/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/11/asha-2025-12-11-19-53-00.png)
কী বলেছিলেন তাঁদের বাবা?
কষ্ট করলে নাকি কেষ্ট মেলে যুগ যুগ ধরে এমন বাণী-ই সর্বত্র শোনা যায়। মানুষ পরিশ্রম না করলে তাঁর ঝুলিতে কোনও সাফল্যই আসে না। ভাগ্যের সঙ্গে সঙ্গে দরকার অক্লান্ত পরিশ্রম। ঠিক যেমন, কিংবদন্তি শিল্পী লতা মঙ্গেশকর এবং আশা ভোঁসলে। এই দুই লেজেন্ডারি মানুষ কি সহজেই নিজেদের জায়গায় পৌঁছে গিয়েছেন?
সেই নেপথ্যের গল্প বলেছিলেন আশা নিজেই। অত্যন্ত পরিশ্রম, সঙ্গীতের প্রতি অধ্যাবসায় এবং প্যাশন - তাঁদেরকে এই জায়গায় পৌছতে সাহায্য করেছিল। বাবার থেকে উত্তরাধীকার সুত্রে সেভাবে অর্থ-সম্পত্তি না পেলেও তাঁরা পেয়েছিলেন সঙ্গীতের শিক্ষা। তাঁরা যখন খুব ছোট, তাঁদের বাবা মারা যান। তিনি কেবল দিয়ে গিয়েছিলেন একটা তানপুরা। সংসারের হাল ধরতে, লতা-আশাকেই এগিয়ে আসতে হয়েছিল।
Lionel Messi-Shah Rukh Khan: শহরে মেসির আগমনে উন্মাদনা তুঙ্গে, ফুটবল কিংবদন্তিকে সঙ্গ দেবেন শাহরুখ!
আশা বলেন, "বাবা যখন চলে গেলেন তখন আমরা ছোট। দিদি কাজ করতে শুরু করল। আমিও ওর সঙ্গে আসতে আসতে শুরু করলাম কাজ। কিন্তু, পরিশ্রম করলাম খুব। লতা-আশা এভাবেই তৈরি হল। বাবা যদি অনেককিছু দিয়ে যেতেন, তাহলে হয়তো আমরা নিজেদের এই জায়গায় নিয়ে যেতে পারতাম না। অনেক স্টারকিডরা বড় হতে পারে না। বাচ্চারা সব পেয়ে গেলে হয় না। তাঁরা কদর করতে পারে না।"
করণের সঙ্গে সম্পর্ক কেন ভাঙে? গৌরবের প্রেমে পড়তেই কৃতিকার বিচ্ছেদের গল্প ভাইরাল
বাবা কী বলছিলেন লতাকে?
আশার কথায়, "বাবা দিদিকে তানপুরা দিয়ে বলেছিলেন, আমার কাছে এর চেয়ে বেশি কিছু নেই। এটাই আছে। এটা সামলে রাখো। আমাদের সবাইকে উনি তাই বলেছিলেন, গানটা ঠিক করে গাও। আমাদের হয়তো উনি পয়সা দেননি, কিন্তু আমাদের যে সুর এবং সঙ্গীতের শিক্ষা তিনি দিয়েছিলেন, সেটাই আসল।"
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us