/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/25/debolinaa-saayak-2026-01-25-11-34-24.jpg)
কুৎসা পেরিয়ে হাসি-খুনসুটিতে মত্ত দেবলীনা-সায়ক!
কয়েকদিন ধরেই সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে সঙ্গীতশিল্পী ও ইনফ্লুয়েন্সার দেবলীনা নন্দীর (Debolinaa Nandy) নাম ঘুরে বেড়াচ্ছে। ঘুমের ওষুধ খেয়ে তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন, এই খবর সামনে আসার পর থেকেই তাঁর অনুরাগী থেকে শুরু করে সাধারণ নেটিজেনদের মধ্যে তৈরি হয় গভীর উৎকণ্ঠা। এই কঠিন পরিস্থিতিতে দেবলীনার পাশে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন তাঁর বন্ধু সায়ক। হাসপাতাল থেকে শুরু করে সুস্থ হয়ে ওঠার প্রতিটি ধাপে সায়কের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
কিন্তু এই ঘটনার পর দেবলীনা ও সায়ককে ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে নানা রকম জল্পনা, কটূক্তি। অনেকেই তাঁদের বন্ধুত্বকে অন্য চোখে দেখার চেষ্টা করেন, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। বিষয়টি নিয়ে দেবলীনা নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় আর্তি জানান, মানুষ যেন এমন মন্তব্য না করেন। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, এই ধরনের কুৎসা ও সন্দেহের বাতাবরণ তৈরি হলে ভবিষ্যতে কেউই আর বন্ধুর খারাপ সময়ে পাশে দাঁড়াতে সাহস পাবে না। তাঁর কথায়, “আজ যদি সায়ককে নিয়ে এই ধরনের কথা বলা হয়, তাহলে কাল অন্য কেউ কাউকে সাহায্য করতে গেলেও ভয় পাবে, এই ভেবেই আমার সবচেয়ে বেশি খারাপ লাগছে।”
আরও পড়ুন: ‘আমার কাছে মন্দির একটাই-যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়’, হোক কলরব মুক্তি পেতেই রাজ চক্রবর্তীকে আইনি নোটিশ
দেবলীনার এই বক্তব্য অনেকের চোখ খুলে দেয়। কারণ মানসিক স্বাস্থ্যের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে সমর্থন ও সহানুভূতির প্রয়োজন, বিচার বা সন্দেহের নয়। তবে, সব কটূক্তি বা নেতিবাচক মন্তব্যকে গুরুত্ব না দিয়ে তাঁরা নিজেদের মতো করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন। দেবলীনা সুস্থ হয়ে ওঠার পর তাঁদের একসঙ্গে দেখা গিয়েছে।সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে তাঁদের খোশগল্পে করতে দেখা গিয়েছে। এতে স্পষ্ট হয়ে ওঠে, সমস্ত সমালোচনা ও কুৎসার মধ্যেও তাঁদের বন্ধুত্ব অটুট রয়েছে।
আরও পড়ুন: সরস্বতী পুজোয় বাসন্তী আবেশে নুসরত, পুত্র ঈশানকে কোলে নিয়ে যশের বিশেষ মুহূর্ত!
তাঁদের আবারও একসঙ্গে দেখা গিয়েছে একটি জামাকাপড়ের দোকানে। সেই মুহূর্তের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেবলীনা নন্দীকে দেখা যায় ছেলেদের পাঞ্জাবি পরে, আর তাঁর বন্ধু সায়ক সেটাকে ঘিরে মজা করে ভিডিও বানাচ্ছেন। ভিডিওটিতে তাঁদের হাসি, খুনসুটি আর স্বাভাবিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কই সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে। এই দৃশ্য যেন বোঝায়, জীবনের কঠিন সময় পেরিয়ে তাঁরা আবার ধীরে ধীরে স্বাভাবিক আনন্দের মুহূর্তে ফিরছেন।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us