/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/14/debo-2026-01-14-19-08-55.png)
কী বলছেন দেবলীনা?
সোশ্যাল মিডিয়া গত কয়েকদিন ধরে সরগরম সঙ্গীতশিল্পী ও ইনফ্লুয়েন্সার দেবলীনা নন্দীকে ঘিরে। ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা- এই খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই তাঁকে নিয়ে জল্পনা, সমালোচনা এবং প্রশ্নের ঝড় থামেনি। ব্যক্তিগত জীবন থেকে মানসিক অবস্থান- সবই যেন খোলামেলা আলোচনার টেবিলে উঠে এসেছে। হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেই দেবলীনা ফেসবুক লাইভে নিজের ভুল স্বীকার করেন এবং ঘটনার দিন কী ঘটেছিল তা বিস্তারিত জানান।
লাইভে তিনি প্রথমেই বলেন, “আমি যেটা করেছি, সেটা উচিত ছিল না। একেবারেই ঠিক ছিল না। আমার মাথা কাজ করছিল না। প্রচণ্ড আবেগপ্রবণ হয়ে গিয়েছিলাম। এক মুহূর্তের জন্য নিজেকে ভালবাসতে ভুলে গিয়েছিলাম।” তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এই পথ কোনো সমস্যার সমাধান নয়। মানসিক চাপে ভেঙে পড়ে, তিনি অস্থির সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, যা এখন তাঁর কাছে গভীর অনুশোচনার। তাঁর কথায়, "আমি খুব বড় ভুল করেছিলাম। হাসপাতালে শুয়ে শুয়ে একটা কথাই ভেবেছি, যে সবার আগে নিজেকে ভালবাসতে হয়।"
ঘটনার পর থেকেই নেটমাধ্যমে আরেকটি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে- ঘুমের ওষুধ খাওয়ার পর তিনি প্রথমে কাকে ফোন করেছিলেন? দেবলীনা নিজেই সেই উত্তর দিলেন। তাঁর সঙ্গে সেদিন মা থাকলেও তিনি বন্ধুই সায়ক চক্রবর্তীকে মেসেজ করেছিলেন। কেন? দেবলীনার ব্যাখ্যা, “প্রত্যেকে প্রশ্ন করছেন কেন সায়ককে আমি আগে মেসেজ করলাম। আমার সঙ্গে মা ছিল, চাইলে মাকেই বলতে পারতাম। কিন্তু আমার ওই পরিস্থিতিতে মা-কে বলতে চাইনি। আমি জানতাম সায়ক আমার মতোই রাত ৩টে পর্যন্ত জাগে। সেই কারণেই ওকে মেসেজ করি।"
আরও একটি বিতর্কের বিষয়- "৭৮টা ঘুমের ওষুধ খেয়ে কী করে তিনি বেঁচে গেলেন?"- এ প্রশ্নে তিনি তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান। দেবলীনা বলেন, "আমরা যে ঘুমের ওষুধের নম্বরটা বলেছি, সেটা ডাক্তাররা নিজেরাই পরীক্ষা করে দেখেছেন। প্রেসক্রিপশনেও লিখেছেন। তাই আমরা কেউ নাটক করিনি।" তিনি জানান, সেদিন রাতে তাঁর শারীরিক অবস্থা এতটাই খারাপ ছিল, যে গাড়ি থেকে তাঁকে নামানোই সম্ভব হচ্ছিল না। চিকিৎসকদের দ্রুত তৎপরতার কারণেই তিনি প্রাণে বেঁচে যান। তাঁর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ, "হাসপাতালের চিকিৎসকদের ধন্যবাদ যে, তৎপরতার সঙ্গে আমাকে তাঁরা বাঁচিয়েছেন।"
Arghya Sen Passed Away: রবীন্দ্রসঙ্গীতের নক্ষত্র অর্ঘ্য সেন আর নেই, শোক জ্ঞাপন মুখ্যমন্ত্রীর
সমগ্র ঘটনায় দেবলীনার বার্তা স্পষ্ট- ভুল স্বীকার, নিজের দায়িত্ববোধ এবং মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব। তিনি চান না তাঁর কাজ অন্য কাউকে ভুল পথে প্ররোচিত করুক। তাঁর অনুরোধ, নিজেকে ভালবাসুন, সাহায্য চান, কিন্তু কখনও এমন সিদ্ধান্ত নেবেন না।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us