/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/25/su-2025-11-25-13-26-48.jpg)
সুচিত্রা-তে মুগ্ধ ছিলেন ধর্মেন্দ্র?
ধর্মেন্দ্র ও সুচিত্রা সেনকে একসঙ্গে বড় পর্দায় দেখা গিয়েছিল ১৯৬৬ সালে অসিত সেন পরিচালিত ‘মমতা’ ছবিতে। এটি ছিল ১৯৬৩ সালের বাংলা ব্লকবাস্টার ‘উত্তর ফাল্গুনী’-এর হিন্দি রূপান্তর। এই ছবিতে সুচিত্রা অভিনয় করেছিলেন দ্বৈত চরিত্রে—দেবযানী ও তার কন্যা সুপর্ণা। দেবযানী, যিনি এক যন্ত্রণাদায়ক দাম্পত্য জীবন থেকে বেরিয়ে নৃত্যশিল্পী পান্না বাই হিসেবে পরিচিতি পান, এবং সুপর্ণা, যার ভবিষ্যৎ রক্ষার জন্য মা নিজের জীবন উৎসর্গ করেন। অশোক কুমার ছিলেন দেবযানীর জীবনের প্রেম মনীশ রায়, আর ধর্মেন্দ্র ছিলেন ব্যারিস্টার ইন্দ্রনীল, যিনি সুপর্ণার প্রেমে পড়েন।
এক পুরনো সাক্ষাৎকারে ধর্মেন্দ্র জানান, তাঁর দীর্ঘদিন ধরে সুচিত্রার সঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা ছিল। বিশেষ করে ‘দেবদাস’-এ তাঁকে দেখার পর। ‘মমতা’-র শুটিং চলাকালীন কলকাতার নিউ থিয়েটার্স স্টুডিও এবং দার্জিলিংয়ে কাটানো দিনগুলো তখনও তাঁর মনে অমলিন। ধর্মেন্দ্র স্মরণ করে বলেছিলেন, সুচিত্রা সেন ছিলেন অনিন্দ্য সুন্দরী—শান্ত, মার্জিত এবং অত্যন্ত পেশাদার। পাহাড়ি শুটিং শেষে তিনি মাঝে মাঝে সুচিত্রা ও তাঁর বোনের সঙ্গে গাড়ি করে ঘুরে বেড়াতেন।
Dharmendra-Amitabh: হাত ছাড়লেন বীরু, চারপাশের নিস্তব্ধতায় দম আটকে আসছে অমিতাভের
সুচিত্রাকে তখন অনেকেই ‘রহস্যময় ও নির্জনপ্রিয়’ তারকা হিসেবে চিনতেন, কারণ তিনি ইচ্ছাকৃতভাবেই জনসমক্ষে খুব কমই দেখা দিতেন। তবু, ধর্মেন্দ্র বলেছিলেন, "পর্দার বাইরে সুচিত্রা ছিলেন আশ্চর্য রকম মনোমুগ্ধকর ও আন্তরিক। মুম্বাইয়ের মোহন স্টুডিওতে শুটিং চলাকালীন বাংলার জনপ্রিয় এই নায়িকাকে এক ঝলক দেখার জন্য অসংখ্য দর্শনার্থী ভিড় জমাত। নির্জনপ্রিয় হওয়া সত্ত্বেও তিনি কখনও ভক্তদের হতাশ করতেন না।"
জানা যায়, ‘মমতা’ ছবির প্রস্তাব প্রথমে গিয়েছিল মীনা কুমারীর কাছে, কিন্তু তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন। পরে সুচিত্রা সেন ছবিটিতে অভিনয়ে সম্মতি দেন- কারণ এটি ছিল শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের গল্প অবলম্বনে নির্মিত প্রথম হিন্দি ছবি, এবং পরিচালক অসিত সেনের প্রতি তাঁর বিশেষ শ্রদ্ধা।
Dharmendra Last Film-Ikkis: অগস্ত্য নন্দের সঙ্গে ধর্মেন্দ্রর শেষ অভিনয়, ‘ইক্কিস’–এর নতুন ট্রেলারে উন্মাদনা
ধর্মেন্দ্র আশা করেছিলেন সুচিত্রার সঙ্গে আরও কাজ করার সুযোগ পাবেন। কিন্তু সুপারস্টার হয়েও সুচিত্রা ইচ্ছাকৃতভাবে বাংলা ছবিতেই সীমাবদ্ধ থাকলেন। হিন্দি ছবিতে তাঁকে খুব কমই দেখা গেছে- সঞ্জীব কুমারের সঙ্গে গুলজার পরিচালিত ১৯৭৫ সালের ‘আন্ধি’ ছিল তাঁর শেষ হিন্দি অভিনয়।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us