/indian-express-bangla/media/media_files/2025/06/15/JvDb7ZtDjw0m3PoRCdcG.jpg)
মা-কে নিয়েই যত অশান্তি...
শেষ কিছুদিন ধরেই দেবলীনা নন্দী আলোচনায়। তাঁর জীবনে যে ধরণের ঘটনা ঘটছে, তা শুনলেও গা শিউরে উঠবেই। ভালবেসে চন্দননগরের ছেলে প্রবাহকে বিয়ে করেছিলেন। সেই বিয়েতে হাজির হয়েছিলেন অনেক চেনা মুখরা। কিন্তু, সুখের সংসার বেশিদিন স্থায়ী হল না। দিন দুয়েক আগে তিনি সমাজ মাধ্যমে এসে জানান, তাঁর সঙ্গে শ্বশুরবাড়ির এবং স্বামীর মানসিক নির্যাতনের কথা।
কিন্তু, মাকে নিয়ে এহেন অশান্তি হবে - কল্পনা করা সম্ভব? দেবলীনার জীবনে একেবারেই তাই হয়েছে। শুধু তাই নয়, গায়িকার সঙ্গে কোনও অনুষ্ঠানে তাঁর মা যেতে পারবেন না? এই কথাই বলতে শোনা গেল তাঁর মাকে। আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছিলেন দেবলীনা। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এবং, খেয়াল করলে দেখা যাবে তাঁর মাকে নিয়ে যে বেজায় সমস্যা, যে মা তাঁর জন্য এতকিছু করেছেন, তাঁকে নিয়ে এত অশান্তি! আজ এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলছেন... "ভালই সম্পর্ক ছিল আমাদের। বিয়ের আগে কথা হয়েছিল যে মা যাবে সব জায়গায়। মা ব্যাপারটা বোঝে। তাই বলে এই না, যে ওরা যাবে না। আমাদের সঙ্গে ওর মা অনেক জায়গায় গিয়েছে। পুরো পরিবার একসঙ্গে গিয়েছি।"
Raj Chakraborty: দেবের সঙ্গে জুটি বাঁধছেন শুভশ্রী, সোজাসুজি কী ইঙ্গিত দিলেন রাজ?
সেদিন সকাল থেকে প্রবাহের সঙ্গে মাকে নিয়ে প্রচন্ড ঝামেলা হচ্ছিল তাঁর। তাও আবার মাকে নিয়ে। এই বিষয়টা বারবার যেন আঙুল তুলছে সমাজের দিকে। যে মা পরিশ্রম করে সন্তানকে বড় করেছেন, তাঁর কি তবে কোনও অধিকার নেই। গায়িকার মা বলেন, "আমি অনেক কিছুই জানতাম। কিন্তু আমার মেয়ে সংসার ভালবাসে। ও যাতে সংসার করতে পারে, আমি ওকে কিছুই বলিনি। আমি প্রবাহকে বলেছিলাম, তুমি আমার জামাই না, আমার ছেলে হয়ে এসেছো। আমার ছেলে হয়েই থাকো।" যদিও গায়িকার মা জানান যে, প্রবাহ এবং তাঁর বাড়ির লোক কেউই এই তিনদিনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেননি।
প্রসঙ্গে... দেবলীনা স্পষ্ট করে বলেন, যে মা তাঁর জীবনের ভিত গড়ে দিয়েছেন, তাঁকে ত্যাগ করার কথা তিনি কোনওভাবেই ভাবতে পারেন না। দুই পরিবারকে সমান গুরুত্ব দেওয়ার চেষ্টা করেও পরিস্থিতির কোনও উন্নতি হয়নি বলে জানান তিনি।
Hina Khan: শ্বাস নিতে কষ্ট! ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াইয়ের মাঝেই হঠাৎ কী হল হিনার?
লাইভের শেষদিকে আবেগতাড়িত হয়ে গায়িকা বলেন, তিনি আসলে দীর্ঘদিন ধরেই ভালো নেই। সবসময় ভালো থাকার ভান করে চলেছেন, জীবনের সুন্দর মুহূর্তগুলোই শুধু ভাগ করে নিয়েছেন। কিন্তু সেই ভান ধরে রাখার শক্তি তাঁর আর নেই। তিনি জানান, একটি সীমার পর মানুষের সহ্যশক্তি ভেঙে যায়—আর সেই সীমা তিনি বহু আগেই অতিক্রম করে ফেলেছেন।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us