/indian-express-bangla/media/media_files/2026/02/23/rajpal-yadav-news-case-financial-crisis-bail-2026-02-23-20-39-31.jpg)
যা বললেন তিনি...
২০১২ সালের একটি আর্থিক মামলায়, তিহার জেলে আত্মসমর্পণের পর থেকেই অভিনেতা রাজপাল যাদব ফের শিরোনামে। আদালতে তিনি দাবি করেছিলেন, বকেয়া অর্থ পরিশোধের মতো তহবিল তাঁর কাছে নেই। প্রায় দু’সপ্তাহ কারাবাসের পর ১.৫ কোটি টাকা জমা দেওয়ার ভিত্তিতে ১৮ মার্চ পর্যন্ত তাঁকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেওয়া হয়। বিরোধের সূত্রপাত তাঁর প্রথম পরিচালিত ছবি আতা পাতা লাপাতা ঘিরে। ব্যবসায়ী মাধব গোপাল আগরওয়ালের অভিযোগ, ছবিটি নির্মাণের জন্য তিনি যাদবকে ৫ কোটি টাকা ঋণ দেন, যা সুদসহ এখন প্রায় ৯ কোটিতে পৌঁছেছে। তবে যাদবের দাবি, “ওটা ঋণ নয়, বিনিয়োগ ছিল।”
এক সাংবাদিক সম্মেলনে অভিনেতা বলেন, চুক্তিটি ছিল সম্পূর্ণ মৌখিক ও পারস্পরিক বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে- “এটা ‘ঘরের মামলা’, ব্যক্তিগত বিষয়।” তাঁর কথায়, ছবির মুক্তির পর তিনি আগরওয়ালকে ৮ কোটি টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। “চুক্তির সময় কোনও আইনজীবী জড়িত ছিলেন না। আমি ২৫০-রও বেশি ছবিতে কাজ করেছি। যদি পুরনো চুক্তিগুলো দেখি, অনেক জায়গাতেই ফাঁক খুঁজে পাবেন। তখন কখনও ভাবিনি বিষয়টা আদালত পর্যন্ত গড়াবে,” বলেন তিনি।
যাদব আরও অভিযোগ করেন, “এটা অহংকারের লড়াই। তিনি চান আমি ৫ কোটির বিনিময়ে তাঁর পায়ে পড়ি। যদি টাকা পাওয়াই উদ্দেশ্য হতো, ২০১৩ সাল থেকেই আমি দিতে প্রস্তুত ছিলাম।” লক্ষ্মীনগরের একটি অফিসে কাগজপত্র না পড়েই সই করেছিলেন বলেও স্বীকার করেন তিনি- “ওটাই আমার ভুল।”
Vishnu Manchu: “প্রচণ্ড অভিঘাতে কেঁপে উঠল বাড়ি”, মেয়েকে নিয়ে ভয়ের মুহূর্তে বিষ্ণু
‘ঘর কা মামলা’ বলেই আইনজীবীদের দূরে রেখেছিলেন বলে জানান যাদব। “কখনও কখনও মানুষ কাগজের চেয়ে সম্পর্ককে বেশি বিশ্বাস করে। যার সম্পদের পরিমাণ হাজার কোটির ওপরে, তিনি কয়েক মিনিটে আমাকে ৫ কোটি দিয়েছিলেন- কেন তিনি আমার বিরুদ্ধে মামলা করবেন, তা ভাবিনি। এমনকি আমার স্ত্রীও বিষয়টি জানতেন না,” বলেন তিনি। তাঁর দাবি, ছবির আয় থেকে ৮ কোটি আগরওয়াল পাবেন, বাকি থাকলে তা তাঁর। তবে ছবিটি মাত্র প্রায় ১ কোটি টাকার ব্যবসা করে- এই কথা বলতে গিয়েই তাঁকে থামিয়ে দেন তাঁর আইনজীবী। পরে আইনজীবীর মন্তব্য, “যদি বিশ্বাস করা ভুল হয়ে থাকে, সেই ভুল রাজপাল যাদবই করেছেন।”
অন্যদিকে আগরওয়াল সংবাদমাধ্যমে বলেন, ২০১০ সালে যাদব জরুরি আর্থিক প্রয়োজনের কথা জানিয়ে ৫ কোটি টাকা নেন, না হলে “সব নষ্ট হয়ে যাবে”। তাঁর বক্তব্য, “এটা বিনিয়োগ নয়, কড়া শর্তে দেওয়া ঋণ,” এবং এই অর্থ জোগাড় করতেও তাঁকে ধার নিতে হয়েছিল।
ইসরায়েল-ইরান সংঘাতের প্রভাব, দুবাইয়ে আটকা শুভশ্রী ও ইউভান
তবে অন্য এক সাক্ষাৎকারে যাদব দাবি করেন, আগরওয়াল নাতিকে ভবিষ্যতের ছবিতে নায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যেই টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন। “যদি ঋণ হতো, আমি সুদ দিতাম। কিন্তু কখনও সুদ দিইনি,” সাফ বলেন অভিনেতা। উল্লেখ্য, প্রায় ১১ কোটি টাকার বাজেটে তৈরি আতা পাতা লাপাতা বক্স অফিসে মাত্র ৩৮ লক্ষ টাকা আয় করেছিল বলে জানা যায়।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us