/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/28/arijit1-2026-01-28-17-37-08.jpg)
চেনেন অরিজিতের এই ভার্সনকে?
প্রতি বছর ডজনের পর ডজন গান গেয়ে বলিউডের সঙ্গীত জগতে রাজত্ব করার বদলে এবার এক নতুন পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অরিজিৎ সিং। মঙ্গলবার হঠাৎই তিনি ঘোষণা করেন, আর কোনও নতুন প্লেব্যাক গানের দায়িত্ব নেবেন না। এই খবরে হতবাক হয়ে যান ভক্তরা। তবে অরিজিতের স্পষ্ট বার্তা, “তোমরা আমার ভক্ত নও, তোমরা আমার শ্রোতা- আমার বড় পরিবারের অংশ।” এই দর্শনই তাঁর জীবন ও সঙ্গীতচর্চার মূল চালিকাশক্তি।
ভারতের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত গায়কদের অন্যতম হয়েও, অরিজিৎ বরাবরই বিনয়ী জীবনযাপনে বিশ্বাসী। লাইভমিন্টের তথ্য অনুযায়ী, তাঁর আনুমানিক মোট সম্পদ প্রায় ৪১৪ কোটি টাকা, এবং বার্ষিক আয় ৭০ কোটি টাকা পর্যন্ত পৌঁছায়। নবি মুম্বাইতে ৮ কোটি টাকার বাড়ি এবং রেঞ্জ রোভার ও মার্সিডিজসহ প্রায় ৩.৪ কোটি টাকার গাড়ির সংগ্রহ থাকলেও, তাঁর জীবনযাত্রা অত্যন্ত সাধারণ। তিনি পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জে নিজের গ্রামের বাড়িতেই থাকেন। এ আর রহমান এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “তিনি একজন নির্জনবাসী, নিজের গ্রাম থেকেই কাজ করেন- এটা সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক।”
Ajith Pawar Death: অজিত পাওয়ারের অকাল প্রয়াণে রাজনীতি ও বিনোদন জগতে শোকের ছায়া
প্লেব্যাক গান থেকে তাঁর আয়ের পরিমাণ বিপুল। প্রতি গানের জন্য তিনি নেন ৮ থেকে ১০ লক্ষ টাকা। গত ১৫ বছরে তিনি ৩০০-র বেশি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। তাছাড়া লাইভ কনসার্ট তাঁর আয়ের বড় উৎস। জানা যায়, দুই ঘণ্টার কনসার্টের জন্য তিনি ১৪ কোটি টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক নেন। পাশাপাশি কোকা-কোলা, স্যামসাংয়ের মতো ব্র্যান্ড এনডোর্সমেন্ট থেকেও আসে বড় অঙ্কের অর্থ।
এই বিপুল সাফল্যের মাঝেও অরিজিৎ সমাজের জন্য কাজ করতে ভোলেননি। তাঁর ‘তত্ত্বমাসি ফাউন্ডেশন’ শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশের উন্নয়নে কাজ করে। তিনি বলেন, “আমি চাই অন্যদের জন্য অর্থ উপার্জন করতে, সেই অর্থ স্পর্শ না করেই। ছোট ছোট হাসপাতাল তৈরি করে জরুরি পরিষেবা দিতে চাই।”
Hiraan Chatterjee: 'না খেলাম, না আঁচালাম..', হিরণের দ্বিতীয় বিয়েকে ডোন্ট কেয়ার চিরঞ্জিতের
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে অরিজিত জানান, তিনি তাঁর মিউজিক লেবেল ‘ওরিয়ন মিউজিক’-এ মনোযোগ দেবেন, যেখানে সুর, প্রযোজনা ও নতুন শিল্পীদের সুযোগ করে দেবেন। তাঁর কথায়, “আমি একজন প্রকাশক হতে চেয়েছিলাম। ভালো সঙ্গীত খুঁজে এনে একটি সংস্কৃতি তৈরি করাই আমার লক্ষ্য।” পাশাপাশি তিনি একটি সঙ্গীত স্কুল খোলার স্বপ্নও দেখছেন, যেখানে সঙ্গীতের সঙ্গে খেলাধুলার সমন্বয় থাকবে। প্লেব্যাক গান থেকে অবসর নিলেও, অরিজিৎ সিং যে সঙ্গীতের পথ ছাড়ছেন না, তা স্পষ্ট- বরং এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করলেন তিনি।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us