/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/29/dharmendra-2025-11-29-13-08-38.jpg)
কাকে কোটি টাকার সম্পত্তি দিয়েছেন ধরম?
প্রবীণ অভিনেতা ধর্মেন্দ্র ছিলেন বলিউডের উজ্জ্বল নক্ষত্র, কিন্তু তাঁর হৃদয়ের গভীরে তিনি ছিলেন একেবারে মাটির মানুষ। কিংবদন্তি দিলীপ কুমারের প্রতি ভালোবাসা, তাঁকে শিল্পী হিসেবে গঠন করেছিল ঠিকই, তবে তাঁর আত্মার শিকড় ছিল পাঞ্জাবের গ্রামীণ জীবনে। মাটির গন্ধ, কৃষিকাজ আর গ্রামের শান্ত ছন্দের সঙ্গে তাঁর নিবিড় সম্পর্ক ছিল আজীবন।
সিনেমার ব্যস্ত দুনিয়া তাঁকে খুব একটা অবসর দিত না। তবুও সুযোগ পেলেই তিনি লুধিয়ানার কাছে, সাহনেওয়াল গ্রামে তাঁর পৈতৃক বাড়িতে ছুটে যেতেন। বাবার চাকরির বদলি এবং পরে সিনেজগতের টানাপোড়েন তাঁকে গ্রাম ছাড়তে বাধ্য করেছিল। কিন্তু তাঁর বিস্তৃত পরিবার সেখানেই থেকে যায় এবং তিনি নিয়মিত তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে যেতেন। প্রায় এক দশক আগে এমনই একটি সফরে তিনি তাঁর পৈতৃক জমির নিয়ন্ত্রণ তাঁর খুড়তুতো ভাইদের হাতে তুলে দেন- যারা তাঁর অনুপস্থিতিতে স্নেহ ও নিষ্ঠার সঙ্গে জমির দেখাশোনা করতেন।
Dharmendra: কড়া নিরাপত্তায় গঙ্গায় ধর্মেন্দ্রের অস্থি বিসর্জন, কোথায় হল শেষকৃত্য?
ধর্মেন্দ্রর ভাগ্নে বুটা সিং দেওল এক সাক্ষাৎকারে জানান, "২০১৫-১৬ সালে, তিনি গ্রামে এসে ১ একর জমি আমার বাবা মনজিৎ সিং ও কাকা শিঙ্গারা সিংয়ের কাছে স্বেচ্ছায় হস্তান্তর করেন। কয়েক দশক ধরে আমাদের পরিবারই জমিটি চাষ ও রক্ষণাবেক্ষণ করছিল। তিনি কখনোই তাঁর শিকড় ভুলে যাননি।”
বুটা আরও বলেন, খ্যাতি বা ব্যস্ততা- কোনো কিছুই ধর্মেন্দ্রকে পাঞ্জাবের আত্মীয়স্বজন ও শৈশবের বন্ধুদের থেকে দূরে সরাতে পারেনি। শেষবার তিনি গ্রামে গিয়েছিলেন ২০১৯ সালে, যখন তাঁর ছেলে সানি দেওল গুরুদাসপুর থেকে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলেন। পরিবারও নিয়মিত মুম্বই গিয়ে জমির মূল্যায়নের কাগজপত্র তাঁকে দেখাত, যাতে তিনি নিশ্চিত থাকতে পারেন যে সম্পত্তি নিরাপদ আছে।
Dhurandhar movie: রেকর্ড দৈর্ঘ্য ও বিতর্কে ঘেরা ‘ধুরন্ধর’, সেন্সরের কাটে নয়া আলোচনার ঝড়
শৈশবে ধর্মেন্দ্রর পরিবার বারবার বদলি হলেও শেষমেশ সাহনেওয়ালেই স্থায়ী হয়, আর এই গ্রামেই কেটেছে অভিনেতার বেড়ে ওঠার বেশিরভাগ সময়। যদিও ব্যস্ত জীবনে তিনি পাঞ্জাবে ফিরতে পারতেন না, তবুও মুম্বইয়ের পাশের খান্ডালায় নিজের খামারে তিনি যেন পাঞ্জাবকেই ফিরিয়ে এনেছিলেন। শেষ জীবনের বড় সময় তিনি কাটিয়েছেন সেখানেই। ফসল ফলানো, গবাদি পশুর যত্ন নেওয়া আর নিস্তব্ধ প্রকৃতির সঙ্গে মিশে থাকা ছিল, তাঁর সবচেয়ে বড় শান্তির জায়গা। কোভিড লকডাউনের সময় তিনি সেই খামার থেকেই অসংখ্য ভিডিও শেয়ার করেছিলেন, যেখানে দেখা মিলত তাঁর সেই সরল, মাটির মানুষ রূপের- যা তাঁকে আজীবন নোঙর করে রেখেছিল।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us