/indian-express-bangla/media/post_attachments/wp-content/uploads/2024/08/ritu.jpg)
কী বলছেন ঋতুপর্ণা?
'উনার মত মানুষরা এই দুনিয়ায় বিরল, বরাবরই তিনি আমাদের সমাজকে উর্বর করেছেন।' প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের প্রয়াণে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। আজও মনে করছেন সেই সব দিনের কথা যেদিন খুব কাছ থেকে বুদ্ধবাবুকে দেখার সুযোগ হয়েছিল তার।
প্রায় এগারো বছর পশ্চিমবাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন তিনি। জ্যোতিবাবুর উত্তরসূরী হিসেবে দেশের কাছে রাজ্যের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন দক্ষতার সঙ্গে। কিন্তু ঋতুপর্ণার সঙ্গে তার স্নেহের সম্পর্ক ছিল। তাই আজ যখন পাম এভিনিউর বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন তিনি, তখনই ইতিহাসের পাতা ঘেঁটে ঋতুপর্ণা জানালেন নানা গল্প।
প্রথমেই অভিনেত্রী বলেন এসব খুব দুঃখজনক ঘটনা। একজন স্তম্ভ চলে গেলেন। অনেকদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। আমি গেছিলাম একদিন হাসপাতালে দেখতে। মনে পড়ছে ওই দিনটা যেদিন, উনি এবং তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু এসেছিলেন আমার বিয়েতে। আশীর্বাদ করে গিয়েছিলেন। আসলে এইসব মানুষরা পৃথিবীতে বেশ বিরল। তাদের ত্যাগ, মানসিকতা এবং আদর্শ খুব উঁচু মানের।"
বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর আদর্শ নিয়ে কথা বলতে গেলে নেহাতই কম বলা হয়। তাইতো ঋতুপর্ণা বললেন, "তার শিক্ষা আমাদের সমাজকে উর্বর করেছে। একজন বিরাট মাপের রাজনৈতিক নেতা তো বটেই, পাশাপাশি একজন অসাধারণ মানুষ। তিনি চলে গেছেন কিন্তু আমাদের জন্য যা রেখে গেছেন, সেই অবদান অনস্বীকার্য।"
উল্লেখ্য আগামীকাল শহর জুড়ে মন্ত্রী কে নিয়ে নানান পদযাত্রা এবং সভার আয়োজন করা হয়েছে। তাকে গান স্যালুটে বিদায় জানানো হবে এমনটাই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিকেল চারটে নীলরতন সরকার মেডিকেল কলেজে তাঁর মরণোত্তর দেহদান করা হবে।