবিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ৯৮তম একাডেমি পুরস্কারে সেরা মৌলিক চিত্রনাট্য বিভাগে প্রতিযোগিতার যোগ্যতা অর্জন করেছে। একই সঙ্গে এটিকে প্রদান করা হয়েছে সম্মানজনক ফিল্ম ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্লোয়ান ডিস্ট্রিবিউশন গ্রান্ট... বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে কেন্দ্র করে নির্মিত আখ্যানমূলক ছবিগুলিকে বৃহত্তর দর্শকের কাছে পৌঁছাতে সহায়তা করে।

Advertisment

ফিল্মটি ভারতের এক গ্রামীণ ডেটা-অ্যানোটেশন সেন্টারে কাজ করা এক আদিবাসী নারীর জীবনের গল্প তুলে ধরে। ছবির মূল আলোচ্য বিষয়- মেশিন লার্নিংয়ের নৈতিকতা, অ্যালগরিদমিক বৈষম্য এবং মানবিক অভিজ্ঞতার গুরুত্ব। আধুনিক প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের সময়ে দাঁড়িয়ে এই গল্প সকলকে মনে করিয়ে দেয়, প্রযুক্তির ভিতরেও মানুষের হৃদস্পন্দন থাকে- যা প্রায়ই চোখের আড়ালে থেকে যায়।

তিন নম্বর বিয়েও টিকল না! শান্তিপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছেন অভিনেত্রী...?

পরিচালক অরণ্য সহায় এক বিবৃতিতে বলেন, “আমরা এমন এক সময়ে আছি যখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আমাদের ভবিষ্যৎকে নির্ধারণ করছে। তাই আমাদের দায়িত্ব, কেমন প্রযুক্তি আমরা তৈরি করছি এবং সেটা মানবজীবনে কী প্রভাব ফেলছে তা সচেতনভাবে ভাবা। স্লোয়ান ফাউন্ডেশনের সমর্থন আমাদের সেই আলোচনাকে আরও বিস্তৃত করতে সাহায্য করছে।”

Advertisment

প্রযোজক মাথিভানন রাজেন্দ্রন জানান, “'হিউম্যানস ইন দ্য লুপ' এবং 'মিউজিয়াম অফ ইমাজিনড ফিউচারস' -দুটি প্রকল্পেই আমরা প্রযুক্তি-নির্ভর গল্প বলার, নতুন দিগন্ত উন্মোচন করার চেষ্টা করছি। অস্কার দৌড়ে ছবিটির প্রবেশ প্রমাণ করে যে সৃজনশীলরা প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর ও তাৎপর্যপূর্ণ ভাবনা উপস্থাপন করতে পারে।”

গত দুই দশকে স্লোয়ান ফিল্ম প্রোগ্রাম ৮৫০টিরও বেশি চলচ্চিত্র ও চিত্রনাট্যকে নিজেদের আয়ত্বে এনেছে। যার মধ্যে রয়েছে “ইমিটেশন গেম”, “হিডেন ফিগারস”, “দ্য ম্যান হু নিউ ইনফিনিটি”, এমনকি “ওপেনহাইমার”- এর মতো গুরুত্বপূর্ণ চলচ্চিত্র। এই অনুদানের ফলে অরণ্য সহায় ও মাথিভানন রাজেন্দ্রন আনুষ্ঠানিকভাবে ফিল্ম ইন্ডিপেন্ডেন্ট ফেলো হলেন।

ফিল্ম ইন্ডিপেন্ডেন্টের ফিকশন প্রোগ্রামের সহযোগী পরিচালক ডিয়া ভাজকেজ বলেন, “চলচ্চিত্রটির শক্তিশালী মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং এআই-এর ভূমিকা অনুসন্ধানের গভীরতা স্লোয়ান অনুদানের উদ্দেশ্যকে অসাধারণভাবে পূরণ করে।”
 

Entertainment News Today oscar 2025