/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/23/border-2-border-2-movie-border-2-movie-review-border-2-movie-review-1600-2026-01-23-20-05-59.jpg)
পড়ুন রিভিউ...
জে.পি. দত্তের কালজয়ী ১৯৯৭ সালের ছবি বর্ডার, শুধুমাত্র একটি যুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র নয়, বরং ভারতীয় দর্শকের আবেগ, দেশপ্রেম ও স্মৃতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে থাকা এক অনন্য অভিজ্ঞতা। প্রায় তিন দশক পর তার সিক্যুয়াল, বর্ডার ২ সেই আবেগ ও উত্তরাধিকার বহন করার কঠিন দায়িত্ব, কাঁধে নিয়েই প্রেক্ষাগৃহে এসেছে। স্বাভাবিকভাবেই প্রত্যাশা ছিল আকাশছোঁয়া।
এই ছবিটি মূল ছবির আত্মাকে ধরে রেখে আরও বড় ক্যানভাসে যুদ্ধের ব্যাপ্তি ও গভীরতা তুলে ধরেছে। স্থল, আকাশ ও জল- তিন ক্ষেত্রেই সংঘর্ষের চিত্রায়ণ দর্শককে এক অনন্য অভিজ্ঞতার মুখোমুখি করে। পরিচালনায় অনুরাগ সিং যথেষ্ট সংযম ও সংবেদনশীলতার পরিচয় দিয়েছেন, যাতে দেশপ্রেম উগ্রতায় পরিণত না হয়, বরং মানবিক আবেগে মিশে যায়।
অভিনয়ে সানি দেওল আবারও প্রমাণ করেছেন কেন তিনি এই ঘরানার ছবির অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাঁর উপস্থিতি মানেই শক্তি, আবেগ ও দৃঢ়তা। বরুণ ধাওয়ান, দিলজিৎ দোসাঞ্জ এবং আহান শেঠি- তিনজনেই নিজেদের মতো করে চরিত্রে মানিয়ে নিয়েছেন। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য দিলজিৎ দোসাঞ্জের অভিনয়, যিনি পাইলটের ভূমিকায় দৃঢ়তা ও সংবেদনশীলতার সুন্দর মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন।
চিত্রনাট্যের অন্যতম শক্তিশালী দিক হল সৈনিকদের ব্যক্তিগত জীবনের পরিসর। তাঁদের পরিবার, গ্রাম, ভালোবাসা, অপেক্ষা এবং অনিশ্চয়তার মুহূর্তগুলো যুদ্ধের নির্মম বাস্তবতাকে আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফ্ল্যাশব্যাক দৃশ্যে, প্রশিক্ষণকালীন বন্ধুত্বের গল্প ছবির আবেগী গভীরতা বাড়িয়েছে। মহিলা চরিত্ররা তুলনামূলকভাবে কম স্ক্রিন টাইম পেলেও নিজেদের উপস্থিতি ছাপিয়ে গেছেন।
Kajol in Burdwan: কাজলের মুখেও মমতার স্লোগান, হইচই বর্ধমানে
অবশ্যই কিছু জায়গায় ছবির দৈর্ঘ্য অত্যধিক অনুভূত হতে পারে এবং কয়েকটি দৃশ্য আরও সংক্ষিপ্ত করা যেত। তবুও আবেগ, অ্যাকশন ও দেশপ্রেমের ভারসাম্য বজায় রেখে বর্ডার ২ দর্শককে শেষ পর্যন্ত টেনে রাখে। ক্লাইম্যাক্সে সানি দেওলের আইকনিক প্রত্যাবর্তন নস্টালজিয়াকে নতুন মাত্রা দেয়।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us