Bollywood: কপালে জোটেনি শিক্ষা, ভুল করতেন টাকার অঙ্কও? এদিকে তাঁর ছেলে লাখ টাকার জুতো পড়েন, চেনেন তাঁকে?

কঠোর বাস্তবতার সঙ্গে লড়াই করেই বড় হয়েছেন তিনি। ছোটবেলায় কখনও দোকানে কাজ করতেন, কখনও মেকানিকের। এমনকি দীপাবলির সময় পরিবারের হাতে থাকত মাত্র ১০০ টাকা।

কঠোর বাস্তবতার সঙ্গে লড়াই করেই বড় হয়েছেন তিনি। ছোটবেলায় কখনও দোকানে কাজ করতেন, কখনও মেকানিকের। এমনকি দীপাবলির সময় পরিবারের হাতে থাকত মাত্র ১০০ টাকা।

author-image
IE Bangla Entertainment Desk
New Update
sudesh

কে তিনি? চেনেন তাঁকে?

প্রখ্যাত কৌতুক অভিনেতা সুদেশ লেহরি সম্প্রতি একটি পডকাস্টে তাঁর কঠিন শৈশব ও সংগ্রামের কথা শেয়ার করেন। জন্ম অমৃতসরে, এক দরিদ্র পরিবারে। নিজের জীবনযাত্রা নিয়ে অকপট স্বীকারোক্তি দিয়ে সুদেশ জানান, তিনি কখনও স্কুলে যাননি। এমনকি নার্সারি বা কিন্ডারগার্টেনেও না। কারণ? পরিবারের সেই সামর্থ্য ছিল না।

Advertisment

তিনি বলেন, "আমি স্কুলে কোনোদিন পা রাখিনি। আমি পড়তে পারতাম না, সাইনবোর্ড পর্যন্ত চিনতাম না। কিন্তু জানতাম আমি অভিনেতা হতে চাই। তাই আমি লাইন মুখস্থ করতাম।" কঠোর বাস্তবতার সঙ্গে লড়াই করেই বড় হয়েছেন তিনি। ছোটবেলায় কখনও দোকানে কাজ করতেন, কখনও মেকানিকের। এমনকি দীপাবলির সময় পরিবারের হাতে থাকত মাত্র ১০০ টাকা। তাতেই সামান্য মিষ্টি, মোমবাতি কিনে ছাদের উপর সবাইকে ডেকে বলতেন, "চলো আমরা এটা মনে  করি, ওরা আমাদের চাকর। ওরাই আমাদের নির্দেশে পটকা ফাটাচ্ছে।" সেই সময়টাতেই তিনি পরিবারের সঙ্গে সেরা দীপাবলি পালন করেছেন। 

১৭ বছর বয়সে বিয়ে করেন সুদেশ, তাঁর স্ত্রী তখন মাত্র ১৫ বছরের। দাম্পত্য জীবনের শুরুটা ছিল বেশ অনিশ্চিত আর টানাপোড়েনে ভরা। তিনি বলেন, "আমরা কী করছি, জানতাম না। সন্তান জন্মের পরও হাসপাতালে ফি দেওয়ার মতো টাকা ছিল না।" 

ধারাবাহিক সাফল্য আর একটি ভুল সিদ্ধান্ত

Advertisment

‘দ্য গ্রেট ইন্ডিয়ান লাফটার চ্যালেঞ্জ’-এ অংশ নেওয়ার সময় একটা গুরুত্বপূর্ণ ভুল করেছিলেন সুদেশ। তিনি তখন ইংরেজি বুঝতেন না এবং সংখ্যার হিসেবেও দুর্বল ছিলেন। একবার শোয়ের পারিশ্রমিকের ক্ষেত্রে, ভুল করে ৫০,০০০-এর বদলে ১৫,০০০ টাকা চেয়ে বসেন। তখনই বুঝে যান, ব্যবসায়িক দিকটা সামলানোর জন্য একজন ম্যানেজার দরকার।

আজকের সুদেশ: বিলাসবহুল জীবনের মাঝেও মাটির মানুষ

আজ তাঁর গ্যারেজে দামী গাড়ি, মুম্বইয়ে একাধিক ফ্ল্যাট, আর ব্র্যান্ডেড ডিজাইনার পোশাক থাকলেও, সুদেশ নিজের অতীত ভুলে যাননি। তিনি বলেন, "টাকা রাস্তায় ফেলে রাখার কোনও অর্থ নেই। আমি বিশ্বাস করি, তা উপভোগ করায়। আমার প্রথম গাড়ি ছিল সেকেন্ড হ্যান্ড ইন্ডিগো, সেটি নিয়েই প্রচুর আনন্দ করেছি।" তাঁর ছেলে আজ তাঁকে ডিজাইনার পোশাক পরতে উৎসাহিত করে। যদিও সুদেশ বলেন, "আমি এসবের মানে বুঝি না। শেষমেশ আমার ছেলেই গুচির জুতো পরে!" 

Entertainment News Today Entertainment News