/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/29/sameer-wankhedee-2026-01-29-13-06-28.jpg)
যা বললেন সমীর...
দিল্লি হাইকোর্ট শাহরুখ খানের ছেলে, আরিয়ান খানের বিরুদ্ধে, ইন্ডিয়ান রেভিনিউ সার্ভিস (আইআরএস) অফিসার সমীর ওয়াংখেড়ের দায়ের করা মানহানির মামলা, খারিজ করে দিয়েছে। আদালত জানিয়েছে, এই মামলাটি শোনার এখতিয়ার তাদের নেই। ফলে উপযুক্ত আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে মামলাটি ফেরত পাঠানো হয়েছে।
বার অ্যান্ড বেঞ্চ-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, বিচারপতি পুরুষেন্দ্রকুমার কৌরব রায় ঘোষণা করে বলেন, “এই আদালতের কাছে মামলাটি শোনার কোনও এখতিয়ার নেই। সুতরাং বাদীকে উপযুক্ত আদালতে যাওয়ার জন্য মামলা ফেরত দেওয়া হলো। যদি কোনও আবেদন থাকে, সেটিও খারিজ বলে গণ্য হবে।”
Arijit Singh: ৪০ টাকার খাবারের রেস্তোরাঁ ‘হেশেল’, অরিজিতের মানবিক দিক দেখার মত...
এই মামলার সূত্রপাত ২০২১ সালের বহুচর্চিত মুম্বই ক্রুজ মাদক মামলাকে ঘিরে। সেই সময় নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি)-র মুম্বই জোনাল ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন সমীর ওয়াংখেড়ে। এক মাদকবিরোধী অভিযানে তিনি আরিয়ান খানকে গ্রেপ্তার করেন এবং নারকোটিক ড্রাগস অ্যান্ড সাইকোট্রপিক সাবস্ট্যান্সেস অ্যাক্ট (এনডিপিএস অ্যাক্ট)-এর আওতায় মামলা দায়ের হয়।
গ্রেপ্তারের পর প্রায় ২৫ দিন মুম্বইয়ের আর্থার রোড জেলে বন্দি ছিলেন আরিয়ান। একাধিকবার জামিনের আবেদন খারিজ হওয়ার পর, অবশেষে অক্টোবর ২০২১-এ বম্বে হাইকোর্টের নির্দেশে তিনি জামিন পান। পরে মামলাটি নিয়ে নানা বিতর্ক ও রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও দেখা যায়।
Bharti Singh: দ্বিতীয় সন্তানের নাম প্রকাশ করলেন ভারতী-হর্ষ, ছোট্ট ছেলেকে কেমন দেখতে?
এই ঘটনার প্রেক্ষিতেই সমীর ওয়াংখেড়ে দিল্লি হাইকোর্টে, আরিয়ান খানের বিরুদ্ধে ২ কোটি টাকার মানহানির মামলা দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্ট প্রযোজিত এবং নেটফ্লিক্সে সম্প্রচারিত একটি ওয়েব সিরিজে তাঁকে ইঙ্গিত করে বিদ্বেষপূর্ণ ও মানহানিকরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
ওয়াংখেড়ের দাবি, “এই সিরিজে আমার আদলে একটি চরিত্র দেখিয়ে আমাকে উপহাস করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বিদ্বেষপূর্ণ এবং মানহানিকর। এর ফলে আমার ব্যক্তিগত ও পেশাদার ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।” তাঁর আরও অভিযোগ, এই চিত্রায়ণ আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলির নেতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি করে, যার ফলে জনসাধারণের আস্থা ক্ষুণ্ণ হয়।
তবে দিল্লি হাইকোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, মামলাটি শোনার এখতিয়ার তাদের নেই। ফলে আইনি লড়াইয়ের এই অধ্যায় আপাতত থামলেও, উপযুক্ত আদালতে নতুন করে মামলা দায়ের করার পথ খোলা থাকছে ওয়াংখেড়ের জন্য।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us