Dhurandhar AI Casting: এআই-এ নস্টালজিয়া, আশির দশকের রঙে ‘ধুরন্ধর’

‘ধুরন্ধর’ সিনেমাটি যদি আশির দশকে তৈরি হত এবং সেই সময়ের তারকারা অভিনয় করতেন, তাহলে ছবির আবহ, চরিত্রের উপস্থাপনা ও গ্ল্যামার সব মিলিয়ে তা হয়ে উঠত একেবারে আলাদা মাত্রার। ঠিক সেই কল্পনাকেই বাস্তবের কাছাকাছি এনে দিয়েছেন এক এআই আর্টিস্ট।

‘ধুরন্ধর’ সিনেমাটি যদি আশির দশকে তৈরি হত এবং সেই সময়ের তারকারা অভিনয় করতেন, তাহলে ছবির আবহ, চরিত্রের উপস্থাপনা ও গ্ল্যামার সব মিলিয়ে তা হয়ে উঠত একেবারে আলাদা মাত্রার। ঠিক সেই কল্পনাকেই বাস্তবের কাছাকাছি এনে দিয়েছেন এক এআই আর্টিস্ট।

author-image
IE Bangla Entertainment Desk
New Update
Dhurandhar AI Casting

এআই কল্পনায় ‘ধুরন্ধর’-এর ড্রিম কাস্ট

‘ধুরন্ধর’ সিনেমাটি (Dhurandhar Movie) যদি আশির দশকে তৈরি হত এবং সেই সময়ের তারকারা অভিনয় করতেন, তাহলে ছবির আবহ, চরিত্রের উপস্থাপনা ও গ্ল্যামার সব মিলিয়ে তা হয়ে উঠত একেবারে আলাদা মাত্রার। ঠিক সেই কল্পনাকেই বাস্তবের কাছাকাছি এনে দিয়েছেন এক এআই আর্টিস্ট (AI Art Bollywood), যিনি ১৯৮০-এর দশকের বলিউড স্টাইলে ছবিটির চরিত্রগুলোকে নতুন করে কল্পনা করেছেন। এই ভিজ্যুয়ালগুলো ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। এতে একদিকে নস্টালজিয়া আছে, অন্যদিকে আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়াও স্পষ্ট।

Advertisment

সবচেয়ে স্বাভাবিক ও গ্রহণযোগ্য কাস্টিংয়ের মধ্যে প্রথমেই আসে বিনোদ খান্নার নাম। তাঁকেই দেখানো হয়েছে রেহমান ডাকাতের চরিত্রে, যা মূল ছবিতে অভিনয় করেছেন অক্ষয় খান্না। কালো পাঠানি স্যুট, সানগ্লাস আর শান্ত অথচ ভয়ংকর বডি ল্যাঙ্গুয়েজে বিনোদ খান্না যেন একেবারে রেহমানের প্রতিচ্ছবি। বাবা ও ছেলের মধ্যে বাস্তব জীবনের সম্পর্ক থাকায় এই কাস্টিং আরও অর্থবহ হয়ে ওঠে। চোখের দৃষ্টিতে সেই চেনা গাম্ভীর্য আর ব্যক্তিত্বের দৃঢ়তা আশির দশকের অ্যাকশন হিরোর চিত্রকেই সামনে আনে।

রেহমানের স্ত্রী উলফতের চরিত্রে পারভিন বাবিকে দেখানো হয়েছে এআই ভিজ্যুয়ালে। এতে তৈরি হয়েছে এক অনবদ্য গ্ল্যামারাস উপস্থিতি। পারভিন বাবির আবেদনময়ী লুক, স্টাইলিশ ভঙ্গি আর আত্মবিশ্বাসী চোখের ভাষা আশির দশকের সবচেয়ে আইকনিক অন-স্ক্রিন জুটির কথা মনে করিয়ে দেয়। উলফত চরিত্রে তাঁর উপস্থিতি শুধু সৌন্দর্যই নয়, বরং এক শক্তিশালী নারীর প্রতিচ্ছবিও তুলে ধরে।

শ্রীদেবীকে দেখা গিয়েছে ইয়েলিনা জামালির চরিত্রে, যা মূল ছবিতে সারা অর্জুনের। সাদা ঐতিহ্যবাহী পোশাকে শ্রীদেবীর লুক যেন পবিত্রতা ও দৃঢ়তার মিশ্রণ। তাঁর চোখের অভিব্যক্তিতে কোমলতা আছে, আবার চরিত্রের ভিতরের শক্তিও স্পষ্ট।

আরও পড়ুন: ‘অনির্বাণকে কাজ করতে দিন, তাঁর হয়ে আমি ক্ষমা চাইছি’, শিল্পীর কাজের অধিকার রক্ষায় দেবের আবেদন

আর সবচেয়ে বড় আকর্ষণ নিঃসন্দেহে অমিতাভ বচ্চনকে হামজা আলি মাজারির চরিত্রে কল্পনা করা। মূল ছবিতে এই চরিত্রে অভিনয় করেছেন রণবীর সিং। লম্বা চুল, ঘন দাড়ি, জলপাই সবুজ পোশাক আর মুখে সিগারেট-এই লুক একেবারে ‘দিওয়ার’ বা ‘শক্তি’-র সময়কার বচ্চনের কথা মনে করিয়ে দেয়। চোখে সেই চিরচেনা আগুন, মুখে দৃঢ়তা আর শরীরী ভাষায় অ্যাংরি ইয়ং ম্যানের তীব্রতা। এআই ভিজ্যুয়াল যেন প্রমাণ করে দেয়, আশির দশকের বচ্চন এই চরিত্রে থাকলে হামজা আরও বেশি আইকনিক হয়ে উঠত।

আরও পড়ুন: ‘আর একটু শীত থাকলে ভালো হতো’-শ্রাবন্তীর মনখারাপ!

এই পুরো এআই কল্পনা আসলে দুই প্রজন্মের বলিউডকে এক সুতোয় বেঁধে দিয়েছে। একদিকে আধুনিক ছবির চরিত্র, অন্যদিকে আশির দশকের তারকাদের স্টাইল, ব্যক্তিত্ব ও চার্ম। ফলাফল এমন এক ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা, যা নস্টালজিয়াকে উস্কে দেয় এবং দেখিয়ে দেয় সময় বদলালেও তারকাখ্যাতি আর চরিত্রের গুরুত্ব কখনও পুরনো হয় না।

entertainment Entertainment News Entertainment News Today Dhurandhar AI Casting