Dharmendra-Hema: ‘হেমাকে পাবে না তবে’, শোলের আগেই ধর্মেন্দ্রকে সতর্কবাণী শুনিয়েছিলেন কে?

ধর্মেন্দ্র ও হেমা মালিনীর অন-স্ক্রিন রোম্যান্স নিয়েও বহু গল্প প্রচলিত। এমনকি শোনা যায়, ধর্মেন্দ্র নাকি রিটেকের সময়, হেমার সঙ্গে বেশি সময় কাটাতে, লাইটম্যানকে ঘুষ দিতেন। এই প্রসঙ্গে রমেশ সিপ্পি বলেন...

ধর্মেন্দ্র ও হেমা মালিনীর অন-স্ক্রিন রোম্যান্স নিয়েও বহু গল্প প্রচলিত। এমনকি শোনা যায়, ধর্মেন্দ্র নাকি রিটেকের সময়, হেমার সঙ্গে বেশি সময় কাটাতে, লাইটম্যানকে ঘুষ দিতেন। এই প্রসঙ্গে রমেশ সিপ্পি বলেন...

author-image
IE Bangla Entertainment Desk
New Update
MixCollage-03-Sep-2025-04-22-PM-5872

কে বলেছিলেন একথা...

সিনে নির্মাতা রমেশ সিপ্পি- যাঁর হাত ধরে বলিউড পেয়েছে তার সর্বকালের অন্যতম আইকনিক ছবি ‘শোলে’- সম্প্রতি এই কাল্ট ক্লাসিক তৈরির, নেপথ্যের একাধিক অজানা গল্প ভাগ করে নিয়েছেন। তাঁর কথায় উঠে এসেছে কাস্টিং থেকে শুটিং- সবকিছু ঘিরে থাকা নানা রোমাঞ্চকর মুহূর্ত।

Advertisment

রমেশ সিপ্পি জানান, ছবিতে বীরু চরিত্রে অভিনয় করতে, ধর্মেন্দ্র শুরুতে একেবারেই আগ্রহী ছিলেন না। বরং তিনি চাইছিলেন গব্বর সিং–এর মতো নেতিবাচক ও রঙিন চরিত্রে অভিনয় করতে। নিউজ ১৮–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রমেশ বলেন, পুরো চিত্রনাট্য শোনার পর ধর্মেন্দ্র তাঁকে জানিয়েছিলেন- বীরুর চরিত্র ভালো হলেও গল্পের মূল কেন্দ্রে রয়েছে সঞ্জীব কুমারের চরিত্র ঠাকুর। এমনকি তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন, ঠাকুরের ভূমিকায় তাঁকে ভাবা যায় কি না।

Messi in Kolkata: মেসি এলেন, কিন্তু দর্শন মিলল না! এই রাজ্যে যোগ্য-অযোগ্যর প্যারামিটার মাপছেন শ্রীলেখা-ঋত্বিক?

রমেশ সিপ্পি তখন বুঝিয়ে দেন, গব্বর অবশ্যই আকর্ষণীয় চরিত্র, যেটা করতে যে কেউ চাইবে, কিন্তু বীরুর চরিত্রেই রয়েছে সব রকম আবেগ, রোম্যান্স আর বিনোদনের মিশেল। তবুও ধর্মেন্দ্র পুরোপুরি রাজি হচ্ছিলেন না। তখন পরিচালক একেবারে ব্যক্তিগত জায়গায় গিয়ে যুক্তি দেন। রমেশ স্মৃতিচারণা করে বলেন, তিনি ধর্মেন্দ্রকে মজা করে বলেছিলেন- “তুমি যদি গব্বর হও, তাহলে হেমা মালিনীকে পাওয়ার সম্ভাবনা খুব কম।” এই কথাতেই নাকি ধর্মেন্দ্র হেসে রাজি হয়ে যান এবং বীরুর চরিত্রে অভিনয় করতে সম্মত হন।

৫ বছরেই ছেড়ে গেলেন বাবা, বলিউডের এই সুপারস্টারের করুণ জীবনকাহিনী, সাফল্যের পথে..

সাক্ষাৎকারে ছবির শুটিংয়ের আরও একটি চমকপ্রদ ঘটনা শোনান রমেশ সিপ্পি। ক্লাইম্যাক্স দৃশ্যে হেমা মালিনীকে, জ্বলন্ত গরম পাথরের ওপর খালি পায়ে নাচতে হয়েছিল। নিরাপত্তার জন্য পরিচালক প্রথমে তাঁর পায়ের নিচে প্যাড ব্যবহারের পরামর্শ দেন। কিন্তু ক্যামেরায় সেই প্যাড ধরা পড়ে যাওয়ায় সমস্যা তৈরি হয়। শেষমেশ হেমা নিজেই সাহসের সঙ্গে প্যাড খুলে ফেলেন এবং খালি পায়েই দৃশ্যটি শুট করেন।

ধর্মেন্দ্র ও হেমা মালিনীর অন-স্ক্রিন রোম্যান্স নিয়েও বহু গল্প প্রচলিত। এমনকি শোনা যায়, ধর্মেন্দ্র নাকি রিটেকের সময়, হেমার সঙ্গে বেশি সময় কাটাতে, লাইটম্যানকে ঘুষ দিতেন। এই প্রসঙ্গে রমেশ সিপ্পি বলেন, গল্পটা পুরোপুরি সেভাবে না হলেও তাঁদের মধ্যে যে গভীর রসায়ন তৈরি হয়েছিল, তা সত্যি। ছবির শেষের দিকে ধর্মেন্দ্র নিজেই এসে তাঁকে জানিয়েছিলেন- তাঁরা বাস্তব জীবনেও একসঙ্গে রয়েছেন। রমেশের কথায়, সেটাই ছিল ‘শোলে’ তৈরির যাত্রার অন্যতম সুন্দর ও অবাক করা মুহূর্ত। 

Hema Malini Dharmendra Deol Sholay