/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/29/anurag-basu-arijit-singh-2026-01-29-20-35-21.jpg)
কী বলছেন অনুরাগ...
সংগীত পরিচালক প্রীতম, পরিচালক অনুরাগ বসু এবং গায়ক অরিজিৎ সিং- এই তিন নাম একসঙ্গে মানেই শ্রোতাদের জন্য নিশ্চিত সংগীতের ম্যাজিক। বিশেষ করে অনুরাগ বসুর ছবিতে প্রীতমের সুরে অরিজিতের কণ্ঠ বহুবার সৃষ্টি করেছে চার্টবাস্টার গান। ‘বরফি’, ‘জগ্গা জাসুস’, ‘লাইফ ইন আ মেট্রো’ কিংবা ‘লুডো’- প্রতিটি ছবিতেই এই ত্রয়ীর কাজ আজও দর্শকের মনে গেঁথে রয়েছে।
তবে সম্প্রতি অরিজিৎ সিং, প্লেব্যাক গান থেকে অবসর নেওয়ার ঘোষণা করতেই, সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে জল্পনা। ভক্তদের একাংশ মনে করছেন, এবার হয়তো অরিজিৎ ক্যামেরার পিছনে কাজ করতে পারেন, এমনকি সিনে পরিচালনায়ও পা রাখতে পারেন। রেডিট ও অন্যান্য সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে এই সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে।
Arijit Singh: অরিজিৎ সিংয়ের অবসর ঘোষণার মাঝে ফের সামনে এল এ আর রহমানের মন্তব্য
পরিচালনায় আগ্রহ? অনুরাগ বসুর ইঙ্গিত
বিবিসি হিন্দিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অনুরাগ বসু জানান, অরিজিতের এই সিদ্ধান্তে তিনি মোটেও অবাক নন। বরং বহুদিন ধরেই গায়কের মধ্যে ক্যামেরার আড়ালে কাজ করার আগ্রহ লক্ষ্য করেছেন। তিনি বলেন, “অরিজিৎ সিংয়ের সিদ্ধান্তে, সবাই হতবাক হলেও আমি একেবারেই অবাক হইনি। আমি ওকে দীর্ঘদিন ধরে চিনি। ও অসম্ভব প্রতিভাবান এবং গান ছাড়াও আরও অনেক কিছু করতে চায়।”
‘বরফি’ ছবির সেটের একটি স্মৃতিচারণ করে অনুরাগ জানান, “একদিন অরিজিৎ আমাকে বলেছিল, ও নাকি আমার সহকারী হিসেবে কাজ করতে চায়! ক্যামেরার পিছনের দিকটা ও খুব মন দিয়ে দেখত।”
Arijit Singh: স্টার হওয়ার আগে অরিজিতের কঠিন লড়াই, আফসোস-অনুতাপে কেঁদেছিলেন গায়ক
কেন এই বড় সিদ্ধান্ত? অরিজিতের খোলামেলা স্বীকারোক্তি
নিজের এক্স ( টুইটার) অ্যাকাউন্টে অবসরের ঘোষণা দিয়ে অরিজিৎ লেখেন, “এটা কোনও আবেগপ্রবণ সিদ্ধান্ত নয়। এর পিছনে অনেক কারণ রয়েছে। আমি বহুদিন ধরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করছিলাম। অবশেষে সাহস সঞ্চয় করতে পেরেছি।” তিনি আরও বলেন, “আমি খুব তাড়াতাড়ি বিরক্ত হয়ে পড়ি। একই ধাঁচের গান গেয়ে আমি ক্লান্ত। বেঁচে থাকার জন্য আমাকে অন্য কিছু সংগীত করতে হবে।”
নতুনদের জন্য জায়গা করে দেওয়ার ইচ্ছে
অরিজিতের মতে, তাঁর এই সিদ্ধান্ত শুধুই ব্যক্তিগত নয়, বরং ভবিষ্যতের শিল্পীদের জন্য জায়গা তৈরি করাও এর অন্যতম উদ্দেশ্য। তিনি বলেন, “কিছু নতুন কণ্ঠস্বর আমাকে ভীষণ অনুপ্রাণিত করেছে। আমি চাই, তারা সামনে আসুক।”
এই মুহূর্তে অনুরাগ–প্রীতম–অরিজিতের সেই স্বর্ণালী যুগের পুনরাবৃত্তি আদৌ হবে কি না, তা সময়ই বলবে। তবে শ্রোতাদের হৃদয়ে তাঁদের সৃষ্টি করা সংগীতের জাদু চিরকাল অমলিন থাকবে।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us