Chandan Sen-Mamata Banerjee: কেমোর সময় মানুষ ১৩ লাখ টাকা সাহায্য করেছিল এখন আমার কর্তব্য পালনের পালা: চন্দন সেন

Chandan Sen: টেলি অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডস থেকে প্রাপ্ত প্রাইজ মানি পুরোটাই বিভিন্ন খাতে অনুদান দিয়েছেন। কী কারণে নিজের শখ পূরণের জন্য একটি টাকাও রাখলেন না চন্দন সেন? ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলাকে অভিনেতা বললেন...।

Chandan Sen: টেলি অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডস থেকে প্রাপ্ত প্রাইজ মানি পুরোটাই বিভিন্ন খাতে অনুদান দিয়েছেন। কী কারণে নিজের শখ পূরণের জন্য একটি টাকাও রাখলেন না চন্দন সেন? ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলাকে অভিনেতা বললেন...।

author-image
Kasturi Kundu
New Update
cats

২০১৬ সালে কেমো চলার সময় মুখ্যমন্ত্রী ব্যক্তিগত নম্বরও দিয়েছিলেন: চন্দন সেন

Chandan Sen-Tele Academy Awards: বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অত্যন্ত স্বনামধন্য বর্ষীয়ান অভিনেতা চন্দন সেন। ছোট পর্দায় যেমন সাবলীল অভিনয় তেমনই বাস্তবেও স্পষ্টবাদী। এই মুহূর্তে ভোলে বাবা পার করেগা ধারাবাহিকে কাজ করছেন চন্দন সেন। টেলি অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের মঞ্চে সেরা শ্বশুরের সম্মান এসেছে তাঁর ঝুলিতে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেছেন বিশিষ্ট অভিনেতা চন্দন সেন। রাজ্য সরকারের অনুষ্ঠানে চন্দন সেনের উপস্থিতিতে তাঁর দিকে ধেয়ে এসেছে কটাক্ষ। যদিও সেসব মোটেই তিনি গায়ে মাখেন না। কাজের মাধ্যমে সমালোচনার জবাব দিয়েছেন। পুরস্কারের এক লক্ষ টাকা বিভিন্ন খাতে অনুদান দিয়েছেন চন্দন সেন। 

Advertisment

ক্যান্সার আক্রান্ত শিশুদের দেখাশোনা করে এমন এনজিও থেকে সংক্রামক ব্যাধি প্রতিরোধক পরিষেবা দেওয়া প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সেবা প্রতিষ্ঠান, অভয়া মঞ্চসহ আরও কয়েকটি জায়গায়। পুরস্কারের অর্থ থেকে নিজের জন্য কেন একটা টাকাও রাখলেন না? ফোনের ওপারে খানিক হেসে বলেন, 'আমি অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপন করি। একটা সময় মা আর আমার রোজগারের মিলিত অর্থ দিয়েও ক্যানসারের চিকিৎসা করা সম্ভব ছিল না। তখন সাধারণ মানুষই তো আমাকে ১৩ লাখ টাকা দিয়ে সাহায্য করেছিল। এখন আমার কাছে যখন সুযোগ এসেছে তখন তাঁদের সাহায্য করা আমার কর্তব্য। টাকাটা ওঁদের প্রাপ্য।' 

আরও পড়ুন 'কড়া আইনি পদক্ষেপ করুক রাজ্য সরকার', 'কেশরি-২'-তে ক্ষুদিরাম বিতর্কে গর্জে উঠলেন চন্দন সেন

Advertisment

চন্দন সেন যে স্পষ্ট কথা বলতে পছন্দ করেন আরও একবার মিলল সেই প্রমাণ। তাঁর কথায়, 'একটা সময় অনেকদিন কর্মহীন ছিলাম। তখন যদি টাকাটা পেতাম কী করতাম জানি না। তবে এখন তো কাজ আছে, দিন চলে যাচ্ছে। অতিরিক্ত কিছু তো প্রয়োজন নেই। সাধারণ মানুষ আমাকে যেভাবে সাহায্য করেছে সেটা কোনও দিন ভোলার নয়।' মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার নিতে স্বচ্ছন্দ্যবোধ করেছিলেন?

আরও পড়ুন 'বড় সুযোগ হারালে', চন্দন সেনের মা-কে কেন বলেছিলেন মনোজ মিত্র?

খানিক হেসে বলেন, 'মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমার সবসময়ই অনেক প্রশ্ন থাকে। কিন্তু, ওটা তো প্রশ্ন করার মঞ্চ নয়। অতীতে আমার স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। সেদিনও খোঁজ নিয়েছেন। ২০১৬ সালে কেমো চলার সময় মুখ্যমন্ত্রী তাঁর ব্যক্তিগত নম্বর দিয়ে যে কোনও প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে বলেছিলেন। তবে জনগণ আমাকে যেভাবে আর্থিক সাহায্য করেছে তাতে আর সেই প্রয়োজন হয়নি।'

আরও পড়ুন আমার শিক্ষক যখন এই ধরনের মন্তব্য করেন ছাত্র হিসেবে বিব্রত ও বিষন্ন হই: চন্দন সেন

chandan sen