/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/12/farah-khan-6-2025-11-12-18-45-06.jpg)
যা শোনালেন ফারহা...
ফারাহ খান, যিনি বলিউডে একাধারে সফল কোরিওগ্রাফার, পরিচালক এবং প্রযোজক- ব্যক্তিগত জীবনেও এক অনুপ্রেরণার প্রতীক। ৩৯ বছর বয়সে তিনি বিয়ে করেন সিনে-নির্মাতা শিরীষ কুন্দরকে, তখন শিরীষের বয়স ছিল ৩১। কয়েক বছর পর দম্পতি সন্তান নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, কিন্তু বয়স ও সামাজিক মানসিকতার কারণে তাঁরা নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন। সেই সময় ফারাহ সাহসিকতার সঙ্গে আইভিএফ (In Vitro Fertilization) পদ্ধতি বেছে নেন।
IVF- এমন এক সিদ্ধান্ত, যা তখনও অনেকের কাছে নিষিদ্ধ বিষয়ের মতো ছিল। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ফারাহ অকপটে জানিয়েছেন তাঁর আইভিএফ যাত্রার কথা- কীভাবে প্রথম দু’বার ব্যর্থতার পর তৃতীয় প্রচেষ্টায় তিনি ট্রিপলেট সন্তানের মা হন। ফারাহ বলেন, "তখন এটা খুব সাধারণ বিষয় ছিল না, কিন্তু কেউই খোলাখুলি বলত না। সবাই সারস পাখির গল্পে ঢেকে রাখত। আমি সম্ভবত প্রথম সেলিব্রিটি, যিনি এই বিষয়টি প্রকাশ্যে বলেছি।”
Sunil Grover: হাসির আড়ালে লুকিয়ে ছিল কষ্ট! ঠিক কোন ভয়ঙ্কর কারণে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয় সুনীল-কে?
তিনি জানান, ট্রিপলেট সন্তান বহন করা ছিল এক বিশাল শারীরিক চ্যালেঞ্জ। ফারহা বলেন, "আমার শরীরে ক্রমাগত ফুসকুড়ি হচ্ছিল, বমি হতো, ঘুম প্রায় হতো না। প্রতিদিন ইনজেকশন নিতে হতো, কখনো উরুতে, কখনো পেটে। প্রথম দু’বার ব্যর্থ হওয়ার পর আমি বিছানায় শুয়ে কাঁদতাম। তখনই বুঝেছিলাম, আমি সত্যিই মা হতে চাই।"
ফারাহ আরও জানান, এই কঠিন সময়ে শাহরুখ খান তাঁকে মানসিক শক্তি দেন। তাঁর কথায়, "শাহরুখ প্রতি বছর দু’মাস পরিবার নিয়ে ছুটিতে যেতেন, সেই সময়টাই আমি আইভিএফ করতাম। তৃতীয়বার আমার মাত্র চারটি ডিম বাকি ছিল, আর আমি জানতাম- এবারই হবে।"
প্রবাসে শেষ নিঃশ্বাস দীপঙ্করের, শোকের ছায়া অনুরাগীমহলে
তাঁর স্বামী শিরীষ কুন্দরও ছিলেন তাঁর সঙ্গে। ফারহা বলেন, "প্রতিদিন সে আমার সঙ্গে ডাক্তারের কাছে যেত, আমার যত্ন নিত, এমনকি আমি চলতে না পারলে স্নান করিয়ে দিত। ব্যর্থ হলেও সে বলেছিল, ‘আমাদের সন্তান না হলেও কিছু যায় আসে না।’” ফারাহ আরও বলেন, “শাহরুখ ও আমির খোলাখুলি সারোগেসির কথা বলেছেন, কিন্তু এখনো অনেকে ‘প্রাকৃতিক’ বলে লুকিয়ে রাখেন। আমি শুধু বলি, ঈশ্বর তাঁদের মঙ্গল করুন।”
২০০৮ সালে ফারাহ ও শিরীষ তাঁদের ট্রিপলেট সন্তান- দিভা, আন্যা ও জারের জন্ম দেন। আগামী বছর তারা ১৮ বছরে পা দেবে। ফারাহের এই খোলামেলা স্বীকারোক্তি আজও সমাজে সাহস ও স্বচ্ছতার প্রতীক হয়ে রয়েছে।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us