scorecardresearch

জন্মদিনে বিপত্তি! কপালে চোট নবতিপর মায়ের, নিজে পায়েস রাঁধলেন দেবশ্রী

জন্মদিনে নিজেকেই হাত পুড়িয়ে পায়েস রাঁধতে হল ‘সর্বজয়া’ দেবশ্রী রায়কে।

জন্মদিনে বিপত্তি! কপালে চোট নবতিপর মায়ের, নিজে পায়েস রাঁধলেন দেবশ্রী
দেবশ্রী রায়

বিশেষ দিনের আগেই বিপত্তি দেবশ্রী রায়ের বাড়িতে! পড়ে গিয়ে মাথায় গুরুতর চোট পেয়েছেন অভিনেত্রীর মা। তাই নিজের জন্মদিনের হাজারো ব্যস্ততার মাঝে নিজেই করে ফেললেন অভিনেত্রী।

ব্যস্তজীবনে মা-বাবার সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়েছে, এরকম উদাহরণ আমাদের চারপাশে বহু। ব্যতিক্রমও যে নেই, তা নয়! তবে সেই সংখ্যাও খুব একটা বেশি নয়। দ্বিতীয় তালিকাতেই রয়েছেন দেবশ্রী রায়। তাঁর জন্মদিনের আগে বাড়িতে পড়ে গিয়ে কপাল ফেটে গিয়েছে দেবশ্রীর মা আরতি রায়ের। অগত্যা নিজে হাতেই পায়েস রেঁধে ছুটলেন মায়ের কাছে।

কথাতেই আছে, পিতা-মাতার বয়স বাড়লে তাঁরা সন্তানসম-ই হয়ে যান। সেকথা অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলেন দেবশ্রী রায়। তাই মেয়ে হয়ে মায়ের দায়িত্ব পালন করলেন। ছোটবেলায় আরতিদেবীই পায়েস রেঁধে মেয়েকে খাইয়ে দিতেন। দেবশ্রীর কপালে চন্দনের ফোঁটা দিয়ে, গলায় ফুলের মায়া পরিয়ে সাজিয়ে দিতেন মা। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অবশ্য সেই আয়োজনের কলবর খানিক বেড়েছে। বদলেছে আয়োজনের রকমফেরও। জানালেন টেলি-পর্দার ‘সর্বজয়া’ নিজেই।

[আরও পড়ুন: ‘সিনেমা বয়কট করবেন না!’, কলকাতায় প্রচারে এসে কাতর আর্জি অক্ষয়ের]

বাড়িতে বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়রা আসতেন। খাওয়াদাওয়া হত। সবাই মিলে আড্ডা হত। কিন্তু ফিল্মি কেরিয়ারে জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর আর নিজের জন্য এরকম কোনও আয়োজন করেননি দেবশ্রী রায়। বছর খানেক আগে থেকে মা-ও আর পায়েস রাঁধতে পারেন না। বয়স তাঁর ৯২। আর এবার তো পরিস্থিতি আরও অন্যরকম। মেয়ের জন্মদিনের আগেই পড়ে গিয়ে কপালে আঘাত পান আরতিদেবী। অগত্যা নিজে হাতে পায়েস রেঁধেই মায়ের কাছে চলে যান দেবশ্রী।

প্রসঙ্গত, দেবশ্রী রায়ের মা থাকেন তাঁর দিদির বাড়িতে। সেখানেই জন্মদিনের পায়েস বানিয়ে নিয়ে গিয়ে মাকে নিজে হাতে খাইয়ে দিয়েছেন দেবশ্রী রায়। বললেন, এখন মা-ই আমার সন্তান হয়ে গিয়েছেন।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা এখন টেলিগ্রামে, পড়তে থাকুন

Stay updated with the latest news headlines and all the latest Entertainment news download Indian Express Bengali App.

Web Title: Debashree roys mother got injured actress cooked for her