/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/03/mixcollage-27-nov-2025-10-17-am-7363-2025-12-03-17-02-22.jpg)
কোথায় গেলেন তাঁরা?
Sunny and Bobby Deol immerse Dharmendra’s ashes: বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্রকে শেষ বিদায় জানাতে, বুধবার সকালে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে, গঙ্গার তীরে অস্থি বিসর্জন সম্পন্ন করলেন দেওল পরিবারের সদস্যরা। সানি দেওল, ববি দেওল, করণ দেওল -সহ পরিবারের অন্য সদস্যরা সাদা পোশাক পরে উপস্থিত হন হরিদ্বারের ভিআইপি ঘাটে। চিতাভস্ম বিসর্জনের মুহূর্তে সকলেই গভীরভাবে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, পরিবারের সদস্যরা একে অপরকে জড়িয়ে ধরে ধীর চিত্তে শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতা পালন করছেন।
ধর্মেন্দ্রর অস্থি বিসর্জনের জন্য, দেওল পরিবার পৌঁছেছিল হরিদ্বারের ঐতিহাসিক পিলিভিট হাউসে- গঙ্গার তীরে দাঁড়িয়ে থাকা প্রায় ১০০ বছরের পুরোনো প্রাসাদে। এখানেই প্রয়াত অভিনেতার চিতাভস্ম অন্তর্বর্তীকালীনভাবে রাখা ছিল। বিসর্জন সম্পন্ন করে পরিবার দ্রুতই হোটেল ছেড়ে বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
Premanand Ji Maharaj: প্রেমানন্দজি মহারাজকেও হাসালেন রাজপাল, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল অভিনেতার সরলতা
তার আগের দিন, মঙ্গলবার, সানি দেওলের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে যেখানে তাকে হোটেলের বারান্দায় চা পান করতে দেখা গেছে। ধর্মেন্দ্র ২৪ নভেম্বর, বয়সজনিত জটিলতায় ৮৯ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মুম্বইয়ের ভিলে পার্লে শ্মশানে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। পুরো অনুষ্ঠানই ছিল শান্ত, দ্রুত ও সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত- মিডিয়াকে দূরে রাখা হয়েছিল।
অভিনেতার মৃত্যুর পর দুটি পৃথক প্রার্থনা সভার আয়োজন করা হয়। একটিতে উপস্থিত ছিলেন সানি ও ববি দেওলের পরিবার এবং ধর্মেন্দ্রর প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌরের পরিবার। দ্বিতীয় প্রার্থনা সভার আয়োজন করেছিলেন তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী হেমা মালিনী এবং তাঁদের দুই কন্যা- এশা ও আহানা দেওল।
Dhurandhar movie: রেকর্ড দৈর্ঘ্য ও বিতর্কে ঘেরা ‘ধুরন্ধর’, সেন্সরের কাটে নয়া আলোচনার ঝড়
চলচ্চিত্র নির্মাতা হামাদ আল রিয়ামি সম্প্রতি হেমা মালিনীর সঙ্গে তাঁর কথোপকথনের কথা শেয়ার করেন। তিনি জানান, ব্যক্তিগত শেষকৃত্যের কারণে ধর্মেন্দ্রকে শেষবারের মতো দেখতে না পেরে, তিনি দুঃখ প্রকাশ করলে হেমা মালিনী আবেগঘন কণ্ঠে জানান- অভিনেতার প্রথম পরিবারের সদস্যরাই নীরবে শেষকৃত্য সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
তিনি আরও বলেন, “ধর্মেন্দ্র কখনও চাননি কেউ তাকে দুর্বল বা অসুস্থ অবস্থায় দেখুক। এমনকি কাছের মানুষদের কাছেও নিজের কষ্ট গোপন করতেন। কেউ মারা গেলে কীভাবে শেষকৃত্য হবে, সেই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ পরিবারের।”
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us