/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/26/ruk-2025-11-26-12-42-12.png)
কে সেই ব্যক্তি?
মেয়ের একটু বয়স বেড়েছে মানেই পাত্রের খোঁজ করা যেন এক বাধ্যতামুলক কাজ। এখানেই শেষ না। বাবা যে এমন কাণ্ড করে বসবেন, যেন কল্পনাই করতে পারেননি অভিনেত্রী। 'পাত্র চাই' এলাকার নানা জায়গায় এই একটাই পোস্টার- মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার জন্য এসবই করছেন বাবা।
কন্যাদায়গ্রস্থ পিতা বলে কথা, চিন্তা তো থাকবেই। তাই বলে, এই কাজ করবেন? মানুষ নিখোঁজ হলে যেভাবে তাঁর পোস্টার টাঙ্গানো হয়, এক্ষেত্রেও ঠিক তেমনটাই দেখা যাচ্ছে। মেয়ের ছবির সঙ্গে লেখা পাত্র চাই। আর এই দৃশ্য চোখে দেখে বেজায় ক্ষেপেছেন অভিনেত্রী। নেহাত বাবা বিয়ে দেবেন তাই বলে, এভাবে পাত্র খুঁজবেন? শেষ কিছুদিন ধরেই, সমাজ মাধ্যমে এই ছবি ভাইরাল। প্রথমে তো তিনি ধরতেই পারেননি যে আসলে কে করছেন এই কাজ!
রক্ষণশীল পরিবারের চাপে সব শেষ! পরপর মৃত্যু, দাম্পত্যে ভাঙন! কত কী যে সহ্য করলেন অভিনেত্রী..
কিন্তু, এবার হাতে নাতে ধরেছেন সেই ব্যক্তিকে। যে নিজের মুখ ঢেকে তাঁর পাত্র চাই পোস্টার লাগিয়ে বেড়াচ্ছেন। তিনি আর কেউ না। যেই হাতে নাতে ধরলেন তাঁকে, মুখ দেখার চেষ্টা করতেই জানতে পারলেন তিনি আর কেউ না তাঁর বাবা। আর এই ঘটনার সঙ্গে জড়িয়েছেন যিনি তিনি রুক্মিণী মৈত্র। আর তাঁকে পাত্রস্থ করার চেষ্টায় মগ্ন যিনি তিনি চিরঞ্জিত চক্রবর্তী।
রুক্মিণীকে বলতে শোনা গেল, "কী ধরণের অসভ্যতামি এগুলো? এগুলোর কোনও মানে আছে? সারা শহর আমায় বলছে। সবাই আমায় জিজ্ঞেস করছে! কতগুলো ফোন এসেছে জানো?" এমনকি নিজের আসল নাম শ্রী দীপক চক্রবর্তী নামেই খোঁজ করছেন মেয়ের পাত্রর। এতটাই চটেছেন রুক্মিণী যে নিজে হাতেই সেই পোস্টার ছিঁড়তে তৎপর। আসলে, সামনে রিলিজ হাঁটি হাঁটি পা পা ছবির। সেই ছবিতে বাবা-মেয়ের ভূমিকায় অভিনয় করছেন রুক্মিণী-চিরঞ্জিত।
প্রসঙ্গে, যেদিন থেকে দেবের নজরে এই পোস্টার পড়েছে, সেদিন থেকে তিনিও খোরাক করতে ব্যস্ত। দেব বলছেন তুমি খুঁজে পেলে জানিও। ঈশ্বর ওর মঙ্গল করুণ।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us