/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/25/amit-2025-11-25-12-17-25.jpg)
কী বলছেন অমিতাভ?
Dharmendra-Amitabh: প্রবীণ অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর গোটা ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতে যেন গভীর শোকের আবহ নেমেছে। অমিতাভ বচ্চন, শাহরুখ খান, সলমন খান থেকে দীপিকা পাড়ুকোন ও রণবীর সিং- হিন্দি ছবির প্রায় সমস্ত প্রজন্মের তারকারাই তাঁর শেষকৃত্যে হাজির হয়ে তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। যদিও ইন্ডাস্ট্রিতে অনেকেই ধরমজির খুব কাছের মানুষ ছিলেন, তবু অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল বিশেষ, যা পর্দার বাইরেও সমানভাবে গভীর হয়ে ছিল।
ধর্মেন্দ্রর প্রয়াণের পর অমিতাভ তাঁর ব্যক্তিগত ব্লগে এক আবেগঘন পোস্ট লিখেছেন। তিনি লিখেছেন, “আরেকজন বীর আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন, রঙ্গভূমি খালি করে রেখে গেলেন অসহ্য নিস্তব্ধতা।” অমিতাভ স্মরণ করেন ধর্মেন্দ্রর উদারতা ও সরলতাকে, যা তাঁকে ইন্ডাস্ট্রিতে এক অনন্য মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিল। তিনি লেখেন, “ধর্মজি শুধু তাঁর, শরীরী সৌন্দর্যের জন্য নন, তিনি প্রশংসিত ছিলেন বিশাল হৃদয় এবং সহজ-সরল ব্যক্তিত্বের জন্যও। পাঞ্জাবের মাটির মানুষ ধর্মজি খ্যাতির উচ্চতায় থেকেও কখনও ভোলেননি নিজের শিকড়কে। প্রতি দশকে শিল্পে পরিবর্তন এসেছে, নতুন মানুষ এসেছে, নতুন নিয়ম তৈরি হয়েছে—কিন্তু ধর্মজি বরাবর একইরকম উষ্ণ, হাসিখুশি ও বিনম্র ছিলেন। তাঁর হাসি, তাঁর আকর্ষণ, তাঁর মানবিকতা- সবটাই আজ বিরল।”
Dharmendra: বাংলা ছবিতেও জাদু দেখিয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র, জানতেন কি ‘পারি’-র কথা?
অমিতাভ তাঁর লেখার শেষে জানান, “আমাদের চারপাশে যেন বাতাস শূন্য হয়ে যাচ্ছে। এক এমন শূন্যতা, যা কখনও পূরণ হবে না।” অমিতাভ ও ধর্মেন্দ্র বহু জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে একসঙ্গে কাজ করেছেন—‘দোস্ত’, ‘চুপকে চুপকে’, ‘শোলে’, ‘নসিব’, ‘রাম বলরাম’, এমনকি অনেক বছর পর ‘হাম কৌন হ্যায়’ ও অন্যান্য প্রকল্পেও। তাদের অনস্ক্রিন জুটি ছিল দর্শকদের অতি প্রিয়।
শুধু অমিতাভ নন, জয়া বচ্চনের সঙ্গেও ধর্মেন্দ্রর সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত আন্তরিক। ২০০৭ সালের কফি উইথ করণ-এ জয়া মজা করে বলেছিলেন যে তিনি প্রথমবার ধর্মেন্দ্রকে দেখে এতটাই লজ্জা পেয়েছিলেন যে একটি সোফার আড়ালে লুকিয়ে পড়েছিলেন। তাঁর ভাষায়, “ওই মানুষটিকে দেখে মনে হয়েছিল যেন কোনও গ্রীক দেবতা সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। সাদা প্যান্ট, সাদা শার্ট—মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম।”
Rabi Ghosh: গুপি-বাঘার গল্প পুরোটাই ফ্যান্টাসি? সত্যজিৎ রায়কে নিয়ে অজানা গল্প ফাঁস করেন রবি ঘোষ
জয়া বচ্চন ‘গুড্ডি’ ছবিতে প্রথমবার ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে কাজ করেন। ছবিটিতে তিনি এমন এক স্কুলছাত্রীর ভূমিকায় ছিলেন, যিনি নিজেও ধর্মেন্দ্রর ভক্ত। পরবর্তীতে ‘শোলে’-তেও তাদের একসঙ্গে দেখা যায়, আর সাম্প্রতিক সময়ে করণ জোহরের ‘রকি অর রানি কি প্রেম কাহানি’তে আবার জুটি বাঁধেন।
বহু বছর পর কৌন বনেগা ক্রোড়পতি-তে, আমির খান যখন অমিতাভকে জিজ্ঞেস করেছিলেন তিনি কোনো হিরোকে নিয়ে ঈর্ষান্বিত ছিলেন কিনা, যারা জয়ার সঙ্গে কাজ করেছিলেন তাঁদের মধ্যে, উত্তরে অমিতাভ বলেন, হবে কী করে? জয়া প্রথমেই বলে দিয়েছিল, যে ধর্মেন্দ্র আমার পছন্দের।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us