/indian-express-bangla/media/media_files/2026/03/01/babul-supriyo-2026-03-01-11-34-04.jpg)
‘কুছ তো লোগ কহেঙ্গে...’ কেন এমন বললেন বাবুল?
আসন্ন রাজ্যসভা নির্বাচনের আগে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সেই তালিকায় অন্যতম চর্চিত নাম গায়ক ও রাজনীতিবিদ বাবুল সুপ্রিয় (Babul Supriyo)। সংগীত জগতে দীর্ঘদিনের সাফল্যের পর রাজনীতির ময়দানেও নিজের আলাদা পরিচয় তৈরি করেছেন তিনি। ফলে রাজ্যসভায় তাঁর মনোনয়ন ঘিরে রাজনৈতিক মহল থেকে সাংস্কৃতিক অঙ্গন সব জায়গাতেই শুরু হয়েছে আলোচনা।
রাজ্যসভা প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পাওয়ার পর নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে আবেগঘন স্মৃতির কথা তুলে ধরেন বাবুল সুপ্রিয়। তিনি বলেন, বিধানসভায় কাটানো দিনগুলো তিনি ভীষণভাবে মিস করবেন। তাঁর কথায়, “বিধানসভায় যখন কোনও অধিবেশন শুরু হতো বা শেষ হতো, তখন প্রায়ই সবাই বলতেন বাবুল একটা গান গাও।” সেই মুহূর্তগুলো তাঁর কাছে ছিল অত্যন্ত আনন্দের।
বাবুল আরও জানান, প্রতি রবিবার বিধানসভায় নিয়ম করে রবীন্দ্রসঙ্গীত গাওয়ার একটি বিশেষ আয়োজন থাকত। সেই সাংস্কৃতিক পরিবেশ তাঁর কাছে খুব প্রিয় ছিল। তিনি বলেন, “ওই মুহূর্তগুলো সত্যিই আমি খুব মিস করব।”
নিজের রাজনৈতিক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। আগে যখন তিনি ভারতীয় জনতা পার্টির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তখন গান গাওয়া নিয়ে বেশ কিছু সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছিল বলে জানান বাবুল। বিদেশে গানের অনুষ্ঠান করা কিংবা কোনও সাক্ষাৎকারে গান গাওয়ার বিষয়েও আপত্তি তোলা হতো। সেই পরিস্থিতিতে তিনি একসময় পদত্যাগ করার সিদ্ধান্তও নিয়েছিলেন। যদিও এখন আর পুরনো বিতর্ক নিয়ে বেশি আলোচনা করতে চান না বলেই জানান তিনি।
বর্তমান রাজনৈতিক জীবনে তিনি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বাবুলের কথায়, মুখ্যমন্ত্রী নিজেও গান ভালোবাসেন, গান লেখেন এবং সংস্কৃতির প্রতি তাঁর গভীর টান রয়েছে। সেই কারণেই শুরু থেকেই তিনি বাবুলকে মন খুলে গান গাওয়ার উৎসাহ দিয়েছেন। এই সমর্থনই তাঁকে নতুনভাবে কাজ করার অনুপ্রেরণা দিয়েছে বলেও জানান তিনি।
আরও পড়ুন: টলিউড থেকে রাজনীতির মঞ্চে কোয়েল, কী বললেন শতাব্দী ও চিরঞ্জিত?
রাজ্যসভা সম্পর্কে বলতে গিয়ে বাবুল সুপ্রিয় বলেন, এটি তাঁর কাছে একেবারেই অচেনা জায়গা নয়। অতীতে তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, তাই সংসদের কাজকর্ম সম্পর্কে তাঁর অভিজ্ঞতা রয়েছে। এবারও সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে মানুষের জন্য কাজ করতে চান তিনি।
আরও পড়ুন: ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি’, একে অপরকে ভালোবাসার কথা বললেন দেব-রুক্মিণী!
বাবুল খানিকটা হালকা মেজাজেই তিনি গেয়ে ওঠেন জনপ্রিয় গান ‘কুছ তো লোগ কহেঙ্গে’–র লাইন। “কুছ তো লোগ কহেঙ্গে, লোগোকা কাম হ্যায় কহেনা।” বাবুলের মতে, সমালোচনা সব সময়ই থাকবে, কিন্তু নিজের কাজ করে যাওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। রাজ্যসভায় নতুন দায়িত্ব পেলে মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য হবে।
আরও পড়ুন: ৮ ঘণ্টা কাজের দাবি ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে, দীপিকা-প্রিয়াঙ্কাই পারেন এমন শর্ত দিতে!
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us