/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/14/cats-2025-11-14-17-14-47.jpg)
জীবনের কঠিন লড়াই নিয়ে মুখ খুললেন অর্জুন
Arjun Kapoor Losing 50 Kilos: অর্জুন কাপুর সবসময়ই তাঁর স্থূলতা, মানসিক স্বাস্থ্যজনিত সমস্যা যার মধ্যে রয়েছে মাইল্ড ডিপ্রেশন ও Hashimoto-র মতো রোগ নিয়ে খোলাখুলি কথা বলেছেন। ২০১২ সালে অর্জুনের মা মোনা কাপুরের মৃত্যুতে যে মারাত্মক পরিণতি হয়েছিল তা বহুবার প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন। এবার মুম্বইয়ে এফআইসিসি ইয়ং লিডার্স সামিটে অংশ নিয়ে অর্জুন তাঁর মানসিক স্বাস্থ্য, থেরাপির মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে কথা বলেন। একইসঙ্গে খ্যাতির চাপ নিয়েও মুখ কোলেন অর্জুন।
ফ্রি প্রেস জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোভিডের সময় জীবনের সবচেয়ে কঠিন মুহূর্তগুলোর স্মৃতিচারণ করে বলেছেন, 'কোভিড আমাকে জীবনকে উপলব্ধি করার একটা সুযোগ দিয়েছিল। আমি থেরাপি শুরু করি কারণ বুঝেছিলাম একটানা দশ বছর আমি নিজের কোনও যত্ন নিইনি। আপনি ভাবেন তারকা পরিবারের সদস্য মানেই তাঁর কোনও সাহায্যের দরকার নেই। কিন্তু সবচেয়ে শক্তিশালী মানুষও অনেক সময় অন্তর থেকে ভেঙে পড়তে পারে।'
অভিনেতা জানান, তাঁর মা মোনা শৌরি কাপুরের মৃত্যুশোক থেকে বাঁচতে নিজেকে কাজের মধ্যে নিমজ্জিত রেখেছিলেন। অর্জুনের কথায়, 'আমার মা ২০১২ সালের মার্চ মাসে মারা যান আর আমার প্রথম ছবি মুক্তি পায় মাত্র ৪৫ দিন পরে। আমি একসঙ্গে শোক পালন এবং সাফল্য উদ্যাপন করছিলাম। রাতারাতি তারকা হয়ে গেলেও আমি আসলে যন্ত্রণা থেকে পালাচ্ছিলাম।'
আরও পড়ুন 'হাসিখুশি থেকো আর সবসময় খুঁজে...', মালইকার উদ্দেশ্যে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট অর্জুনের!
স্থূলতা নিয়ে নিজের লড়াই প্রসঙ্গে অর্জুনের সংযোজন, '৫০ কেজি ওজন কমাতে আমার চার বছর সময় লেগেছে। শারীরিক লড়াইয়ের পাশাপাশি এটা ছিল মানসিক যুদ্ধ-ও। আমি ভাগ্যবান যে আমার মায়ের সমর্থন ছিল কিন্তু অনেকেরই সেই মানসিক বা আর্থিক সহায়তা থাকে না। আপনি যখন ২৫ বছরে মেরুদণ্ড হারান (মাকে হারানো) তখন পৃথিবী আর কী-ই বা করতে পারে? আমি যথেষ্ট ঝড়ঝাপটা সামলেছি। তাই এখন আমি যে কোনও কিছু সামলাতে পারি।'
আরও পড়ুন 'হোমবাউন্ড'-র প্রিমিয়ারে প্রাক্তন প্রেমিকযুগলের পুনর্মিলন! অর্জুন-মালাইকার উষ্ণ আলিঙ্গন আর...
অর্জুন এই যুবসমাজকে মানসিক স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দেওয়ার এবং দ্বিধাহীনভাবে থেরাপি নেওয়ার আহ্বান জানান। অভিনেতার পরামর্শ, 'দুর্বল হওয়ার মধ্যে কোনও অন্যায় নেই। সবচেয়ে শক্তিশালী মানুষ সে-ই যে নিজের অনুভূতি স্বীকার করতে পারে। খোলাখুলি কথা বললে বুঝতে পারবেন আপনি কতটা বুদ্ধিমান ও সংবেদনশীল। শুধু একটা ‘আউটলেট’ দরকার—আর থেরাপি সেটা দেয়। আমি চাই মানুষ এ নিয়ে কথা বলতে নিরাপদ বোধ করুক। চারপাশে অনেক প্রতিকূল পরিস্থিতি রয়েছে কিন্তু নিজের ভাল নিজেকেই বুঝতে হবে। নিজের দুর্বলতা যেন অন্য কেউ বুঝতে না পারে।'
আরও পড়ুন সইফের উপর হামলার পরই বড় বিপদ অর্জুনেরও, কেমন আছেন মালাইকার প্রাক্তন?
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us