/indian-express-bangla/media/media_files/2025/05/28/vWo4ftPzynlEqRo0Kzxk.png)
কী হয়েছে ইমরানের?
Emraan Hashmi: অভিনেতা ইমরান হাশমি বর্তমানে ব্যস্ত তার আসন্ন সিরিজ ‘তাসকারি: দ্য স্মাগলার’স ওয়েব’–এর প্রচারে। এই প্রচারসূচির অংশ হিসেবে তিনি মুম্বাই থেকে আহমেদাবাদে যাচ্ছিলেন। তবে যাত্রাপথে আচমকাই সৃষ্টি হয় বড় অসুবিধা। জানা গেছে, যে বিমানে ইমরান ভ্রমণ করছিলেন, সেটি পরিকল্পনামাফিক আহমেদাবাদে অবতরণ করতে ব্যর্থ হয় এবং দুবার ব্যর্থ ল্যান্ডিং-র প্রচেষ্টার পর বিমানটিকে জয়পুর বিমানবন্দরে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়।
ইনস্ট্যান্ট বলিউড সূত্রে জানা যায়, ইমরান আকাসা এয়ারের ফ্লাইট কিউপি ১৭৮১–তে যাত্রা করছিলেন। বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স ৮ মডেলের ওই বিমানটি সকাল ৮:৪০ মিনিটে মুম্বাই থেকে উড়ে আহমেদাবাদে সকাল ১০টার দিকে পৌঁছানোর কথা ছিল। কিন্তু গন্তব্যে পৌঁছানোর ঠিক আগে বিমানটি প্রযুক্তিগত সমস্যার মুখোমুখি হয়। ফলে অবতরণের দুটি চেষ্টা ব্যর্থ হলে পাইলটরা বিমানটিকে আকাশে পুনরায় নিয়ে উড়ে জয়পুরের দিকে রুট পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেন।
রজঃস্বলা অবস্থায় শুটিং! স্তব্ধ ইউনিট! আজও পার্বতীর কাছে দুঃস্বপ্ন সেদিনের ঘটনা..
সৌভাগ্যবশত, ভয়াবহ পরিস্থিতি সত্ত্বেও বিমানটি জয়পুরে নিরাপদে অবতরণ করে এবং উপস্থিত সব যাত্রী- সহ ইমরান, সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
এদিকে ইমরান হাশমির দীর্ঘদিনের পরিচিত ‘সিরিয়াল কিসার’ ট্যাগ এখনও তাকে তাড়া করে বেড়ায়। ২০০৪ সালে অনুরাগ বসুর ব্লকবাস্টার ‘মার্ডার’–এর পর থেকেই এই বিশেষ তকমা তাকে ঘিরে রয়েছে। এ প্রসঙ্গে ইমরান হাসতে হাসতে বলেন, “জনপ্রিয় সংস্কৃতিতে কিছু বিষয় এমনভাবে লেগে যায়, যা কেউ কল্পনাও করতে পারে না। আমার ক্ষেত্রে সেটাই হয়েছে। এটাকে এড়ানো নয়, বরং নিজের মতো করে গ্রহণ করাই ভালো।”
'বাপ কা মাল হ্যায়', আরডি বর্মণ কি সত্যিই বাবার সুর নকল করতেন?
সম্প্রতি তাসকারি–র ট্রেলার লঞ্চের সময় তার সহ-অভিনেত্রী জোয়া আফরোজ জানান, ইমরানের সঙ্গে কাজ করছেন শুনে অনেকে তাকে মজা করে পার্শ্বচাহনি দিয়েছেন। তার কথায়, “ইমরান পুরো একটি প্রজন্মকে রোম্যান্স আর আবেগ বোঝাতে সাহায্য করেছেন। সুতরাং এই ইমেজকে অস্বীকার করার কিছু নেই।” জোয়া আরও বলেন, ছোটবেলায় তার বাড়িতে ইমরানের সিনেমা দেখা ছিল নিষিদ্ধ, তাই লুকিয়ে দেখতে হতো।
এদিকে বহুদিন ধরেই আলোচনা চলছে আওয়ারাপান ২–এর সম্ভাবনা নিয়ে। ইমরান জানান, এটি কেবল নস্টালজিয়ার জন্য নয়, বরং উপযুক্ত স্ক্রিপ্ট পাওয়াতেই গোটা টিম, প্রকল্পটি নিয়ে এগিয়েছে। তার মতে, বর্তমান দর্শক অত্যন্ত বুদ্ধিমান। সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে কোনও দুর্বল গল্প দিয়ে দর্শককে বিভ্রান্ত করা যায় না। “ভালো স্ক্রিপ্ট আর সঠিক মনোভাব- এই দুটো থাকলেই ভালো সিনেমা তৈরি হয়,” মন্তব্য করেন তিনি।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us